Tram and Bus in Bengal: কলকাতায় ট্রাম চলবে নতুন কায়দায়! আরও ৪৭০ সরকারি বাস দ্রুত রাস্তায় নামানোর চেষ্টা
Tram and Bus in Bengal: কলকাতার ট্রাম নিয়ে নয়া পরিকল্পনা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের। ইতিমধ্যে রাইটসকে নিয়ে সমীক্ষা চালু করা হয়েছে। তাছাড়াও ট্রাম নিয়ে কী বললেন পরিবহণ মন্ত্রী অর্জুন সিং? সরকারি বাস নিয়েও করলেন বড় ঘোষণা।
Tram and Bus in Bengal: রাস্তার বাঁ-দিক ঘেঁষে ট্রাম চালানো হবে বলে জানালেন পরিবহণ মন্ত্রী অর্জুন সিং। বুধবার কলকাতায় একটি বণিক গোষ্ঠীর অনুষ্ঠানে পরিবহণ মন্ত্রী জানিয়েছেন, ট্রাম যদি রাস্তার মাঝখান দিয়ে চালানো হয়, তাহলে অন্যান্য যান চলাচলের ক্ষেত্রে সমস্যা হয়। দুর্ঘটনারও আশঙ্কা থাকে। সেই পরিস্থিতিতে রাস্তার বাঁ-দিক ঘেঁষে ট্রাম চালানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পরিবহণ মন্ত্রী। সেইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, সল্টলেক এবং নিউ টাউনে ট্রাম চালানোর পরিকল্পনা আছে। কালীঘাট-দক্ষিণেশ্বর রুটেও ট্রাম চালানোর বিষয়টি ভাবনাচিন্তা করা হচ্ছে। তবে আপাতত উত্তরবঙ্গে ট্রাম চালানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন পরিবহণ মন্ত্রী।

কালীঘাট-দক্ষিণেশ্বর রুটের সময় বিশেষ পরিকল্পনা
কালীঘাট এবং দক্ষিণেশ্বর মন্দিরকে যুক্ত করা যে ট্রাম চলবে, সেটা মূলত পর্যটনের দিকে তাকিয়ে করা হচ্ছে বলে পরিবহণ দফতর সূত্রে খবর। বুধবার বণিকসভার অনুষ্ঠানে পরিবহণ মন্ত্রী জানিয়েছেন, এসি ট্রাম চালানো হবে সেই রুটে। তাছাড়াও সার্বিকভাবে বিদেশের ধাঁচে ট্রাম চালানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের পরিবহণ মন্ত্রী।
নয়া সরকারি বাস নামানোর চেষ্টা করা হচ্ছে
তারইমধ্যে বুধবার সরকারি বাস নিয়েও পরিবহণ মন্ত্রী মুখ খুলেছেন। সেই রেশ ধরে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, রাজ্য সরকারের হাতে পর্যাপ্ত সরকারি বাস নেই। মাসচারেক আগে ৬০টি বাস আনা হয়েছিল। সেগুলি এখন পুরোদমে চালানো হচ্ছে। সেই পরিস্থিতিতে নতুন করে ৪৭০টি বাস রাস্তায় নামানোর চেষ্টা করছে সরকার। সেইসঙ্গে পরিবহণ মন্ত্রী জানিয়েছেন, ই-বাসের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত চার্জিং পয়েন্টের অভাব আছে। সেই সমস্যা পুজোর আগেই মিটিয়ে ফেলার উপরে জোর দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পরিবহণ মন্ত্রী।
ট্রাম নিয়ে কী কী পরিকল্পনা রাজ্যের?
১) কালীঘাট এবং দক্ষিণেশ্বরকে যুক্ত করার জন্য হুগলি নদী এবং আদি গঙ্গা বরাবর ট্রামলাইন তৈরি করা যায় কিনা, সেই সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে রাজ্যের পরিবহণ দফতর এবং রাইটস।
২) কীভাবে ট্রামকে ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়ে রাইটসকে ব্লু-প্রিন্ট তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ রাজ্য সরকার মনে করছে যে শুধুমাত্র ঐতিহ্যের জন্য নয়, বরং কলকাতার যানজটের সমস্যা ও দূষণ কমানোর জন্য ট্রাম ফিরিয়ে আনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


