Mamata on LPG Issue:এলপিজি ঘিরে শঙ্কার মাঝে রাশ মন্দিরের ভোগ বিতরণে! গ্যাস-সংকটের মাঝে কড়া পদক্ষেপে মমতা
এলপিজির কালোবাজারি রুখতে পদক্ষেপে মমতা। কী জানালেন দিদি?
দেশের পাশাপাশি রাজ্যেও ক্রমেই সাঁড়াশির মতো করে চেপে বসছে এলপিজি সংকট। আগামিকাল রাজ্যে গ্যাসের সংকটের পরিস্থিতি নিয়ে হাইভোল্টেজ আলোচনায় বসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই এলপিজি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে গ্যাসের জোগানের টানের প্রভাব রাজ্যেও পড়েছে। মমতার সাফ নির্দেশ, রাজ্যে গ্যাসের জোগানে যাতে কোন মতেই টান না পড়ে।

এলিপিজি সংকটের মধ্যে রাজ্যে যাতে গ্যাসের কালোবাজারি না হয়, সেদিকে নজর রাখতে জেলাশাসকদের নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। তাঁর কড়া বার্তা প্রয়োজনে, মজুতদারদের কাছ থেকে গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে নেওয়া হবে। পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে বুধবার বিকেলেই গ্যাস ডিলারদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই সংকটের মুহূর্তে কৃত্রিমভাবে যাতে গ্যাস সংকট আরও বাড়িয়ে দেওয়া না হয়, তার জন্য জেলাশাসক সহ সমস্ত সংশ্লিষ্ট অফিসারদের নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। এছাড়াও, যুদ্ধ পরিস্থিতি থাকলেও, আচমকা দেশে গ্যাসের সংকট কেন হল, তার জন্য কেন্দ্রকেই দায়ী করেছেন মমতা। গ্যাসের মজুতের পরিস্থিতি আগে না দেখে কেন এলপিজি বুকিং নিয়ে কড়াকড়ির বিজ্ঞপ্তি জারি করে দিল? প্রশ্ন তুলে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তকে দায়িত্বজ্ঞানহীন সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন মমতা। তিনি বৃহস্পতিবারই নবান্নে এই সংকট ইস্যুতে বড় বৈঠকে বসতে চলেছেন বলে জানিয়েছেন।
এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের জেরে গ্যাসের সংকটের কারণে তমলুকের বর্গভীমা মন্দিরে ভোগ বিতরণে রাশ টানা হল। মন্দির কর্তৃপক্ষ বিষয়টি এক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে। প্রত্যেকদিন ৫০০ থেকে ৮০০ ভক্ত বর্গভীমা মন্দিরে বসে ভোগ গ্রহণ করেন। কিন্তু সেখানেও ভোগ রান্নার জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাসের এলপিজিতে টান রয়েছে। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, পরিস্থিতি ঠিক না হলে আগামী ২১ মার্চের পর থেকে সাধারণ ভক্তদের জন্য মিলবে না মায়ের ভোগ।
এদিকে, 'প্যানিক বাইং' ক্রমেই জাঁকিয়ে বসছে সাধারণ মানুষকে। গ্যাসের দামের বৃদ্ধি, ও তার সংকট ঘিরে বিভিন্ন জায়গায় ইনডাকশনের ক্রয় বাড়ছে। এদিকে, পরিস্থিতি এভাবে এগোলে আর কয়েকদিনের মাথায় মিড ডে মিল থেকে শুরু করে নানান অনুষ্ঠানে খাবারের আয়োজন ঘিরে পরিস্থিতি কোনদিকে যাবে, সেদিকে তাকিয়ে সাধারণ মানুষ সহ সব মহল।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper











