Trains Chain Pulling Data: ঘুম থেকে মোবাইল- কী কারণে চেন টানা হল? মে'তে সবথেকে বেশি ট্রেন থমকাল কোন শাখায়?
Trains Chain Pulling Data: ঘুমিয়ে পড়া থেকে মোবাইল পড়ে যাওয়া- কী কারণে চেন টানা হল? মে'তে সবথেকে বেশি ট্রেন থমকাল কোন শাখায়? পূর্ব রেলের তরফে সেই তথ্য প্রদান করা হল। শুধু মে'তেই ৫৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
Trains Chain Pulling Data: রেলের তরফে দাবি করা হয়েছে, গত মাসে অবৈধভাবে ট্রেনের অ্যালার্ম চেন টানার (এসিপি) কারণে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ডিভিশনে ট্রেন চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। সম্পূর্ণ কোনও জরুরি পরিস্থিতি ছাড়াই, অত্যন্ত তুচ্ছ এবং অদ্ভুত সব ব্যক্তিগত কারণে চেন টানার ফলে মোট ৮৬টি ট্রেনকে থেমে থাকতে হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই খামখেয়ালিপনার শিকার সবচেয়ে বেশি হয়েছে আসানসোল ও হাওড়া ডিভিশন। এর পরেই রয়েছে মালদা ও শিয়ালদা ডিভিশন।

চেন টানার বিভিন্ন কারণ
রেলের তথ্য অনুযায়ী, ট্রেনটি যখন নিজেদের বাড়ির কাছ দিয়ে যাচ্ছে, তখন নেমে বাড়ি যাওয়ার জন্য আসানসোল ডিভিশনে চারজন এবং মালদা ডিভিশনে চার জন যাত্রী ট্রেনের জরুরি চেন টেনে দেন। অন্যদিকে, গভীর ঘুমের কারণেও বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটেছে। আসানসোল ও হাওড়ায় যথাক্রমে তিনজন এবং দু'জন যাত্রী দেরিতে ঘুম থেকে উঠে দেখেন যে তাঁদের গন্তব্য স্টেশন পেরিয়ে যাচ্ছে, আর তখনই তড়িঘড়ি চেন টেনে বসেন। তাছাড়াও পকেট থেকে মোবাইল পড়ে যাওয়ার মতো কারণেও চেন টেনেছেন বলেছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, এই ছোটো-ছোটো কাজগুলো পুরো রেলওয়ে নেটওয়ার্ক জুড়ে ট্রেনের সময়ের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে। এর ফলে মোট ৮৬টি ট্রেন দীর্ঘ সময় আটকে থেকেছে। যার গড় সময় আসানসোলে ১৩ মিনিট, হাওড়ায় ১৪ মিনিট ছিল। মালদা ও শিয়ালদা ডিভিশনের কয়েকটি সেকশনে সর্বোচ্চ ১৭ মিনিট পর্যন্ত ট্রেন দাঁড়িয়েছিল।
কোন শাখায় কতগুলি ট্রেন আটকে পড়েছিল?
১) আসানসোল ডিভিশনের সীতারামপুর জংশন থেকে ঝাঝা শাখা: ৩২টি ট্রেন।
২) সীতারামপুর জংশন থেকে প্রধানখুন্টা শাখা: সাতটি ট্রেন।
৩) সীতারামপুর জংশন থেকে খানা জংশন শাখা: তিনটি ট্রেন।
৪) হাওড়া ডিভিশনের হাওড়া জংশন থেকে খানা জংশন শাখা: ২২টি ট্রেন।
৫) খানা জংশন থেকে গুমানি শাখা: আটটি ট্রেন।
৬) মালদা ডিভিশনে বারহারয়া জংশন থেকে কিউল জংশন শাখা: দুটি ট্রেন।
৭) ভাগলপুর জংশন থেকে কিউল জংশন: চারটি ট্রেন।
৮) মালদা টাউন থেকে কিউল জংশন শাখা: তিনটি ট্রেন।
৯) শিয়ালদা ডিভিশনে শিয়ালদা থেকে ক্যালকাটা কর্ড লিঙ্ক কেবিন সেকশন: পাঁটটি ট্রেন।
রেলের কড়া পদক্ষেপ, মে মাসেই গ্রেফতার ৫৮
এই ঘটনা রুখতে মে'তে একটি অভিযান চালায় পূর্ব রেল। যার ফলে ৭২টি ফৌজদারি মামলা নথিভুক্ত করা হয় এবং ৫৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এর মধ্যে আসানসোল রেলওয়ে আইনের অধীনে ৩৭টি মামলা রুজু করে ৩৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ২২টি মামলা রুজু করে ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে হাওড়ায়। মালদা ন'টি নির্দিষ্ট মামলা রুজু করে আটজনকে গ্রেফতার করেছে রেল। এবং শিয়ালদহ চারটি মামলা রুজু করে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


