‘সাসনেবল হারনেসিং অ্যান্ড অ্যাডভান্সমেন্ট অফ নিউক্লিয়ার এনার্জি ফর ট্রান্সফরমিং ইন্ডিয়া’ বিল ২০২৫ বা SHANTI বিল সদ্য সংসদে পাশ হয়েছে। তাতে অনুমোদনও দিয়ে দিয়েছেন দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ফলত, এই বিল এবার আইন হতে চলেছে। এই বিলের মাধ্যমে পারমাণবিক শক্তি ক্ষেত্রকে আধুনিক, সুসংগঠিত ও ভবিষ্যৎমুখী করে তোলার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। আর এই বিল নিয়ে এবার মুখ খুলল ট্রাম্পের আমেরিকা। যে আমেরিকা ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্কের তাবড় বোঝা চাপিয়েছে।
ভারতের পারমাণবিক শক্তি ক্ষেত্র সম্পর্কিত এই শান্তি বিলকে ট্রাম্পের আমেরিকা স্বাগত জানিয়েছে। বলা হয়েছে, ‘ আমরা ভারতের নতুন SHANTI বিলকে স্বাগত জানাই, যা একটি জোরালো শক্তিক্ষেত্রে নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব এবং শান্তিপূর্ণ অসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতার দিকে একটি পদক্ষেপ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শক্তি খাতে যৌথ উদ্ভাবন এবং গবেষণা ও উন্নয়ন করতে প্রস্তুত।’ ফলত বিল নিয়ে ট্রাম্পের আমেরিকা তাঁর মনোভাব কার্যত স্পষ্ট করে দিয়েছে। বিভিন্ন পোস্টে এর আগে, ‘টারিফ কিং’ হিসাবে আখ্যা পাওয়া ট্রাম্পের প্রশাসনের এই বার্তা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সংসদে বিলটি পাস হয় এবং বেসরকারী সংস্থাগুলি ভারতের পারমাণবিক শক্তি খাতে প্রবেশের পথ প্রশস্ত করে। এটি ১৯৬২ সালের পারমাণবিক শক্তি আইন এবং সিভিল লায়াবিলিটি ফর নিউক্লিয়ার ড্যামেজ অ্যাক্ট (সিএলএনডি অ্যাক্ট) বাতিল করার প্রস্তাব করে।
( Bangladesh High Commission: ঢাকার প্রেশার গেম? দিল্লিতে বাংলাদেশ হাই কমিশনের বড় পদক্ষেপ, কী ঘটেছে?)
{{/usCountry}}( Bangladesh High Commission: ঢাকার প্রেশার গেম? দিল্লিতে বাংলাদেশ হাই কমিশনের বড় পদক্ষেপ, কী ঘটেছে?)
{{/usCountry}}কেন্দ্রের তরফে বলা হয়েছে,'২০৪৭ সালের মধ্যে ১০০ গিগাওয়াট পারমাণবিক শক্তি ক্ষমতা অর্জনের দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যকে সমর্থন করে।' সরকার পক্ষ বলছে, ভারতের ক্রমবর্ধমান শক্তি চাহিদা, প্রযুক্তিগত উন্নতি এবং দূষণমুক্ত জ্বালানি ব্যবহারের লক্ষ্যমাত্রা বর্তমান আইন কাঠামোর পুনর্মূল্যায়নকে অপরিহার্য করে তুলেছিল। পরমাণু শক্তি দফতরের প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহ জানিয়েছেন, পরমাণু শক্তি একটি নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহের উৎস, যা অন্যান্য পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির বিকল্পের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।