CPIM Leader on Vote Shift: 'বামের ২২-২৩% ভোট বিজেপিতে', বললেন ২০২১ সালের ভোটে শিলিগুড়িতে তৃতীয় হওয়া অশোক ভট্টাচার্য
রাজ্য রাজনীতির ভোট সমীকরণে বামেরা ক্রমেই প্রাসঙ্গিকতা হারিয়েছে। বহু আসনে এখনও 'ভোট কেটে' অন্য দলকে 'সুবিধা' পাইয়ে দেয় বাম। তবে সেই পর্যন্তই। বাংলায় এখন বামেদের ঝুলি শূন্য।
একদা লড়াইটা ছিল বাম বনাম তৃণমূল। এখন তা দাঁড়িয়েছে, তৃণমূল বনাম বিজেপিতে। রাজ্য রাজনীতির ভোট সমীকরণে বামেরা ক্রমেই প্রাসঙ্গিকতা হারিয়েছে। বহু আসনে এখনও 'ভোট কেটে' অন্য দলকে 'সুবিধা' পাইয়ে দেয় বাম। তবে সেই পর্যন্তই। বাংলায় এখন বামেদের ঝুলি শূন্য। আর এই পরিস্থিতিতে রাজ্য রাজনীতিতে বিগত বহুবছর ধরেই একটি কথার প্রচলন হয়ে আসছে - বামের ভোট রামে গিয়েছে। আর এবার বর্ষীয়ান বাম নেতা অশোক ভট্টাচার্যের গলাতেও সেই সুর।

সিপিএম নেতা অশোক ভট্টাচার্য দাবি করলেন, ২০১৯ সালে ২২ থেকে ২৩ শতাংশ ভোট বাম থেকে বিজেপিতে গিয়েছে। এই নিয়ে অশোক ভট্টাচার্যের বক্তব্য, বিগত নির্বাচনগুলিতে তৃণমূলকে হারাতে বহু বাম সমর্থক বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন। তবে তাতে কোনও লাভ হয়নি। এই আবহে তাঁর দাবি, বামেরাই রাজ্যে পরিবর্তন আনতে পারবে। তাই তিনি সমর্থকদের 'ভোট ওয়াপসি' চান। তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে কিছুটা 'অস্বস্তিতে' পড়েছে অশোকবাবুর দল সিপিএম। কারণ, তৃণমূল আগে থেকে দাবি করে এসেছে, সিপিএমের ভোট বিজেপিতে গিয়েছে বলেই এই রাজ্যে গেরুয়া শিবির মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। তবে অশোক ভট্টাচার্য নিজের কথায় অনড়।
রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী বলেন, 'যে করেই হোক বামেদের ভোট ফেরাতে হবে। ২০১৯ সালে একটা উগ্র হিন্দুত্ববাদ কাজ করেছিল। তাই ওই সময় আমাদের ২২ থেকে ২৩ শতাংশ ভোট বিজেপি পেয়েছিল। সেটা যে করেই হোক ফিরিয়ে আনতে হবে। আমাদের সেই কাজ করতে হবে। সকলকে বিষয়টা বোঝাতে হবে বিজেপিকে ভোট দেওয়াটা ভুল। আর আমি আশাবাদী এবার বামেরা বিধানসভা নির্বাচনে আসব পাবে। তার কারণ তৃণমূলের পাশাপাশি বিজেপিরও মুখোশ খুলে গিয়েছে। জীবিত থাকা পর্যন্ত ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে পারব না।'
উল্লেখ্য, ১৯৯১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত টানা শিলিগুড়ির বিধায়ক ছিলেন অশোক ভট্টাচার্য। পরে ২০১১ সালে হেরে গিয়েছিলেন তিনি। ২০১৬ সালে অবশ্য তিনি ফের জেতেন। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে নিজের 'শিষ্য' শঙ্কর ঘোষের কাছে হেরে যান তিনি। ২০২১ সালে অশোকবাবু তিন নম্বরে নেমে গিয়েছিলেন। ভোটের হার ছিল ১৬.১৪ শতাংশ। অপরদিকে দ্বিতীয়স্থানে থাকা তৃণমূলের ওমপ্রকাশ মিশ্র পেয়েছিলেন ৩০.১১ শতাংশ ভোট। আর বিজয়ী বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর ঘোষের ঝুলিতে গিয়েছিল ৫০.০৩ শতাংশ ভোট। শঙ্কর ঘোষ এবং অশোক ভট্টাচার্যের ভোটের ব্যবধান ছিল প্রায় ৬১ হাজার।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper











