Hotels closed for Bangladeshis: সীমান্তে পারাপার কমেছে, ভারতের আরও এক শহরে হোটেলের দরজা বন্ধ বাংলাদেশিদের জন্য
বালুরঘাট শহর ও শহর লাগোয়া এলাকায় ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় ২২টি হোটেল আছে। সেগুলির কোনওটিতেই বাংলাদেশিদের ঘর ভাড়া না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, বালুরঘাটের হোটেল ব্যবসায়ীরা সম্মিলিত ভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এর আগে শিলিগুড়ি এবং মালদায় বাংলাদেশিদের জন্য বন্ধ হয়েছিল হোটেলের দরজা। এবার সীমান্তবর্তী বালুরঘাটেও বাংলাদেশিদের জন্য দরজা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিলেন হোটেল মালিকরা। বিগত দিনে বাংলাদেশে নতুন করে ভারত বিরোধিতার ঝড় আছড়ে পড়েছে। ভারতের নামে কুরুচিকর মন্তব্য থেকে স্লোগানে উত্তাল ঢাকা। আবার ভারত ভাগের উস্কানিও দিচ্ছে বাংলাদেশি নেতারা। এহেন পরিস্থিতিতে ভারত বয়কটের ডাক দিয়েও অবশ্য বাংলাদেশিদের চিকিৎসার জন্য আসতে হচ্ছে সেই ভারতেই। তবে ভারতে আসা বাংলাদেশিদের জন্য হোটেলে জায়গা নেই বলে সাফ বার্তা বালুরঘাটের হোটেল মালিকদের।

রিপোর্ট অনুযায়ী, বালুরঘাট শহর ও শহর লাগোয়া এলাকায় ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় ২২টি হোটেল আছে। সেগুলির কোনওটিতেই বাংলাদেশিদের ঘর ভাড়া না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, বালুরঘাটের হোটেল ব্যবসায়ীরা সম্মিলিত ভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই মর্মে হোটেলগুলির সামনে ইতিমধ্যেই নোটিশও টাঙিয়ে দিয়েছেন হোটেল মালিকরা। সেই পোস্টারে লেখা, ‘আমাদের দেশকে দিচ্ছ না তোমরা সম্মান, তাই তোমাদের জন্য আমাদের দেশে নাই ঠাঁই।’
প্রসঙ্গত, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর দিয়ে দুই দেশের মধ্যে লোক পারাপারের সংখ্যা কমেছে অনেকটাই। সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের তরফ থেকে শিলিগুড়ির ভিসা কেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এদিকে বাংলাদেশে অবস্থিত চট্টগ্রামের ভিসা কেন্দ্র বন্ধ করেছে ভারত। এই পরিস্থিতিতে আপাতত গড়ে দৈনিক ১০০ জন লোক সীমান্ত পারাপার করছেন। জানা যাচ্ছে, হিলি দিয়ে ভারতে আসা অনেক বাংলাদেশি এর আগে বালুরঘাটে একদিন কাটিয়ে যেতেন। তবে এবার বালুরঘাটের হোটেলে বাংলাদেশিদের জন্য দরজা বন্ধ হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন তাঁরা।
এর আগে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচারের ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছিল দিল্লি। তবে ভারতের সেই বক্তব্যকে 'অতিরঞ্জিত' আখ্যা দিয়েছিল ইউনুসের সরকার। জবাবে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছিল, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ২৯০০ ঘটনা ঘটেছে বিগত দেড় বছরে। এরপর ভারতে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনায় পালটা নিন্দা জানায় বাংলাদেশ। নিজেদের নাগরিকদের সুরক্ষা না দিতে পেরে ভারতের ওপর পালটা চাপ সৃষ্টির এই কৌশল অবলম্বন করে ঢাকা। এদিকে বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে দিল্লি বরাবরই বলে এসেছে, সব দলকে মিলিয়ে ভোট করাতে হবে। তাতে আবার আঁতে ঘা লাগছে ইউনুস সরকারের। কারণ শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগকে তারা নিষিদ্ধ করে রেখেছে। এছাড়া সীমান্তে চোরাচালান, বাংলাদেশি নেতাদের 'সেভেন সিস্টার্স ভাগ' নিয়ে উস্কানিমূলক মন্তব্য সব মিলিয়ে দুই দেশের সম্পর্কে চিড় আরও গভীর হয়েছে এই কয়েকদিনে। আর তার প্রভাব পড়েছে দুই দেশের জনগণের সম্পর্কেও।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


