Guess Who: মাত্র ১৬ বছরে বিয়ে, ১৮ হওয়ার আগেই মা হন! টলিউডের এই সুপার হট নায়িকাকে চিনলেন?
চোখ বন্ধ করে টলিপাড়ার অন্যতম সুন্দরীর তকমা দেওয়া যায় তাঁকে। অভিনেত্রী হিসেবেও নিজেকে প্রমাণ করেছেন বারংবার। তবে কেরিয়ারে কাজ নিয়ে যত আলোচনায় এসেছেন, তার চেয়ে অনেক বেশি ব্যক্তিগত জীবনের ওঠাপড়া নিয়ে।
বাংলার সুন্দরী নায়িকাদের তালিকায় প্রথমেই নাম আসে তাঁর। অভিনয় জীবন শুরু মাত্র ১০ বছর বয়সে, ১৯৯৭ সালে মায়ার বাঁধন সিনেমা দিয়ে। আর নায়িকা হিসেবে যাত্রা শুরু করেন ২০০৩ সালে চ্যাম্পিয়ন দিয়ে। তখন বয়স মাত্র ১৬। সেই বছরই বিয়ে হয়ে যায়। ভালোবেসেই সাতপাকে বাঁধা পড়েন। যদিও সেই বিয়ে সুখের হয়নি। ভেঙে যায়। এরপরে আর দুবার বিয়ের পিঁড়িতে বসেন নায়িকা। কিন্তু বারংবারই সম্পর্কের ভাঙন জর্জরিত করেছে তাঁকে।

ঠিকই ধরেছে কথা হচ্ছে অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের সম্পর্কে। 'পাগলু', 'দু'জনে', 'অমানুষ'-এর মতো ছবির পরিচালক রাজীব কুমার বিশ্বাসকে বিয়ে করেন শ্রাবন্তী যখন, তখন তিনি মাত্র ১৬। এরপর বয়স ১৮ হওয়ার আগেই ছেলের মা হন। বিয়ের বছর ঘুরতেই কোলে আসে একমাত্র ছেলে অভিমন্যু ওরফে ঝিনুক। বলা চলে, মা-ছেলে একসঙ্গেই বড় হয়েছেন। দীর্ঘ ১৩ বছর ছিলেন এই বিয়েতে। এরপর দুজনের পথ আলাদা হয়।
আসলে শ্রাবন্তীর জীবনে ভালোবাসা কখনোই স্থায়ী হয়নি। আরও দুবার বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন অভিনেত্রী। ২০১৬ সালে মডেল কৃষাণ ব্রজকে বিয়ে করেন তিনি। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই বিচ্ছেদের আবেদন নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তারপর ২০১৯ সালে বিয়ে রোশন সিংকে। এবারে তো লোকচক্ষুর আড়ালে, চন্ডীগড়ে গিয়ে এক গুরুদুয়ারেতে বিয়ে করেছিলেন। তবে এই বিয়েতেও সমস্যা। নানান জটিলতার পর আইনি বিচ্ছেদও হয়ে গিয়েছে। আপাতত শ্রাবন্তী সিঙ্গেল। মাঝে কিছু প্রেমের খবর এলেও, অভিনেত্রীর দাবি, তাঁর ধ্যান-জ্ঞান সবটাই এখন কাজ।
তবে ভালোবাসা থেকে বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেননি। না বিয়ে থেকে। ‘আমি এখনও বিয়েতে বিশ্বাস করি। কারণ আমি আমার বাবা-মাকেও দেখেছি। আমি মনে করি যাঁরা বিয়ে করছেন, তাঁরা ভালো থাকুন। তাঁদের যেন একে অপরের প্রতি স্বচ্ছ্বতাটা বজায় থাকে। কেন বিয়ে করবে না? এটা তো আমরা বহু বছর ধরে দেখে আসছি।’, বলেছিলেন এক সাক্ষাৎকারে।
এমনকী এই সাক্ষাৎকারে তিনি স্বীকার করে নিয়েছিলেন যে, জীবনসঙ্গী বাছতে ভুল হয়েছিল তাঁর। আবেগে ভেসে একটু তাড়াহুড়োই করে ফেলেছিলেন। শ্রাবন্তীর কথায়, ‘আমি জীবনে ভুল মানুষ বেছে নিয়েছিলাম, যেটা হয়তো আমার আরও ভালো করে বুঝে নিয়ে করা উচিত ছিল। আসলে আমি তো খুব ইমোশানল একজন মানুষ। সেখানে আমার মনে হয়, আবেগে না ভেসে, আরও বাস্তব বুদ্ধি দিয়ে জীবনটাকে দেখা উচিত ছিল।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper











