ট্রাফিকে আটকে এয়ারপোর্ট পৌঁছতে হয় দেরি, বিমান ধরার আগে মর্মান্তিক কাণ্ড! ৪৬ বছর বয়সী যাত্রী..
জানা গিয়েছে, ৪৬ বছর বয়সী ওই ফিনান্স এক্সিকিউটিভ চৌধরী চরণ সিং বিমানবন্দরে যাচ্ছিলেন। তিনি উত্তরপ্রদেশের কানপুরের বাসিন্দা। কানপুরের, কল্যাণপুর থেকে লখনউতে তিনি বিমান ধরার জন্য আসেন।
ইন্ডিগোর বিমান পরিষেবা ঘিরে গত কয়েকদিনে দেশের একাধিক এয়ারপোর্টে ভয়াবহ অবস্থা দেখা দিয়েছে। যাত্রী হয়রানির করুণ চিত্র দেখা গিয়েছে দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে। এরই মাঝে এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে গেল লখনউ বিমানবন্দরে। সেখানে এক ফিনান্স এক্সিকিউটিভের অসুস্থতা ও পরে তাঁর মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায়।

জানা গিয়েছে, ৪৬ বছর বয়সী ওই ফিনান্স এক্সিকিউটিভ চৌধরী চরণ সিং বিমানবন্দরে যাচ্ছিলেন। তিনি উত্তরপ্রদেশের কানপুরের বাসিন্দা। কানপুরের, কল্যাণপুর থেকে লখনউতে তিনি বিমান ধরার জন্য আসেন। জানা গিয়েছে, রাস্তায় প্রবল ট্রাফিক জ্যামের মধ্যে পড়ে এয়ারপোর্ট পৌঁছতে দেরি হয় ওই ব্যক্তির। এরপরই তাঁর গাড়ি যখন বিমানবন্দরে প্রবেশ করে, তখন এয়ারপোর্টের পার্কিং এরিয়া-তেই অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই ব্যক্তি। এরপরই তাঁকে স্থানীয় লোকবন্ধু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তখনই তাঁর মৃত্যু হয়। জানা গিয়েছে মৃতের নাম অনুপ পান্ডে।
( Vastu Shastra: অফিসের ব্যাগে এই জিনিসগুলি রাখেন না তো? সৌভাগ্য ফেরাতে বাস্তুটিপস রইল)
( Lucky Zodiac Signs: সূর্য একা নন! সঙ্গে বুধ, শুক্রকে নিয়ে কপাল খুলবেন একঝাঁক রাশির, লাকি কারা?)
সরোজিনি নগরের স্টেশন হাউস অফিসার জানিয়েছেন,'প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা রয়েছে, তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।' প্রয়াত অনুপ, মূলত কানপুরের কল্যাণপুরের বাসিন্দা, স্ত্রী, ছেলে এবং মেয়ের সাথে বেঙ্গালুরুতে থাকতেন। পাঁচ দিন আগে তিনি একটি শোকজ্ঞাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কানপুরে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে কানেক্টিং ফ্লাইটে তাঁর দিল্লি যাওয়ার কথা ছিল। উল্লেখ্য, ইন্ডিগোর পরিষেবা ঘিরে গোটা দেশে বিমান চলাচলকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। তারই মাঝে উঠে এল এই মর্মান্তিক কাণ্ড।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


