Aishwariya-Aradhya: বন্ধুদের সঙ্গে আরাধ্যা! মুম্বই এয়ারপোর্টে অতি উৎসাহে মেয়ের ফোটো তুললেন ঐশ্বর্য
বিশ্বসুন্দরীকে দেখা গেল মুম্বই এয়ারপোর্টের বাইরে। স্কুল ট্রিপ থেকে ফিরছিল আরাধ্যা, আর তাকে আনতে গিয়েছিলেন রাই সুন্দরী। এমনকী, অতি উৎসাহে মেয়ে ও মেয়ের বন্ধুদের ছবি তুলে দিতেও দেখা যায় তাঁকে।
বরাবরই মেয়ে অন্ত প্রাণ ঐশ্বর্য রাই বচ্চন। এমনকী মা হওয়ার পর থেকে কাজও কমিয়েছেন। ছোটবেলা থেকে আরাধ্যাকে প্রায় একা হাতে বড় করেচেন। এমনকী, কাজের জন্য বাইরে গেলেও, মেয়ে থাকে মায়ের সঙ্গে। আর এবার বিশ্বসুন্দরীকে দেখা গেল মুম্বই এয়ারপোর্টের বাইরে। স্কুল ট্রিপ থেকে ফিরছিল আরাধ্যা, আর তাকে আনতে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী মাম্মা।

আরাধ্যার পার্সোনাল ফোটোগ্রাফার তার মাম্মা-ই!
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিয়োতে দেখা যায়, ঐশ্বর্য তাঁর ফোনটি উঁচিয়ে ধরে মুম্বই বিমানবন্দরের বাইরে। ভিতর থেকে বান্ধবীদের সঙ্গে বেরিয়ে আসছে আরাধ্যা। আর সেই মুহূর্ত নিজের মুঠোফোনে বন্দি করছেন রাই সুন্দরী। মেয়ে আসার আগে, সেখানে উপস্থিত অভিভাবকদের সঙ্গেও কথা বলতে দেখা যায় ঐশ্বর্যকে। এয়ারপোর্ট থেকে বেরিয়ে মা-কে দেখে ছুটে এসে জড়িয়ে ধরে আরাধ্যা। এরপর দেখা যায় যে, আরাধ্যা যখন বন্ধুদের জন্য পোজ দিচ্ছে, তখন তাঁদের গ্রুপ ফোটো তুলে দিচ্ছেন ঐশ্বর্যই।
নেটিজেনদের প্রতিক্রিয়া
সবচেয়ে যা মনযোগ আকর্ষণ করেছে তা হল ঐশ্বর্যর উচ্ছ্বাস। তারকা খোলসের ভিতরে আর পাঁচটা মায়ের থেকে যে তিনি একেবারেই আলাদা নন, তা প্রমাণ হয় এই ভিডিয়ো থেকেই। ভিডিয়োটি ভাইরাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নেটিজেনরা তাকে 'সেরা মা' বলে অভিহিত করেছেন। একজন লেখেন, ‘সেরা মা! ঐশ্বর্যর তুলনা শুধু তিনিই!’ আরেকজন লেখেন, ‘সব দিক থেকেই ঐশ্বর্যর জুড়ি মেলা ভার’। আরেকটি কমেন্টে লেখা হয়, ‘মা তো মা-ই হন’। একটি কমেন্টে লেখা হয়, ‘ঐশ্বর্য আর আরাধ্যার বন্ডিং আমার কী যে ভালো লাগে’।
কোন স্কুলের ছাত্রী আরাধ্যা?
প্রসঙ্গত, মুম্বইয়ের ধীরুভাই ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ছাত্রী তিনি। আর স্কুল থেকেই তাদের নিয়ে যাওয়া হয়েছিল একটি ইন্টারন্যাশনাল ট্রিপে। ২০১১ সালের ১৬ নভেম্বর মুম্বাইয়ে জন্মগ্রহণ আরাধ্যার। বর্তমানে বয়স মাত্র ১৫ বছর। বচ্চন পরিবারের নয়নের মণি সে। দাদুর ভীষণ ভক্ত। একসময় অমিতাভের সানডে দর্শনেও সঙ্গী হত আরাধ্যা।
মা-মেয়ের রসায়ন
তবে এই মেয়ে আরাধ্যাকে নিয়ে কম ট্রোলে পড়েননি ঐশ্বর্য। ‘মেয়ে কত বড় হয়ে গেল, তা-ও এক মুহূর্ত একা ছাড়েন না ঐশ্বর্যা!’, হামেশাই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভেসে আসে এমন কতই না কটাক্ষ। সম্প্রতি অভিষেক বচ্চন মেয়ের লালনপালনের সমস্ত কৃতিত্ব দেন স্ত্রীকে। জানান যে, ঐশ্বর্যা এখনও আরাধ্যাকে স্মার্টফোন দেননি। সমাজমাধ্যমে প্রোফাইল নেই তাঁর।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


