Falta repoll latest update: 'স্বাধীনতা পেলাম…..', ফলতায় শান্তিতে ভোট, শুভেন্দু-যুগে ‘শাটার ডাউন’ জাহাঙ্গীরের
Falta repoll latest update: ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের পুনর্নির্বাচনে শান্তিপূর্ণভাবেই চলছে ভোটগ্রহণ। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী জাহাঙ্গীর খানের খোঁজ মিলছে না। যিনি ভোটের আগেই ওয়াকওভার দেওয়ার ঘোষণা করে। সরে দাঁড়ান।
Falta repoll latest update: 'স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছি'- ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের পুনর্নিবার্চনের মধ্যেই ভোটারদের মুখে এমন কথাই শোনা গেল। বৃহস্পতিবার তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যতম ‘প্রাক্তন’ ডেরা ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের ২৮৫টি বুথেই ভোটগ্রহণ হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, সকাল ন'টা পর্যন্ত ২০.৪৭ শতাংশ ভোট পড়েছে। কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই শান্তিপূর্ণভাবেই ভোট চলছে। আর ভোট দেওয়ার পরে অনেকেই দাবি করেছেন যে অবশেষে শান্তিতে ভোট দিতে পারলেন। এতদিন ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট না দিয়েই ফিরে আসতে হত। কিন্তু হাতে কালি পড়ে যেত। আবার কাউকে-কাউকে ভোটকেন্দ্রের দিকে যেতেই দেওয়া হত না। ভোটের আগের রাতে চলত চমকানি-ধমকানি। জুটত হুমকি।

উধাও জাহাঙ্গীর, শাটার ডাউন তৃণমূলের
আর যাঁর বিরুদ্ধে সেইসব অভিযোগ উঠত, সেই ‘পুষ্পা’ জাহাঙ্গীর খান বেপাত্তা ভোটের দিন। খাতায়কলমে তিনি ফলতার তৃণমূল প্রার্থী। কিন্তু ৪৮ ঘণ্টা আগেই নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেন। ইভিএমে অবশ্য নাম থেকে গিয়েছে তাঁর (কারণ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেও মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষদিন পেরিয়ে গিয়েছে, ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও ফলতায় ইভিএমে নাম আছে জাহাঙ্গীরের)।
আরও পড়ুন: Vande Mataram in WB Madrasa: মাদ্রাসায় ‘বন্দে মাতরম’ গাইতেই হবে! নির্দেশিকা জারি শুভেন্দু সরকারের
কিন্তু বাস্তবের জমিতে খুঁজে পাওয়া যায়নি একদা অভিষেকের ‘ডান হাত’-কে। শুভেন্দু অধিকারী-যুগে পশ্চিমবঙ্গে যে প্রথম নির্বাচন হচ্ছে, সেদিন সকালে খোঁজ মিলছে না জাহাঙ্গীরের। তাঁর বাড়ি বন্ধ। দলীয় কার্যালয়ের শাটারও ‘ডাউন’। বারবার ডাকলেও সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না।
ইভিএমে কোনও সেলোটেপ নেই, দাবি বিজেপি প্রার্থীর
সেই আবহে ফলতার বিজেপি দেবাংশু পণ্ডা দাবি করেছেন, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চলছে। ইভিএমে কোনও সেলোটেপ নেই। কারও ভোটার কার্ড কেড়ে নেওয়া হয়নি। এমনকী অনেকে মেসেজ করেছেন যে ১০ বছর পরে ভোট দিতে পারবেন। এতদিন বাড়িতে ছিলেন না। অবশেষে বাড়ি ফিরেছেন।
আরও পড়ুন: Abhishek-Sayani Flat: স্বামী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, স্ত্রী সায়নী ঘোষ- সেই ফ্ল্যাটে যেতেই ফাঁস রহস্য
সেইসঙ্গে বিজেপি প্রার্থী জানিয়েছেন, বুথে তৃণমূলের কোনও এজেন্ট নেই। সিপিআইএমের এজেন্ট আছেন হাতেগোনা কয়েকটি বুথে। সেই পরিস্থিতিতে বিজেপির জয় নিশ্চিত বলে দাবি করেছেন দেবাংশু। তাঁর দাবি, এক লাখ থেকে দেড় লাখ ভোটে জিতবে বিজেপি।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


