Sean Banerjee: স্টার প্লাসের ‘সয়রাব’-এর বাংলা রিমেকে শন-পায়েল জুটি? সত্যিটা জানালেন ‘মন ফাগুন’ নায়ক
Sean Banerjee: অসম বয়সী প্রেমের গল্প সয়রাবের বাংলা রিমেকে জুটিতে শন-পায়েল? ভুয়ো খবরে বিরক্ত শন। কী জানালেন তারকা?
টেলিপাড়ার অন্দরমহলে গুঞ্জন ছড়াতে বেশি সময় লাগে না। বিশেষ করে তা যদি হয় কোনও জনপ্রিয় ধারাবাহিকের রিমেক কিংবা পছন্দের তারকার কামব্যাকের খবর। চলতি মাসের গোড়াতেই স্টার প্লাস (Star Plus) চ্যানেলে শুরু হয়েছে খ্যাতনামা লেখিকা ও প্রযোজক লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘ম্যাজিক মোমেন্টস’ (Magic Moments) প্রযোজনা সংস্থার নতুন হিন্দি মেগা ধারাবাহিক ‘সয়রাব’। অসম বয়সী প্রেমের এই গল্প এগোচ্ছে ডাক্তার নয়নিকা এবং রকস্টার ইশানকে ঘিরে। ইতিমধ্যেই হিন্দি বলয়ের দর্শকদের মধ্যে দারুণ সাড়া ফেলেছে এই মেগা।

বাংলা আপাতত নিষিদ্ধ লীনা-শৈবাল জুটির প্রযোজনা সংস্থা, এর মধ্যে আচমকা সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি খবর দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে— লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের পুত্র অর্ক গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রযোজনা সংস্থা ‘অর্গানিক’ (যাঁরা বর্তমানে ‘কনে দেখা আলো’ ধারাবাহিকটি প্রযোজনা করছেন) নাকি ‘সয়রাব’-এর বাংলা রিমেক করতে চলেছে! আর সেই রিমেকে মুখ্য জুটিতে দেখা যাবে টলিপাড়ার ‘হার্টথ্রব’ শন বন্দ্যোপাধ্যায় (Sean Banerjee) এবং জনপ্রিয় অভিনেত্রী পায়েল দে (Payel De)-কে। এমনকি এই সংক্রান্ত একটি নিউজ আর্টিকেলের স্ক্রিনশটও ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে যায়।
কিন্তু সত্যি কি ছোটপর্দায় ফিরছেন সুপ্রিয়া দেবীর দৌহিত্র? এই খবরের সত্যতা যাচাই করতে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার তরফে সরাসরি যোগাযোগ করা হয়েছিল অভিনেতা শনের সঙ্গে।
‘কামব্যাকের খবর একদম ভুয়ো ও ভিত্তিহীন’— শন
লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে শনের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং অত্যন্ত মধুর। লীনাদির লেখনীতেই ‘মন ফাগুন’ ধারাবাহিকে ‘ঋষি’ চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের ঘরের ছেলে হয়ে উঠেছিলেন শন। তবে ‘সয়রাব’-এর বাংলা রিমেকে অভিনয়ের এই গুঞ্জন এক ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন অভিনেতা।
সাফ এবং সরাসরি ভাষায় শন জানান. ‘এমন কিছু ঘটছে কিনা বা কোনও রিমেক হচ্ছে কিনা, তা সত্যি আমার জানা নেই। তবে আমি এই মুহূর্তে কোনও মেগা সিরিয়াল করছি না। পায়েল দে-র সঙ্গে জুটি বেঁধে ছোটপর্দায় আমার কামব্যাকের যে খবর রটেছে, তা একদম ভুয়ো এবং সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কারা, কেন এই ধরণের গুজব রটাচ্ছে, তা আমার সত্যি জানা নেই।’
ছোটপর্দায় নয়, সুখবর আসছে অন্য মাধ্যমে!
ধারাবাহিক দিয়ে কেরিয়ার শুরু করলেও শন স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই মুহূর্তে তিনি মেগা সিরিয়ালের শ্যুটিং ফ্লোরে ফিরছেন না। তবে ভক্তদের জন্য একটি দারুণ খবরও ভাগ করে নিয়েছেন তিনি। শন জানান, খুব শীঘ্রই তিনি অনুরাগীদের একটি নতুন কাজের সুখবর দেবেন। তবে সেই বড় চমকটি ছোটপর্দায় নয়, অন্য কোনও মাধ্যমে আসতে চলেছে (সম্ভবত ওটিটি বা সিনেমা)।
ভালো প্রোজেক্ট পেলে তবেই মেগায় প্রত্যাবর্তন
‘আমি সিরাজের বেগম’, ‘এখানে আকাশ নীল’ (সিজন ২), এবং ‘মন ফাগুন’-এর মতো ব্যাক-টু-ব্যাক সুপারহিট মেগা দর্শকদের উপহার দিয়েছেন শন বন্দ্যোপাধ্যায়। টেলিভিশন মাধ্যমের প্রতি তাঁর ভালোবাসা অপরিসীম। অভিনেতা জানান, মেগা সিরিয়ালে কাজ করতে তিনি সবসময়ই ভালোবাসেন। আগামী দিনে যদি গল্প এবং চরিত্রের দিক থেকে সত্যিই কোনও ভালো ও আকর্ষণীয় প্রোজেক্টের অফার আসে, তবে অবশ্যই তিনি আবারও ছোটপর্দায় ফিরবেন। কিন্তু আপাতত ‘সয়রাব’-এর রিমেক কেবলই নেটপাড়ার কল্পনা।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


