আগামিকাল দোলযাত্রা, প্রিয়জনদের রঙের উৎসবের শুভেচ্ছা জানান আজই, কী লিখবেন জেনে নিন

কাল দোলযাত্রা। আজই পাঠিয়ে দিন শুভেচ্ছাবার্তা। কী লিখতে হবে, জেনে নিন এখান থেকে। 

Published on: Mar 2, 2026, 09:50:46 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বসন্তের মাতাল হাওয়ায় আবির খেলার দিন সমাগত। আগামিকাল ৩ মার্চ, ২০২৬—বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উৎসব দোলযাত্রা বা হোলি। অশুভ শক্তির বিনাশ আর প্রীতির বন্ধন দৃঢ় করার এই উৎসবে মেতে উঠতে আজ থেকেই শুরু হয়ে গেছে প্রস্তুতি। তবে কেবল আবির আর রঙেই নয়, উৎসবের আনন্দ পূর্ণতা পায় প্রিয়জনদের পাঠানো আন্তরিক শুভেচ্ছাবার্তায়।

আগামিকাল দোলযাত্রা, প্রিয়জনদের রঙের উৎসবের শুভেচ্ছা জানান আজই
আগামিকাল দোলযাত্রা, প্রিয়জনদের রঙের উৎসবের শুভেচ্ছা জানান আজই

আগামিকালকের উৎসবের জন্য আজ থেকেই প্রিয়জনদের পাঠানোর মতো সেরা শুভেচ্ছাবার্তা ও উৎসবের তাৎপর্য জেনে নিন।

(আরও পড়ুন: দোল পূর্ণিমা ২০২৬র তিথি কখন থেকে পড়ছে? পঞ্জিকামতে সময়, তারিখ দেখে নিন)

ফাল্গুনী পূর্ণিমার এই তিথিটি কেবল রঙের উৎসব নয়, এটি মিলনের উৎসব। পুরাণ মতে, এই দিনেই শ্রীকৃষ্ণ ও রাধিকা বৃন্দাবনে আবির খেলায় মেতেছিলেন। অন্যদিকে, হোলিকা দহনের মাধ্যমে সমাজ থেকে সমস্ত অশুভ শক্তি ও অন্ধকারকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার করা হয়। বর্তমানের এই ডিজিটাল যুগে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার প্রথম ধাপ হলো সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি সুন্দর শুভেচ্ছাবার্তা।

কেন আজ থেকেই শুভেচ্ছা জানানো জরুরি?

উৎসবের দিনটি কাটে হইহুল্লোড় আর রঙের নেশায়। তাই প্রিয়জনদের শান্তিতে এবং সবার আগে মনের কথা জানাতে আজকের দিনটিই (২ মার্চ) প্রশস্ত। আপনার একটি ছোট বার্তা দূরত্বের দেওয়াল ভেঙে দিয়ে সম্পর্কের রঙকে আরও গাঢ় করে তুলতে পারে।

প্রিয়জনদের জন্য বাছাই করা কিছু শুভেচ্ছাবার্তা:

১. বন্ধুদের জন্য:

বসন্তের এই রঙিন দুপুরে, তোর জীবনটা আবিরের মতো উজ্জ্বল হয়ে উঠুক। পুরনো সব মান-অভিমানে জল ঢেলে চল কাল আবার নতুন করে রঙের উৎসবে মাতি। শুভ দোলযাত্রা!

২. পরিবারের বড়দের জন্য:

প্রণাম নেবেন। রঙের এই উৎসব আপনার জীবনে শান্তি, সমৃদ্ধি এবং সুস্বাস্থ্য বয়ে আনুক। দোলযাত্রার অনেক অনেক শুভকামনা।

৩. প্রিয় মানুষের (Partner) জন্য:

আমার জীবনের সবথেকে সুন্দর রঙটি হলে তুমি। এই দোলে প্রার্থনা করি আমাদের ভালোবাসা যেন আবিরের মতো রঙিন আর চিরস্থায়ী হয়। হ্যাপি হোলি!

৪. ছোটদের জন্য:

খুব আনন্দ করো, কিন্তু সাবধানে। ভেষজ আবির আর একরাশ হাসি দিয়ে রাঙিয়ে তোলো তোমার চারপাশ। শুভ দোলযাত্রা।

(আরও পড়ুন: গত কয়েক দশকে এমন দোল আসেনি! একসঙ্গে ৫টি বিরল রাজযোগ তৈরি হচ্ছে এদিন, কোন কোন রাশি বিরাট সুবিধা পাবে)

উৎসব পালনে কিছু জরুরি টিপস (Safe Holi)

রঙের আনন্দ যেন নিরানন্দ না হয়ে যায়, তাই কিছু বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি:

  • ভেষজ আবির ব্যবহার: রাসায়নিক রঙের বদলে হার্বাল বা ভেষজ আবির ব্যবহার করুন যাতে ত্বক ও চোখের ক্ষতি না হয়।
  • পশুপাখিদের যত্ন: রাস্তাঘাটের কুকুর বা বিড়ালের গায়ে রঙ দেবেন না। অবলা প্রাণীদের জন্য রঙ অত্যন্ত ক্ষতিকর।
  • জলের অপচয় রোধ: আবির খেলাই দোলযাত্রার আসল সৌন্দর্য, তাই অকারণে জল নষ্ট করবেন না।

(আরও পড়ুন: দোল পূর্ণিমায় এবার চন্দ্রগ্রহণ! রঙের উৎসবে গ্রহণের ছায়া, এর মানে জানা আছে তো)

দোলযাত্রা মানেই ভেদাভেদ ভুলে যাওয়ার দিন। লাল, নীল, হলুদ আর সবুজ আবিরের ধুলোয় মিশে যাক সব তিক্ততা। আপনি যেখানেই থাকুন না কেন, আপনার হৃদয়ের উষ্ণতা পৌঁছে দিন মেসেজ বা ফোনের মাধ্যমে। আজকের এই ডিজিটাল শুভেচ্ছাই হোক আগামিকালের রঙিন উৎসবের প্রথম ধাপ।

  • Suman Roy
    ABOUT THE AUTHOR
    Suman Roy

    সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More