Mamata on SIR: 'লেংড়ে চলা সরকার', মোদীদের নিশানা মমতার, ‘অনেকটা বিচার পাওয়ায়’ তুলে নিলেন ধরনা
‘অনেকটা বিচার পাওয়ায়’ পাঁচদিন পরে ধরনা তুলে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (এসআইআর) বিরোধী যে ধরনা চালাচ্ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী, তা মঙ্গলবার তুলে নেওয়ার ঘোষণা করেন।
‘অনেকটা বিচার পাওয়ায়’ পাঁচদিন পরে ধরনা তুলে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (এসআইআর) বিরোধী যে ধরনা চালাচ্ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী, তা মঙ্গলবার তুলে নেওয়ার ঘোষণা করেন। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেয়েছে নির্বাচন কমিশন। ‘অনেকটা বিচার পাওয়ায়’ আপাতত ধরনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই রেশ ধরে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকারকে আক্রমণ শানিয়ে মমতা বলেন, ‘লেংড়ে চলা সরকার।’

তারইমধ্যে 'অনেকটা বিচার পাওয়া' গিয়েছে বলতে মুখ্যমন্ত্রী যা বোঝাতে চেয়েছেন, সেগুলি ব্যাখ্যা করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলার শুনানি হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে আমাদের আইনজীবীরা তুলে ধরেছেন যে, বিজেপির কারচুপির কারণে বৈধ ভোটারদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়েই একতরফাভাবে তাদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। তারা আপিল করার সুযোগও পাচ্ছেন না।’
‘নির্বাচন কমিশনকে ভর্ৎসনা করেছে সুপ্রিম কোর্ট’
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের অ্যাপে ত্রুটি তৈরি করছে যাতে বিচারপ্রক্রিয়া বিলম্বিত হয় এবং ভোটার তালিকা তৈরির কাজ পিছিয়ে যায়। সুপ্রিম কোর্ট এর জন্য নির্বাচন কমিশনকে ভর্ৎসনা করেছে। ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া বৈধ ভোটাররা যাতে বঞ্চিত না হন তা নিশ্চিত করার জন্য, সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচন কমিশনকে বলেছে এবং কলকাতা হাইকোর্টকে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে একটি আপিল ট্রাইব্যুনাল বেঞ্চ গঠন করার নির্দেশ দিয়েছে। এটি গণতন্ত্রের জয় এবং মা-মাটি-মানুষের জয়। এটি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরন্তর সংগ্রাম এবং তৃণমূল কংগ্রেসের অবিরাম লড়াইয়ের জয়।’
'মমতার দেখানো পথেই জয়'
সেইসঙ্গে অভিষেক বলেন, ‘এটি বাংলার জয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে পথ দেখিয়েছেন, তৃণমূল কংগ্রেস সেই পথেই চলেছে। বাংলার ১০ কোটি মানুষের আশীর্বাদ আমাদের সঙ্গে ছিল। আমাদের সব দাবি সুপ্রিম কোর্ট স্বীকার করে নিয়েছে। যখন আমরা ম্যাপড ভোটারদের বিষয়টি তুলে ধরেছিলাম, সুপ্রিম কোর্ট আশ্বাস দিয়েছে যে নির্বাচন ঘোষিত হওয়ার পরেও যদি নির্বাচনের এক দিন আগেও কোনও সমস্যা দেখা দেয়, তবে সুপ্রিম কোর্ট বিষয়টি দেখবে যাতে দেশের কোনও বৈধ ভোটার ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper











