Sign in

স্ত্রী-সন্তানকে রেখে ফের বিয়ে! সালিশি সভার মধ্যেই চরম পদক্ষেপ সিভিক ভলান্টিয়ারের, হুলুস্থূল...

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর আটেক আগে প্রথম বার বিয়ে করেছিলেন সুজয় হালদার। নিজে পছন্দ করেই ওই মহিলাকে বিয়ে করেছিলেন।

Published on: Mar 17, 2026, 12:23:08 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

শান্তিপুর পুরসভা এলাকার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন পাড়ায় এক সিভিক ভলান্টিয়ারের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। মৃত যুবকের নাম সুজয় হালদার। তাঁর বয়স ৩২ বছর। অভিযোগ, স্ত্রী-সন্তান থাকা সত্ত্বেও ফের বিয়ে করেছিলেন ওই সিভিক ভলান্টিয়ার। তা নিয়ে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে অশান্তি চরমে উঠেছিল। পাড়ায় সালিশি সভা চলাকালীন পালিয়ে গিয়ে চরম পদক্ষেপ নেন সুজয় হালদার।

সালিশি সভার মধ্যেই চরম পদক্ষেপ সিভিক ভলান্টিয়ারের
সালিশি সভার মধ্যেই চরম পদক্ষেপ সিভিক ভলান্টিয়ারের

চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার শান্তিপুর থানার অন্তর্গত নতুন পাড়া এলাকায়। সুজয় হালদার শান্তিপুর থানায় কর্মরত ছিলেন। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর আটেক আগে প্রথম বার বিয়ে করেছিলেন সুজয়। নিজে পছন্দ করেই ওই মহিলাকে বিয়ে করেছিলেন। একটি কন্যা সন্তানও রয়েছে তাঁদের। অভিযোগ, কয়েক মাস আগে স্ত্রী-সন্তানকে ফেলে রেখে নতুন করে এক যুবতিকে বিয়ে করেন সুজয়। এরপর থেকেই পারিবারিক অশান্তি চলছিল তাঁদের মধ্যে। সেই অশান্তির নিষ্পত্তির কারণে অবশেষে রবিবার পাড়াতে সালিশি সভা বসেছিল। সিভিক ভলান্টিয়ার সুজয় হালদার দাবি করেন, তিনি নতুন স্ত্রীর সঙ্গে থাকবেন। কিন্তু তাঁর নতুন স্ত্রী অশান্তির কারণে থাকতে রাজি না। সূত্রের খবর, বেশ কিছুক্ষণ সভায় বাক-বিতণ্ডার পরে হঠাৎই সভা থেকে উঠে চলে যান সুজয়। পরিবার এবং এলাকাবাসীর তরফে রাতেই দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজি করে। কিন্তু কোথাও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

এসবের মাঝেই সোমবার সকালে বাড়ির পাশ থেকে একটি গাছের সঙ্গে সুজয়কে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাই এলাকাবাসী। খবর পেয়ে ছুটে যায় পরিবারের লোকজন এবং এলাকার লোকজন। শান্তিপুর থানার পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে ওই সিভিক ভলান্টিয়ারের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে। প্রথমে দেহটি শান্তিপুর হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, পারিবারিক অশান্তির কারণেই আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যুবক। মৃতের দাদা অসিত হালদার বলেন, ‘প্রথম স্ত্রীকে ছেড়ে দ্বিতীয় বার বিয়ে করেছিল ভাই। কিন্তু এখন দ্বিতীয় স্ত্রীও ওকে ছেড়ে চলে যেতে চাইছিল। এই টানাপোড়েনে ও মানসিক অবসাদে ভুগছিল। আমাদের ধারণা, ও বিচ্ছেদের কথা ভেবেই আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে। ওর দ্বিতীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’ তবে নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হবে জানিয়েছে পুলিশ। সত্যিই আত্মহত্যা না কি পরিকল্পিত খুন, আত্মহত্যা হলে তার কারণ কী, সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে তার তদন্তে পুলিশ।