Yellowtail catfish or Pangas Fish: বাঙাল বাড়িতে মাঝে সাঝেই আসে পাঙ্গাশ মাছ, আপনিও কি খান? জানুন, শরীরে কী হয় এটি খেলে
Yellowtail catfish or Pangas Fish: পাঙ্গাশ মাছ কি শরীরের জন্য ভালো? এটি খেলে কী হয়? কেউ কেউ বলেন, এটি শরীরের ক্ষতি করে। জেনে নিন কেমন প্রভাব পড়ে শরীরের উপর।
বাংলার নদীতে পাওয়া যায় পাঙ্গাশ মাছ। তাছাড়া পুকুরেও চাষ হয় এই মাছ। বাঙাল বাড়িতে মাঝে মধ্যেই এই মাছ খাওয়া হয়। তবে হালে আর এপার বাংলা ওপার বাংলার প্রভেদ নেই, দুই বাংলাতেই চলে পাঙ্গাশ খাওয়া। এটি শরীরে কেমন প্রভাব ফেলে, আজ আমরা জানবো।

পাঙ্গাশ হল এমন এক ধরনের মাছ, যা অতি সহজে রান্না করে খাওয়া যায়। এই মাছে কাঁটা কম ও পাতলা হওয়ায় খুব সহজে পাঙ্গাএর ঝোল, স্যুপ, তরকারি এবং ভাজা তৈরি করা যায়। অন্য ধরনের মাছের মতোই পাঙ্গাশ মাছের প্রায় সব অংশই খাওয়া যায়। এবার দেখে নেওয়া যাক, এটি শরীরের জন্য উপকারি নাকি অপকারি।
সব কিছুর ভালো এবং মন্দ দিক থাকতে পারে। প্রথমে আমরা জেনে নিই, পাঙ্গাশ মাছ খেলে শরীরে কী কী ধরনের উপকার হয়। তার পরে জানা যাবে, এই মাছের খারাপ দিকগুলি।
হার্টের রোগ প্রতিরোধ করে: এই মাছের কিছু উপাদান কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে। পাঙ্গাশ মাছে থাকা অসম্পৃক্ত চর্বি এই ধরনের রোগের প্রতিরোধে খুবই কার্যকর। পাঙ্গাষ মাছের মাংসে অসম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ এর মোট পুষ্টির মানের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত আছে।
কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে: পাঙ্গাশ মাছে কম কোলেস্টেরল থাকে। যাঁদের শরীরে কোলেস্টেরলের মতো সমস্যা আছে, তাঁরা এই মাছ খেতে পারেন। অসম্পৃক্ত চর্বির উপাদান শরীরে থাকা খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করতে পারে। ফলে আবারও হার্টের সমস্যা কিছু প্রতিরোধ হয়।
গর্ভে শিশুর বৃদ্ধিতে সাহায্য করে: গর্ভবতী মহিলাদের জন্য পাঙ্গাশ মাছ খুব উপকারি। গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের স্বাস্থ্য এবং বৃদ্ধির জন্য উপকারি হতে পারে এটি। এই মাছে প্রচুর ওমেগা ৩ থাকার কারণে এটি গর্ভে থাকা ভ্রূণের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
পেশি গঠনে সাহায্য করে: যাঁরা পেশি বাড়াতে ও শক্তিশালী করার জন্য ডায়েট প্রোগ্রাম করছেন, তাঁদের জন্য পাঙ্গাশ মাছ খাওয়া খুবই ভালো। এর উচ্চ প্রোটিন খুবই কার্যকর পেশি গঠনে। এর উপাদান পেশির ভর বাড়ায়, পেশি শক্তিশালী করে, পেশি শক্ত করে, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখে, শরীরের শক্তি বাড়ায়।
হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখে: পাঙ্গাশ মাছের হাড়ে এবং মেরুদণ্ডে ফসফরাস এবং উচ্চ ক্যালসিয়াম রয়েছে। এই উচ্চ ফসফরাস এবং ক্যালসিয়াম উপাদান শরীরের ফসফরাস এবং ক্যালসিয়ামের প্রয়োজনীয়তা মেটাতে সাহায্য করে। এছাড়াও স্বাস্থ্যকর হাড় এবং দাঁত বজায় রাখতে সাহায্য করে।
এ তো গেল গুণের কথা, এখন আমরা জানবো পাঙ্গাশ মাছের অপকারিতা বা ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে। অনেকেই বলেন, পাঙ্গাশ খাওয়া শরীরের জন্য মোটেই ভালো নয়। কেন এমন কথা বলেন তাঁরা, আসুন জেনে নেওয়া যাক।
পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে বাজার থেকে আনা কিছু মাছের মধ্যে পাওয়া কীটনাশক ও রাসায়নিকের মাত্রা এতই বেশি যে এ মাছ খাওয়া পরিহার করতে হবে। মাছে পাওয়া প্রিজারভেটিভ এবং অ্যান্টিবায়োটিকগুলি শরীরে নানা ধরনের ক্ষতি করতে পারে। এটি যে কোনও মাছের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। এবং পাঙ্গাশও এর ব্যতিক্রম নয়।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


