Suvendu challenges Abhishek: 'ওর বাপের নাম ঠিক থাকলে…', অভিষেককে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর, ২০২১ সালের কথা ফেরালেন?
Suvendu challenges Abhishek: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন শুভেন্দু অধিকারী। বললেন, ‘ওর বাপের নাম ঠিক থাকলে…।’ আর সেই বার্তার পরে ২০২১ সালের ভোটের আগে অভিষেকের সেই কথা নিয়ে আলোচনা শুরু হতে পারে।
Suvendu challenges Abhishek: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। 'বিদ্রোহী' তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক মদন মিত্রকে ১০ কোটি টাকার আইনি নোটিশ পাঠানোর প্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রীকে যে প্রশ্ন করা হয়েছিল, সেটার প্রেক্ষিতে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ তথা তৃণমূলের (কালীঘাট) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে নিশানা করে শুভেন্দু বলেন, ‘ও অনেক বড়-বড় কথা বলেছে, যেটার আমি কাউন্টার করব না। আমি শুধু একটা কথা বলে গেলাম - ওর বাপের নাম যদি ঠিক থাকে, আগামী লোকসভা ভোটে (২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন) ডায়মন্ড হারবারে লড়বে।’

শুভেন্দুকে ‘তুইতোকারি’ করেছিলেন অভিষেক
আর যে অভিষেককে এমন চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন মুখ্যমন্ত্রী, সেই তৃণমূল সাংসদ অতীতে শুভেন্দুর বাবা তুলে বেলাগাম আক্রমণ করেছিলেন। ‘তুইতোকারি’ করেছিলেন বিজেপি নেতাকে। যিনি কয়েক মাস আগেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। এমনকী অভিষেক হুংকার দিয়েছিলেন যে জামানত বাজেয়াপ্ত করে ছাড়বেন।
‘তোর বাপকে গিয়ে বল', শুভেন্দুকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন অভিষেক
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে কাঁথির সেই জনসভা থেকে অভিষেক হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, ‘তোর বাপকে গিয়ে বল, তোর বাড়ির পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছি! যা করার কর! আয়! হিম্মত আছে? এই মেদিনীপুরের মাটিতে, তোমার মাটিতে, তোমার পাড়ায় তোমার এলাকায় দাঁড়িয়ে তোমায় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে যাচ্ছি।’ সেইসঙ্গে তিনি বলেছিলেন, ’চার আনার নকুলদানা, তার আবার ক্যাশমেমো। আমায় থ্রেট দিচ্ছে!'
২০২১ সালে হুঁশিয়ারি, ২০২৬ সালে অভিষেকেরও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু
সেই ঘটনার পরে জল অনেক দূর গড়িয়েছে বঙ্গ রাজনীতিতে। যে শুভেন্দুকে কাঁথির সভা থেকে আক্রমণ করেছিলেন অভিষেক, তিনিই তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র থেকে হারিয়ে দিয়েছিলেন। হয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। আর পাঁচ বছর পরে ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে অভিষেকদের ধূলিসাৎ করে দিয়েছেন। মমতার ঘরে ঢুকে ভবানীপুরে হারিয়ে দিয়েছেন।
সেইসঙ্গে তৃণমূলকে উৎখাত করে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন শুভেন্দু। অভিষেকের যে ডায়মন্ড হারবার মডেল ছিল, সেটাও গুঁড়িয়ে দিয়েছেন। নিজের সংসদ এলাকায় বিধানসভা খুইয়েছেন অভিষেক। যে ফলতা বিধানসভা কেন্দ্র সেই ডায়মন্ড মডেলের ‘হৃদপিণ্ড’ ছিল, সেখানকার তৃণমূল প্রার্থী তথা অভিষেকের ডান হাত পুনর্নির্বাচনের আগে ভোট থেকে সরে দাঁড়ান। জাহাঙ্গীর জেলে। অভিষেকের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা হয়েছে। এমনকী অভিষেক কিল, ঘুষি খেয়েছেন। ছোড়া হয়েছে ডিম।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


