Uniform Civil Code in WB: ‘সন্তানের সংখ্যা নির্ধারণ করে দেওয়া হবে না, আদিবাসীরা দেওয়ানি বিধির আওতায় বাইরে’
Uniform Civil Code in WB: আগামী সোমবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি পেশ করবে শুভেন্দু অধিকারী সরকার। তার আগে বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জানালেন, সন্তানের সংখ্যা নির্ধারণ করে দেওয়া হবে না, আদিবাসীরা দেওয়ানি বিধির আওতায় বাইরে থাকবেন।
Uniform Civil Code in WB: পশ্চিমবঙ্গে প্রস্তাবিত অভিন্ন দেওয়ানি বিধির আওতার বাইরে থাকবেন আদিবাসীরা। জানিয়ে দিলেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেছেন, ‘অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বা ইউনিফর্ম সিভিল কোড নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কোনও কারণ নেই। (অভিন্ন দেওয়ার বিধির মাধ্যমে) একদিকে সকল নাগরিকের জন্য সমান নাগরিক আইন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য, অন্যদিকে সংবিধানপ্রদত্ত তফসিলি জনজাতির বিশেষ রক্ষাকবচ- এই দুই বিষয়কেই একসঙ্গে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।’

‘কোনও মুখোশের আড়ালও নেই’
আর বঙ্গ বিজেপির সভাপতি এমন একটা সময় সেই মন্তব্য করেছেন, যার ৪৮ ঘণ্টা পরেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি পেশ করবে শুভেন্দু অধিকারী সরকার। আর সেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বঙ্গ বিজেপির সভাপতি বলেন, ‘ভারতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে বিজেপির অবস্থান বহুদিনের এবং সুস্পষ্ট । এটি দলের নির্বাচনী ইস্তেহার ও রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির অংশ - এখানে কোনও লুকোচুরি নেই, কোনও মুখোশের আড়ালও নেই।’
কী কারণে পশ্চিমবঙ্গে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি প্রয়োজন?
কেন পশ্চিমবঙ্গে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি প্রয়োজন, সেটা ব্যাখ্যা করে শমীক বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি প্রয়োজন বলে আমরা মনে করি, কারণ আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিকের জন্য সমান অধিকার ও সমান কর্তব্য নিশ্চিত হওয়া উচিত। বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ, উত্তরাধিকার, দত্তক গ্রহণ-সহ নাগরিক বিষয়গুলিতে ধর্মভিত্তিক ভিন্ন-ভিন্ন ব্যক্তিগত আইনের পরিবর্তে একটি অভিন্ন নাগরিক কাঠামো দেশের ঐক্য, ন্যায়বিচার এবং সাংবিধানিক সমতার আদর্শকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।’
সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘একই সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পরিষ্কার রাখা দরকার। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৬৬ (২৫) এবং অনুচ্ছেদ ৩৪২ অনুযায়ী স্বীকৃত তফসিলি জনজাতির সদস্যরা এই আইনের আওতার বাইরে থাকবেন। তাঁদের সংবিধান স্বীকৃত প্রথা, রীতি ও বিশেষ অধিকার সংরক্ষিত থাকবে।’
'সন্তানসংখ্যা নির্ধারণ করা উদ্দেশ্য নয়'
পাশাপাশি অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর হলে কী কী ‘লাভ’ হবে, সেটা ব্যাখ্যা করে শমীক বলেন, ‘এই আইন কার্যকর হলে সকল নাগরিকের জন্য একই ধরনের নাগরিক বিধান প্রযোজ্য হবে এবং যেখানে ব্যক্তিগত আইনে বহুবিবাহের সুযোগ রয়েছে, সেই ধরনের বৈষম্য দূর করার দিকেও এটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হতে পারে। তবে সন্তানসংখ্যা নির্ধারণ করা অভিন্ন দেওয়ানি বিধির উদ্দেশ্য বা বিধানের অংশ নয়।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


