Sealdah Division Reservation Counters: শিয়ালদহ ডিভিশনের আট স্টেশনে বন্ধ হচ্ছে রিজার্ভেশন কাউন্টার, তালিকায় কোন কোন নাম?
পূর্ব রেলের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শিয়ালদহ ডিভিশনের উত্তর শাখার আগরপাড়া, টিটাগড়, জগদ্দল, বিরাটি, অশোকনগর রোড এবং মছলন্দপুর স্টেশনের রিজার্ভেশন কাউন্টার বন্ধ হয়ে যাবে। পাশাপাশি দক্ষিণ শাখার ঢাকুরিয়া এবং বজবজ লাইনের নিউ আলিপুর স্টেশনেও আর পিআরএস কাউন্টার চালু থাকবে না।
শিয়ালদহ ডিভিশনের আটটি স্টেশনে রেলওয়ের প্যাসেঞ্জার রিজার্ভেশন সিস্টেম (পিআরএস) কাউন্টার আগামী ১ জুলাই থেকে বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ব রেল। ইতিমধ্যেই এই মর্মে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। রেলের এই সিদ্ধান্তে একদিকে যেমন প্রশাসন কাজের চাপ কমানো ও পরিষেবার পুনর্বিন্যাসের যুক্তি দেখিয়েছে, অন্যদিকে যাত্রীদের একাংশের মধ্যে দেখা দিয়েছে অসন্তোষ ও উদ্বেগ।

পূর্ব রেলের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শিয়ালদহ ডিভিশনের উত্তর শাখার আগরপাড়া, টিটাগড়, জগদ্দল, বিরাটি, অশোকনগর রোড এবং মছলন্দপুর স্টেশনের রিজার্ভেশন কাউন্টার বন্ধ হয়ে যাবে। পাশাপাশি দক্ষিণ শাখার ঢাকুরিয়া এবং বজবজ লাইনের নিউ আলিপুর স্টেশনেও আর পিআরএস কাউন্টার চালু থাকবে না। ফলে এই স্টেশনগুলির যাত্রীদের ভবিষ্যতে নিকটবর্তী অন্য স্টেশনের রিজার্ভেশন কাউন্টার থেকে টিকিট কাটতে হবে। এছাড়াও অনলাইনে আইআরসিটিসির ওয়েবসাইট ব্যবহার করে টিকিট সংরক্ষণের পরামর্শ দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।
রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কাউন্টারগুলিতে যাত্রীদের উপস্থিতি, টিকিট বুকিংয়ের পরিমাণ, কাজের চাপ এবং অন্যান্য প্রশাসনিক বিষয় খতিয়ে দেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যেসব কাউন্টারে প্রতিদিন খুব কম সংখ্যক টিকিট বুকিং হচ্ছিল, সেগুলিকে বন্ধ করে পরিষেবাকে আরও কার্যকর করার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ বলে দাবি রেলের।
তবে এই সিদ্ধান্তে খুশি নন বহু নিত্যযাত্রী। তাঁদের অভিযোগ, সকলের পক্ষে অনলাইনে টিকিট কাটা সম্ভব নয়। বিশেষ করে প্রবীণ নাগরিক, প্রযুক্তিতে অনভিজ্ঞ মানুষ কিংবা গ্রামীণ এলাকার বহু যাত্রী এখনও কাউন্টারের উপর নির্ভরশীল। তাঁদের মতে, এখন টিকিট কাটতে অন্য স্টেশনে যেতে হলে অতিরিক্ত সময় ও খরচ হবে। পাশাপাশি বড় স্টেশনগুলির কাউন্টারে ভিড় আরও বাড়বে, ফলে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হতে পারে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পৌঁছতে না পারলে সেদিন টিকিট সংরক্ষণও সম্ভব নাও হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যাত্রীরা।
এদিকে রেলের এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি তুলেছেন অনেকেই। যাত্রীদের একাংশের বক্তব্য, ডিজিটাল পরিষেবার প্রসার অবশ্যই প্রয়োজন, কিন্তু তার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সুবিধার কথাও বিবেচনা করা উচিত। তবে এই রিজার্ভেশন কেন্দ্র ঘিরে দীর্ঘকাল দালালচক্রের রমরমা ছিল। সেই দালালচক্রের জাল কাটতে সক্ষম হয়েছে রেল। তবে ডিজিটালাইজেশনের যুগে খরচ কমাতে উদ্যত রেল কর্তৃপক্ষ।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


