Haldia designated immigration checkpoint: হলদিয়াকে বড় ‘উপহার’ দিল মোদী সরকার, যুক্ত করা হল বিশেষ তালিকায়! কী লাভ হবে?
Haldia designated immigration checkpoint: হলদিয়াকে বড় ‘উপহার’ দিল নরেন্দ্র মোদী সরকার। সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠিত হওয়ার মাসদেড়েক পরেই। পূর্ব মেদিনীপুরের দাদনপাত্রবাড়ে একটি গভীর সমুদ্র বন্দর তৈরি করা হবে।
Haldia designated immigration checkpoint: হলদিয়া বন্দরকে ‘ইমিগ্রেশন চেক পয়েন্ট’ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করল কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, এতদিন ভারতের ৪০টি সমুদ্র বন্দরকে ‘ইমিগ্রেশন চেক পয়েন্ট’ তালিকায় রাখা হয়েছিল। এবার সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ৪১ করা হচ্ছে। আর ৪১ তম সমুদ্র বন্দর হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের হলদিয়াকে যুক্ত করা হচ্ছে বলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে। আর সেই সিদ্ধান্তের ফলে হলদিয়া বন্দর দিয়ে আন্তর্জাতিক যাত্রীরা ঢুকতে পারবেন বা বেরোতে পারবেন।

পূর্ব মেদিনীপুরেই তৈরি হচ্ছে গভীর সমুদ্র বন্দর
আর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠিত হওয়ার মাসদেড়েক পরেই। তাছাড়াও পূর্ব মেদিনীপুরের দাদনপাত্রবাড়ে গভীর সমুদ্র বন্দর তৈরি করার পথে হাঁটছে রাজ্য সরকার। সেখান থেকে হলদিয়া বন্দরের দূরত্ব ৯৫ কিলোমিটারের মতো। আর সেই গভীর সমুদ্র বন্দর গড়ে উঠলে পূর্ব মেদিনীপুরে আন্তর্জাতিক যাত্রীদের যাতায়াত আরও বাড়বে। তাই ‘ইমিগ্রেশন চেক পয়েন্ট’ তালিকায় হলদিয়াকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি হবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
বাংলার কোন কোন জায়গা আছে ‘ইমিগ্রেশন চেক পয়েন্ট’?
এমনিতে ‘ইমিগ্রেশন চেক পয়েন্ট’ তালিকায় বিমানবন্দর, সমুদ্রবন্দর এবং স্থলবন্দরকে রাখা হয়। পশ্চিমবঙ্গ থেকে সেই তালিকায় আছে কলকাতা বিমানবন্দর, বাগডোগরা বিমানবন্দর, কলকাতা বন্দর (শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর), চ্যাংরাবান্ধা, ঘোজাডাঙা, হিলি, জয়গাঁও, ফুলবাড়ি, হরিদাসপুর, লালগোলাঘাট, মাহাদিপুর, রাধিকাপুর, রানিগঞ্জ, গেদে, নিউ জলপাইগুড়ি রেল স্টেশন, পেট্রাপোল/চিৎপুর, গেদে রেল ও রোড চেকপোস্ট, হরিদাসপুর।
হলদিয়া বন্দর ও তার ইতিহাস
উল্লেখ্য, কলকাতা বন্দরের ভার কমাতে ১৯৬৭ সালে শুরু হয়েছিল হলদিয়া ডক কমপ্লেক্সের নির্মাণকাজ। ১৯৭৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে হলদিয়ার মূল ডক কমপ্লেক্স আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়। এটি ছিল ভারতের প্রথম সম্পূর্ণ ‘অটোমেটেড’ বন্দরগুলির একটি। যেখানে কয়লা, আকরিক লোহা এবং ভারী কনটেইনার খালাসের আধুনিক ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
সেই বন্দরকে কেন্দ্র করে দ্রুত গড়ে ওঠে হলদিয়া শিল্পাঞ্চল। ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশনের তেল শোধনাগার, হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালস, সার কারখানা এবং বিভিন্ন ভারী রাসায়নিক শিল্প এই বন্দরের ওপর নির্ভর করেই গড়ে ওঠে। বড় জাহাজ (বাল্ক কার্গো) থেকে পণ্য খালাসের সুবিধার কারণে এটি দ্রুত পূর্ব ভারতের একটি প্রধান শিল্পনগরীতে পরিণত হয়।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


