Hooghly Piped Gas Connection: পুজোর আগেই পাইপের গ্যাস আসছে চুঁচুড়া-সহ হুগলিতে! লক্ষ্যমাত্রা ঠিক চন্দননগরেও
Hooghly Piped Gas Connection: পুজোর আগেই পাইপের গ্যাস পৌঁছে যাবে চুঁচুড়া-সহ হুগলির বিস্তীর্ণ এলাকায়। সেইসঙ্গে চন্দননগরের জন্য লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করে ফেলেছে বেঙ্গল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড। কী লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে?
Hooghly Piped Gas Connection: দুর্গাপুজোর আগেই চুঁচুড়া-সহ হুগলির বিভিন্ন এলাকায় পাইপবাহিত গ্যাস (পিএনজি) পরিষেবা চালু হয়ে যাবে। এমনই আশাপ্রকাশ করল বেঙ্গল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (গেইল এবং গ্রেটার ক্যালকাটা গ্যাস সাপ্লাই কর্পোরেশন লিমিটেডের যৌথ সংস্থা)। সূত্রের খবর, চুঁচুড়ার পাশাপাশি হুগলির বিভিন্ন পুর এলাকা এবং শহর লাগোয়া একাধিক পঞ্চায়েত এলাকার হাজারদুয়েকের মতো বাড়িতে ইতিমধ্যে পাইপবাহিত গ্যাস সংযোগের পরিকাঠামো তৈরির কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে পুজোর আগেই সেখানে পাইপে করে গ্যাস পাঠানোর কাজ শুরু হয়ে যাবে।

অক্টোবর ও মার্চ- বড় লক্ষ্যমাত্রা বেঙ্গল গ্যাস কোম্পানির
বেঙ্গল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড সূত্রে খবর, আগামী অক্টোবরের মধ্যেই চুঁচুড়ায় পাইপের মাধ্যমে গ্যাস জোগানের পরিষেবা চালু করে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। আর আগামী বছর মার্চের মধ্যে ২৫,০০০ গ্যাস মিটার বসানোর পরিকল্পনা আছে বলে বেঙ্গল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড সূত্রে খবর।
ইতিমধ্যে চন্দননগরে পৌঁছে গিয়েছে PNG পরিষেবা
এমনিতে চলতি মাসের গোড়ার দিকেই চন্দননগরে পাইপবাহিত গ্যাস পৌঁছে গিয়েছে। সেইসময় বেঙ্গল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের সিইও অনুপম মুখোপাধ্যায় জানান, ইতিমধ্যে চন্দননগরে পিএনজি পরিষেবা চালু করে দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত (জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত) ৫০০টি বাড়িতে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে গ্যাস মিটার। পরবর্তী দু'মাসে বাকি বাড়িগুলিতেও পরিষেবা চালু হয়ে যাবে বলে জানান বেঙ্গল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের সিইও।
চন্দননগর পুরো এলাকায় ১০০ কিমির বেশি পাইপলাইন পাতা হবে
পুরো চন্দননগর পুর এলাকায় পিএনজির জোগান চালুর জন্য ১০০ কিলোমিটারের বেশি পাইপলাইন পাতার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে বেঙ্গল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড। ইতিমধ্যে ন'টি ওয়ার্ডের প্রায় ৫৯ কিমি অংশে পাইপলাইন বসানো হয়ে গিয়েছে। বাকি কাজটা এক বছরের মধ্যে হয়ে যাবে বলে আশাপ্রকাশ করা হয়েছে বেঙ্গল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের তরফে।
অনুমোদন পাওয়ার জন্য হত্যে দিয়ে পড়ে থাকতে হবে না
আধিকারিকদের বক্তব্য, এতদিন কাজ করার জন্য অনুমোদন পাওয়া একটা কঠিন বিষয় ছিল। অনুমোদন পেতে গিয়ে জুতোর শুকতলা খয়ে যেত। কিন্তু এখন সব কর্তৃপক্ষের তরফে সবরকমের সহযোগিতা মিলছে। ফলে অনুমোদন পাওয়ার কাজটা সহজ হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


