Guess Who: বাবা-মা সুপারস্টার! ‘কালো রং’ নিয়ে হামেশাই পড়েন কটাক্ষে, চিনলেন এই স্টারকিডকে?
মেয়ের জন্মদিনে তাঁর সুপারস্টার বাবা এই ছবিটি শেয়ার করে নেন। এখন এই সুন্দরী পা রাখল ২৩ বছরে। পারলেন কি আপনি চিনতে?
শ্যামলা রংয়ের এই মেয়েটিকে পারলেন কি চিনতে? যদিও এখন আর এতটাও খুদে নন তিনি। সদ্যই ছিল ২৩ বছরের জন্মদিন। আর মেয়ের জন্মদিনে সুপারস্টার বাবা এই ছবিটি শেয়ার করে নেন। পারলেন কি আপনি চিনতে?

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কাজল এবং অভিনেতা দেবগন-এর মেয়ে নিসা দেবগন সোশ্যাল মিডিয়ায় দারুণ জনপ্রিয়। তাঁর ছবি ও ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় আসামাত্রই ভাইরাল হয়ে যায়। সৌন্দর্যের দিক থেকেও তিনি কোনও অভিনেত্রীর থেকে কম নন। আজ তিনি ২৩ বছরে পা দিলেন। নিসার ২৩তম জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর বাবা অজয় এবং মা কাজল দুজনেই অদেখা ছবি শেয়ার করেছেন এবং মেয়েকে নিজেদের জীবনের ‘লাকি চার্ম’ বলে উল্লেখ করেছেন।
বাবার আবেগঘন পোস্টে ভেসে উঠল মেয়ের হাসি
অজয় দেবগন সুন্দর ছবির সঙ্গে আবেগপূর্ণ ক্যাপশন লিখেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘তোমার এই হাসিটা আমি সবসময় মনে রাখি। যখনই তোমার দিকে তাকাই, তোমার সেই রূপটাই আমার হৃদয়ে থেকে যায়। তুমি সবসময় এভাবেই হাসিখুশি থাকো। জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা আমার প্রিয় সোনা।’
অজয় দেবগন নিসা দেবগনের ছোটবেলার একটি অদেখা ছবি শেয়ার করেছেন, যেখানে তাঁকে একটি জন্মদিনের পার্টিতে দেখা যাচ্ছে এবং তাঁর মুখে একটি মিষ্টি হাসি ফুটে উঠেছে। অন্য একটি ছবিতে তিনি তাঁর মা কাজলের সঙ্গে রয়েছেন। ছবি দেখে সহজেই বোঝা যায় যে নিসার মুখের গঠন অনেকটাই তাঁর মা কাজলের মতো। বলা ভুল হবে না যে, নিসা যেন তাঁর মায়ের কার্বন কপি।
আদরে ভরা জন্মদিনের শুভেচ্ছা কাজলের তরফেও
কাজলও নিসাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে দুর্গা পুজোর প্যান্ডেলের কিছু ছবি শেয়ার করেছেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, কাজল তাঁর মেয়েকে জড়িয়ে ধরে স্নেহে ভরিয়ে দিচ্ছেন। তিনি ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আমি খুব ভাগ্যবতী, কারণ তার জন্মের সঙ্গে আমার পৃথিবী বদলে গিয়েছে। আমি প্রতিদিন ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাই। আমার সোনা মেয়ে তুমি নিখুঁত এবং সবসময় আমারই থাকবে। তোমাকে এবং আমাকে জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা।’
ট্রোলিংয়ের শিকার নিসা
জানিয়ে রাখা ভালো, নিসা সোশ্যাল মিডিয়ার অন্যতম চর্চিত স্টারকিড। তবে তাঁর লুক এবং গায়ের রং নিয়ে তাঁকে অনেক সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোল করা হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে কাজল এক সাক্ষাৎকারে দুঃখ প্রকাশও করেছিলেন।
কাজল স্পষ্ট জানিয়েছিলেন যে, তিনি নিসাকে এসব ট্রোলিং উপেক্ষা করতে বলেন, কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর মেয়েকে নিয়ে যা বলা হয়, তা সত্যিই কষ্টদায়ক। যদিও নিসা নিজে সোশ্যাল মিডিয়ায় খুব একটা সক্রিয় নন, তবে ওরি-সহ একাধিক স্টারকিড প্রায়ই কাজল-অজয়ের সঙ্গে তোলা ছবি শেয়ার করে নেন।
অভিনয়ে আসার ইচ্ছা নেই নিসার
কাজল এর আগে জানিয়েছিলেন যে, তাঁর মেয়ে নিসা আপাতত চলচ্চিত্র জগতে আসার কোনও পরিকল্পনা করেননি। নিসার অভিনয়ে আসা নিয়ে জল্পনার ইতি টেনে কাজল বলেন, তাঁর মেয়ের এখনই অভিনয় জগতে কেরিয়ার গড়ার কোনও ইচ্ছা নেই। কাজল বলেন, ‘একদমই না… আমার তো মনে হয় না! তার বয়স এখন ২২ বছর, আমার মনে হয় সে ঠিক করে ফেলেছে যে এখনই আসবে না (সিনেমায়)।’
তবে একসময় ফ্যাশন ডিজাইনার মণীশ মলহোত্রা মন্তব্য করেছিলেন যে, নিসার ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে আসা উচিত, কারণ তিনি অত্যন্ত সুন্দরী।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


