'তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ...,' SIR-এ নাম বাদ পড়তেই ট্রোলের মুখে বিজেপি নেতা, পাল্টা প্রতিক্রিয়ায়…

চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হলে দেখা যায় জলপাইগুড়ি জেলায় প্রায় ১ লক্ষ ৮ হাজার মানুষের নাম হয় বিচারাধীন, নয়ত 'ডিলিট' হয়ে গিয়েছে। আর সেই তালিকায় রয়ে গিয়েছে বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য তথা বিজেপি যুব মোর্চার জেলা সভাপতি পলেন ঘোষের নাম।

Published on: Mar 09, 2026 1:23 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর-এর প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। সেই তালিকায় দেখা গিয়েছে, বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য তথা বিজেপি যুব মোর্চার জেলা সভাপতি পলেন ঘোষের নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে 'ডিলিট' হয়ে গিয়েছে। এবার সেই ইস্যুতে ‘রোহিঙ্গা’ তকমা জুটল বিজেপি নেতার কপালে। শুধু তাই নয়, নাম ডিলিট ইস্যুতে প্রবল ট্রোলের মুখে পড়লেন পলেন ঘোষ।

SIR-এ নাম বাদ পড়তেই ট্রোলের মুখে বিজেপি নেতা
SIR-এ নাম বাদ পড়তেই ট্রোলের মুখে বিজেপি নেতা

গত এক বছরের বেশি সময় ধরে বিজেপি নেতারা লাগাতার এই অভিযোগ করে আসছিলেন যে, বাংলায় ঢুকে পড়েছে এক কোটির বেশি রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারী। আর এরাই শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের ভোটব্যাঙ্ক। অভিযোগ আর পাল্টা অভিযোগ নিয়ে সরগরম হয়ে ওঠে রাজ্য রাজনীতি। এরপর শুরু হয় বঙ্গে এসআইআর পর্ব। এনুমারেশন ফর্ম বিলি এবং তা ফিল আপ করে জমা দেওয়া হয়। আসে প্রজেনি ম্যাপিং-এর প্রক্রিয়া। এরপর আসে ‘নো ম্যাপিং’-এর সমস্যা। তারপর প্রকাশিত হয় খসড়া ভোটার তালিকা। খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হলে দেখা যায় সেখানে রাজ্যের অনেকের নাম নেই। তাদের নামে নোটিসও যায়। চলে শুনানি পর্ব। জলপাইগুড়ি জেলার প্রায় ২ লক্ষ ৭৫ হাজার মানুষকে লজিক্যাল হিয়ারিং সংক্রান্ত নোটিশ দেওয়া হয়। হিয়ারিং পর্ব মিটলে প্রকাশিত হয় চূড়ান্ত ভোটার তালিকা।

চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হলে দেখা যায় জলপাইগুড়ি জেলায় প্রায় ১ লক্ষ ৮ হাজার মানুষের নাম হয় বিচারাধীন, নয়ত 'ডিলিট' হয়ে গিয়েছে। আর সেই তালিকায় রয়ে গিয়েছে বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য তথা বিজেপি যুব মোর্চার জেলা সভাপতি শুভঙ্কর ঘোষ ওরফে পলেন ঘোষের নাম। আর এই ইস্যুতে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। যুব তৃণমূল জেলা সভাপতি রামমোহন রায় বিজেপি নেতা পলেন ঘোষকে খোঁচা দিয়ে বলেন, 'আপনারা কী এই এসআইআর চেয়েছিলেন?' তিনি কটাক্ষ করে আরও বলেন, যদি নাম তুলতে সমস্যা হয়, তবে যেন পলেন বাবু তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। অন্যদিকে, তৃণমূলের মন্তব্য প্রসঙ্গে যুব বিজেপি যুব মোর্চার জেলা সভাপতি পলেন ঘোষ বলেন, 'আমাকে নিয়ে ট্রোল করার জন্য তৃণমূলকে ধন্যবাদ। কারণ ওঁরা আমাকে যেভাবে প্রচার করে দিলেন তাতে আমার নামের ব্যাপক প্রচার হল।' পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, 'এতদিন তৃণমূল বলে আসছিল বিজেপি নাম কেটে দিচ্ছে, তাই তৃণমূল নেতা রামমোহন রায় আমাকে প্রস্তাব দিয়েছেন যে তিনি আমার নাম তুলে দেবেন। যে নাম তুলতে পারে, সে নাম কাটতেও পারে। তাই ময়নাগুড়ি বিধানসভায় যাদের নাম কাটা গিয়েছে, তাদের নাম রামমোহন বাবুই কেটেছে।'