Siliguri Mayor Resigns: শিলিগুড়ির মেয়র পদ থেকে সরলেন গৌতম দেব, পদত্যাগ মুর্শিদাবাদ,বহরমপুর ও আলিপুরদুয়ারের পুরপ্রধানদের
দু'দিন আগেই গৌতম দেবকে তৃণমূলের দার্জিলিং জেলা কমিটির (সমতল) চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ করেছিল দল। এরই মধ্যে আচমকা মেয়র পদে তাঁর ইস্তফা ঘিরে জল্পনা শুরু হয়। কারণ, শিলিগুড়ি পুরনিগমের বর্তমান বোর্ডের মেয়াদ এখনও এক বছরেরও বেশি সময় বাকি।
পদত্যাগ করছেন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। দু'দিন আগেই গৌতম দেবকে তৃণমূলের দার্জিলিং জেলা কমিটির (সমতল) চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ করেছিল দল। এরই মধ্যে আচমকা মেয়র পদে তাঁর ইস্তফা ঘিরে জল্পনা শুরু হয়। কারণ, শিলিগুড়ি পুরনিগমের বর্তমান বোর্ডের মেয়াদ এখনও এক বছরেরও বেশি সময় বাকি। এমন অবস্থায় মেয়রের পদত্যাগ নিছক সাংগঠনিক দায়িত্বের জন্য, নাকি এর পিছনে আরও বড় কোনও রাজনৈতিক সমীকরণ রয়েছে, তা নিয়েই আলোচনা শুরু হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার পুরনিগমে মেয়র পারিষদদের নিয়ে বৈঠক করেন গৌতম দেব। বৈঠকেই তিনি পদত্যাগের ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেন। সূত্রের দাবি, সেই সিদ্ধান্তকে ঘিরে মেয়র পারিষদদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। একাংশ মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বোর্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে এমন পদক্ষেপ দলকে আরও দুর্বল করে দিতে পারে। অন্যদিকে, গৌতম দেব নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন। এই মতভেদের জেরে কার্যত দুই শিবিরে বিভক্ত হয়ে পড়েন মেয়র পারিষদরা। ফলে শিলিগুড়ি পুরনিগমের ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, গৌতম দেবের পদত্যাগের পর নতুন কাউকে মেয়র করে পুরবোর্ড টিকিয়ে রাখা তৃণমূলের পক্ষে সহজ হবে না। বর্তমান রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন নেতৃত্বের অধীনে বোর্ড ধরে রাখার সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ বলেই মনে করা হচ্ছে। যদি শেষ পর্যন্ত শিলিগুড়ি পুরনিগমও তৃণমূলের হাতছাড়া হয়, তাহলে উত্তরবঙ্গে দলের সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক উপস্থিতি কার্যত শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে। ইতিমধ্যেই দার্জিলিং পাহাড় থেকে ডুয়ার্স পর্যন্ত একাধিক এলাকায় দলের সাংগঠনিক কাঠামো দুর্বল হয়েছে। শিলিগুড়ির মতো কৌশলগত শহর হারানো সেই সংকটকে আরও গভীর করবে।
এছাড়া বৃহস্পতিবার মুর্শিদাবাদের দু’টি এবং আলিপুরদুয়ার পুরসভার প্রধানরাও পদত্যাগ করেন। বহরমপুরের পুরপ্রধান তৃণমূলের নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায় এবং মুর্শিদাবাদের পুরপ্রধান ইন্দ্রজিৎ ধর পদত্যাগ করেন। তৃণমূল পরিচালিত আলিপুরদুয়ার পুরসভার পুরপ্রধানের পদ থেকে প্রসেনজিৎ কর, উপপুরপ্রধানের পদ থেকে মাম্পি অধিকারী ইস্তফা দেন।
পদত্যাগ প্রসঙ্গে নাড়ুগোপাল বলেন, 'বিধানসভা নির্বাচনে বহরমপুরের মানুষ স্পষ্ট ভাবে তাঁদের রাজনৈতিক মত প্রকাশ করেছেন। তৃণমূলের প্রতীকে নির্বাচিত এই বোর্ডের পুরপ্রধান হিসেবে আমার পদে থেকে যাওয়া নৈতিক ভাবে সঙ্গত বলে মনে হয়নি।' এদিকে ইন্দ্রজিৎ বলেন, 'বোর্ড অব কাউন্সিলর্সের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি। মহকুমাশাসককেও ই-মেল করেছি।' প্রসেনজিৎ বলেন, 'পুরপ্রধানের সাম্মানিক কখনও নিইনি। যতটা সম্ভব, শহরের উন্নয়নের চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু এই বিধানসভা নির্বাচনে শহরবাসী যে রায় দিয়েছেন, তাকে সম্মান জানিয়ে পদত্যাগ করলাম।'
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


