Health Benefits of Betel Nut: পানের সঙ্গে সুপুরি খাচ্ছেন? শরীরের উপর কেমন প্রভাব পড়ছে জানেন কি
Health Benefits of Betel Nut: শুধু পানের সঙ্গে নয়, অনেকে এমনিও সুপুরি খান। সেটি খেলে কী হয়?
Health Benefits of Betel Nut: অনেকেই সুপুরি খান। পানের সঙ্গে খান। কিংবা এমনি সুপুরি চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাসও আছে অনেকের। কিন্তু এই সুপুরি কি শুধুই খেতে ভালো? নাকি এটি খেলে শরীরের উপর আর কোনও প্রভাবও পড়ে?

সুপুরি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। দেখে নেওয়া যাক এই ফলটি খেলে কী কী হয়।
- মুখের ঘা কমে: এই ফলটির মধ্যে এমন কয়েকটি উপাদান রয়েছে, যেগুলি মুখের ঘা কমিয়ে দিতে পারে। শুকনো সুপুরি মুখে রাখলে, তা থেকে যে রস বেরোয়, সেটি এই কাজে লাগতে পারে। সুপুরি গুঁড়ো, দারচিনি গুঁড়ো একসঙ্গে নিয়ে মধুর সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিতে পারেন। সেটি মুখের ঘায়ে লাগালে, উপশম হতে পারে।
- কৃমি কমে: পেটে কৃমির সমস্যা হলে, নিয়মিত সুপুরি খেতে পারেন। এটির কিছু উপাদান কৃমি সাফ করতে কাজে লাগে। নিয়মিত সুপুরি খেলে তাই এই সমস্যা কম হয়। তবে শিশুদের এটি দেওয়া যাবে না। শুধুমাত্র বড় এই উপায়ে কৃমির সমস্যা কমাতে পারেন।
- বমিভাব কমায়: চলন্ত গাড়িতে উঠলেই বমি পায়? সুপুরি, হলুদ আর সামান্য চিনি একসঙ্গে মিশিয়ে খেলে এই সমস্যা কমে।
- দাঁতের ব্যথা কমায়: ঠান্ডা লেগে অনেকেরই দাঁতের গোড়ায় ব্যথা হয়। বিশেষ করে শীতে এই সমস্যা খুব বড় আকারা নেয়। গরমে আবার ঠান্ডা কিছু খেলেও এই সমস্যা হতে পারে। সুপুরি গুঁড়ো ওই ব্যথার জায়গায় চেপে রাখলে দাঁতের গোড়ার ব্যথা কমতে পারে।
- মলদ্বারের সমস্যা কমায়: কৃমি বা অন্য কোনও সংক্রমণের কারণে অনেকেরই মলদ্বারে প্রদাহ হয়, চুলকায়। সেক্ষেত্রে সুপুরির গুঁড়ো মলদ্বারে লাগালে সমস্যা কমতে পারে। তবে এটি করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


