WB Assembly Election: ভোটে পুলিশের ভূমিকার ওপর বাড়তি নজর কমিশনের, বাড়ছে পুলিশ পর্যবেক্ষকের সংখ্যা

গত বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে ১৭০ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক, ৮৪ জন ব্যয় সংক্রান্ত পর্যবেক্ষক এবং ৩৭ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক ছিলেন। তবে পুলিশ পর্যবেক্ষকের ক্ষেত্রে এবার সংখ্যাটা বাড়বে অনেকটাই।

Published on: Mar 13, 2026 11:14 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠিত করতে বড় পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের। গত নির্বাচনের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হচ্ছে কমিশনের তরফ থেকে। জানা গিয়েছে, রাজ্যের স্পর্শকাতর জেলাগুলোর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে পুলিশ পর্যবেক্ষকের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। এর আগে গত বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে ১৭০ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক, ৮৪ জন ব্যয় সংক্রান্ত পর্যবেক্ষক এবং ৩৭ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক ছিলেন। তবে পুলিশ পর্যবেক্ষকের ক্ষেত্রে এবার সংখ্যাটা বাড়বে অনেকটাই।

বাংলার যে সব এলাকায় অশান্তির ইতিহাস রয়েছে, সেখানে এই অতিরিক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষক মোতায়েন করা হবে। (PTI)
বাংলার যে সব এলাকায় অশান্তির ইতিহাস রয়েছে, সেখানে এই অতিরিক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষক মোতায়েন করা হবে। (PTI)

জানা গিয়েছে, বাংলার যে সব এলাকায় অশান্তির ইতিহাস রয়েছে, সেখানে এই অতিরিক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষক মোতায়েন করা হবে। উল্লেখ্য, ভোটের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং পুলিশের ভূমিকার উপর নজরদারি চালান কমিশনের নিযুক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষকরা। এর আগে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের বঙ্গ সফরের সময় মুখ্য আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, রাজ্যে কত দফায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে? এর জবাবে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জানিয়েছিলেন, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর ভোটের দফা নির্ধারণ করা হবে। রাজ্যের ২৩ জেলার জেলাশাসক, জেলা ও পুলিশ জেলার সুপার এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের ২৪টি সংস্থার আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। এই আবহে নির্বাচনী হিংসা নিয়ে তাঁর বার্তা, 'হিংসা ও ভয়মুক্ত ভোট করতে হবে। কোনও ভোটারের ওপর চাপ দেওয়ায়ও সহ্য করা হবে না। আগে যে প্রাক ও পরবর্তী ভোট হিংসা হত, আশা করছি, এবারের নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, সেটা এবার হবে না।'

এদিকে রাজ্যের নির্বাচন অবজার্ভার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সুব্রত গুপ্তকে। এর আগে এসআইআর পর্বে স্পেশাল রোল অবজার্ভার হিসেবে তিনি দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন তিনি। উল্লেখ্য, সুব্রত গুপ্ত অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার। তিনি পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারে ছিলেন। এসআইআর পর্ব যাতে যথাযথ ভাবে সম্পন্ন হয়, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব ছিল সুব্রতবাবুর কাঁধে। এরপর নির্বাচন কমিশনকে এসআইআরের রিপোর্ট পাঠানোরও কথা ছিল তাঁর। এর আগে উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন আইপিএস অফিসার এন কে মিশ্রকে একই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এর আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বলেছেন, সরকারি কর্মীরা যেন কোনও রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ না করেন। এই পরিস্থিতিতে এত সংখ্যক পর্যবেক্ষক নিয়োগের বিষয়টি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More