Mamata Banerjee vs Suvendu Adhikari: মমতার স্ট্র্যাটেজিতেই মমতাকে মাতের চেষ্টা? ভবানীপুরে শুভেন্দু? নন্দীগ্রামে কে?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ট্র্যাটেজিতেই তাঁকে মাত করার চেষ্টা বিজেপির? বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুরে দাঁড়াতে পারেন শুভেন্দু অধিকারীই।
ছাব্বিশের ভোটেও কি সরাসরি লড়াই হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর? তেমনই সম্ভাবনা উঠে এসেছে। সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে শুভেন্দুকে দাঁড় করানোর পক্ষে সওয়াল করেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবং রাজ্য নেতৃত্বের একাংশ। তাঁদের মতে, রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সবথেকে হেভিওয়েট প্রার্থীর বিরুদ্ধে ওজনদার কাউকেই দাঁড় করাতে হবে। আর সেক্ষেত্রে শুভেন্দুর থেকে হেভিওয়েট প্রার্থী পদ্মশিবিরে নেই বলে মনেই করছে ওই মহল। যদিও আপাতত চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

মমতার স্ট্র্যাটেজিতেই মমতাকে মাতের চেষ্টা?
আর যদি সেটাই হয়, তাহলে মুখ্যমন্ত্রীর স্ট্র্যাটেজিই তাঁর বিরুদ্ধেই বিজেপি প্রয়োগ করবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। কারণ ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে যখন ‘বিজেপি-বিজেপি’ রব উঠেছিল, সেইসময় চমক দিয়ে সবথেকে ‘কঠিন’ আসন নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে নিজেই দাঁড়িয়েছিলেন মমতা। সামান্য ভোটে হেরে গিয়েছিলেন। কিন্তু ‘সুরক্ষিত’ বা ‘সেফ’ আসন থেকে না হলে তিনি যে সবথেকে ‘কঠিন’ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, সেই বিষয়টি ইতিবাচক বার্তা বয়ে নিয়ে গিয়েছিল তৃণমূল কর্মী-সমর্থক ও রাজ্যের মানুষের কাছে। ফলে দিনের শেষে হেরে গেলেও মমতা আসল কাজটা করে দিয়েছিলেন।
নন্দীগ্রামে কে প্রার্থী হবেন?
এবার ঠিক সেই কৌশলই মমতার বিরুদ্ধে বিজেপি ব্যবহার করতে চায় বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। যদিও ২০২১ সালে মমতা নিজের কেন্দ্র ভবানীপুর ছেড়ে শুধুমাত্র নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করেছিলেন, শুভেন্দুর ক্ষেত্রে সম্ভবত সেরকম হবে না বলে সূত্র উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুভেন্দু জানিয়েছেন যে তিনি নন্দীগ্রাম থেকেও লড়তে চান। কারণ নন্দীগ্রামের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। তাই নিজের কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান। সেক্ষেত্রে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর থেকেও শুভেন্দুকে দাঁড় করানো হতে পারে বলে সূত্র উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
শুরুতেই ভবানীপুরের প্রার্থীর নাম ঘোষণা
শেষপর্যন্ত অবশ্য সেটা হবে কিনা, তা তিন-চারদিনের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে। কারণ ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রের ক্ষেত্রে যে ভুলটা করেছিল বিজেপি, এবার সেটা করতে চাইছে না। অভিষেকের কেন্দ্র থেকে নিজেদের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে পদ্মশিবির এতটাই দেরি করেছিল যে ততদিনে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে গিয়েছিলেন। এবার তাই বিজেপি প্রথম দফার তালিকায় ভবানীপুরের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিতে পারে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper











