Satabdi on Kalyan Suspesion: 'একেবারে নীচুস্তরের লোকেদের মতো মহিলাদের গালাগালি দেন কল্যাণ', বিস্ফোরক শতাব্দী
Satabdi on Kalyan Suspesion: কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন শতাব্দী রায়। যে কল্যাণকে লোকসভার পুরো বাদল অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড করে দেওয়া হয়েছে। যিনি প্রাক্তন তৃণমূল তথা অধুনা এনসিপিআই সাংসদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েছিলেন।
Satabdi on Kalyan Suspesion: মহিলা সাংসদের বিরুদ্ধে অসংসদীয় ভাষা প্রয়োগের জন্য পুরো বাদল অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড করে দেওয়া হল কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সেই মর্মে লোকসভায় প্রস্তাবও পাশ হয়। তারপরই সাসপেন্ড করে দেওয়া হয় শ্রীরামপুরের তৃণমূল কংগ্রেস (কালীঘাট) সাংসদকে। তবে ঠিক কাকে উদ্দেশ্য করে অসংসদীয় ভাষা প্রয়োগ করেছিলেন কল্যাণ, তা নির্দিষ্টভাবে বলা হয়নি। সূত্রের খবর, প্রাক্তন তৃণমূল তথা অধুনা এনসিপিআই (ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অফ ইন্ডিয়া) সাংসদ মিতালী বাগের উদ্দেশ্যে কোনও অসংসদীয় মন্তব্য করেন কল্যাণ। তার ভিত্তিতেই সাসপেন্ড করে দেওয়া হয়েছে তাঁকে।

ভদ্রলোকের মুখ দিয়েও এরকম গালাগালি আসে? আক্রমণ শতাব্দীর
বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যম টিভি নাইনের সাক্ষাৎকারে এনসিপিআই সাংসদ শতাব্দী রায় বলেন, ‘মহিলাদের গালাগালি দেন (কল্যাণ দা)। যে গালাগালি একদম নীচুস্তরের লোকেরা দেয়, সেরকম গালাগালি উনি দিয়ে থাকেন। সেটা ভাবা যায় না যে ভদ্রলোকের মুখ দিয়ে বের হতে পারে।’
শতাব্দী, কাকলিদের সঙ্গে কথার লড়াই কল্যাণের
আর আজও কল্যাণ 'গালাগালি' দিয়েছিলেন কিনা, তা স্পষ্ট নয়। সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিতালী, শতাব্দী এবং কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ এনসিপিআই সাংসদদের (প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ) সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়িয়ে পড়েন কল্যাণ। কী কারণে সেই বাকযুদ্ধ শুরু হয়, তা স্পষ্ট নয়। তারইমধ্যে দু'পক্ষকেই শান্ত করার চেষ্টা করেন বিরোধী দলের কয়েকজন সাংসদ। তাঁরা কী হয়েছে জানতে চাইলে সংসদ থেকে বেরিয়ে যান কল্যাণ।
স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ NCPI সাংসদদের, তারপরই সাসপেন্ড
তারইমধ্যে কাকলি, মিতালী-সহ এনসিপিআইয়ের কয়েকজন সাংসদ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করতে যান বলে সূত্রের খবর। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, লিখিতভাবে অভিযোগ জমা দিতে বলেন স্পিকার।
তারপর দুপুর দুটোয় যখন কক্ষের অধিবেশন পুনরায় শুরু হল, তখন চেয়ারে থাকা কৃষ্ণপ্রসাদ তেনেটি অভিযোগের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। বলেন যে কল্যাণের মন্তব্য কক্ষের মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করেছে। তারপর সংসদে প্রস্তাব পেশ করে পুরো বাদল অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করে দেওয়া হয় কল্যাণকে। যিনি আপাতত বিষয়টি নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


