Sign in

Jodhpur Park Boys' School Chaos: সরকারি নির্দেশ ‘অমান্য’ শিক্ষকের! শহরের অভিজাত স্কুলে অভিভাবকদের বিক্ষোভে ধুন্ধুমার

Jodhpur Park Boys' School Chaos: সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, স্কুলের শিক্ষক প্রাইভেট টিউশন পড়াতে পারবেন না। কিন্তু অভিভাবকদের দাবি, তা উপেক্ষা করেই প্রাইভেট টিউশন পড়াচ্ছিলেন যোধপার্ক বয়েজ স্কুলের এক শিক্ষক। ছেলে-মেয়েদের তাঁর কাছেই টিউশন পড়ানোর জন্য চাপও দিচ্ছিলেন। 

Published on: Jun 29, 2026, 21:26:25 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Jodhpur Park Boys' School Chaos: শহরের বুকে সাতসকালে এক স্কুলের সামনে চরম উত্তেজনা। সরকার পোষিত যোধপুর পার্ক বয়েজ স্কুলের সামনে সোমবার সকাল থেকে অভিভাবকদের বিক্ষোভ ঘিরে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়়িয়েছে। সূত্রের খবর, প্রাইভেট টিউশন পড়ানোর জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে, এমন অভিযোগ তুলে স্কুলের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন অভিভাবকদের একাংশ। সরকারি নির্দেশ না মেনে স্কুলের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রাইভেট টিউশন পড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এই ইস্যুতে বিক্ষোভ শুরু হলেও তা পরে আবার অন্য দিকে মোড় নেয়। অভিভাবকরাই নিজেদের মধ্যে বচসায় জড়িয়ে পড়েন।

শহরের অভিজাত স্কুলে অভিভাবকদের বিক্ষোভে ধুন্ধুমার (সৌজন্যে টুইটার)
শহরের অভিজাত স্কুলে অভিভাবকদের বিক্ষোভে ধুন্ধুমার (সৌজন্যে টুইটার)

ঠিক কী ঘটেছে?

সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, স্কুলের শিক্ষক প্রাইভেট টিউশন পড়াতে পারবেন না। কিন্তু অভিভাবকদের দাবি, তা উপেক্ষা করেই প্রাইভেট টিউশন পড়াচ্ছিলেন যোধপার্ক বয়েজ স্কুলের এক শিক্ষক। ছেলে-মেয়েদের তাঁর কাছেই টিউশন পড়ানোর জন্য চাপও দিচ্ছিলেন। এছাড়া ওই স্কুলের মর্নিং সেকশন ইনচার্জের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। তারই প্রতিবাদে সরব হন অভিভাবকরা। স্কুলের বাইরে জড়ো হন তাঁরা। শুরু হয় বিক্ষোভ। পরে আবার একদল অভিভাবক নিজেদের মধ্যে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন। সমস্যা মেটাতে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন স্কুলেরই বেশ কয়েকজন শিক্ষক। সেই সময় আবার পালটা শিক্ষকের উপর তেড়ে যান বেশ কয়েকজন অভিভাবক। তারও আবার প্রতিবাদ করেন কেউ কেউ। সব মিলিয়ে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়।

কী কী অভিযোগ রয়েছে?

শুধু অভিভাবকরাই নন, মর্নিং সেকশনের একাধিক শিক্ষক-শিক্ষিকা মর্নিংয়ের টিচার-ইন-চার্জের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলেছেন। ১৮টি অভিযোগ তুলে সাব-ইন্সপেক্টর অফ স্কুলের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। জেলা স্কুল পরিদর্শকের অফিসে অভিযোগপত্র পাঠানো হয়েছে। জুনিয়র সেকশনের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অভিযোগ, টিচার ইনচার্জ দীর্ঘদিন ধরে নানা ভাবে হেনস্থা করছেন। কারও সঙ্গে আলোচনা না করে পড়াশোনা ও ক্লাস সংক্রান্ত বিষয়ে একতরফা সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। ক্লাসের শিডিউলেও সমবণ্টন হচ্ছে না বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অনেক সময় একাধিক সেকশন মিশিয়ে দিয়ে ক্লাস নিতে বাধ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে এক জন শিক্ষককে ৮০-৮৫ জন প্রাইমারি সেকশনের পড়ুয়ার ক্লাস নিতে হচ্ছে। নির্দিষ্ট ক্লাস রুটিন না থাকায় প্রতিদিন সব বই নিয়ে পড়ুয়াদের স্কুলে আসতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। অভিভাবকদের তরফেও এমন নানা অভিযোগ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠান নিয়েও বড় অভিযোগ করা হয়েছে। ওই দিন শিক্ষকদের উপস্থিত থাকার জন্য কোনও লিখিত নোটিশ দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অভিযোগ শুধুমাত্র মৌখিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। দিনটি রবিবার হওয়ায় এবং উপস্থিতি বাধ্যতামূলক না হওয়ায় অনেকে স্কুলে আসেননি। পরে দেখা যায়, তাঁদের ক্যাজুয়াল লিভ কেটে নেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়েছে তাঁদের মধ্যে।

এদিকে, বিক্ষোভের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশবাহিনী। বিক্ষোভকারী অভিভাবকদের কথা বলে পরিস্থিতি সামাল দেয়। স্কুলের সামনে বিশৃঙ্খলা যাতে তৈরি হয় তাই তড়িঘড়ি এলাকা খালি করে দেওয়া হয়। অশান্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পর স্কুলে শুরু হয় পঠনপাঠন।