Sign in

Bangladesh Update:'গাছে বেঁধে..',ময়মনসিংহে সেই রাতে যুবকের নারকীয় হত্যাকাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন বাবা

ময়মনসিংহের ঘটনা নিয়ে কী বললেন প্রয়াত যুবকের বাবা?

Published on: Dec 20, 2025, 19:18:19 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বাংলাদেশের ময়মনসিংহে সদ্য এক যুবককে ব্যাপক মারধরের পর তাঁর মৃতদেহ মাঝ রাস্তায় জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই ইউনুস প্রশাসন জানিয়েছে, তারা ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনা নিয়ে তীব্র নিন্দায় ফেটে পড়েছেন এদেশের একাধিক রাজনীতিবিদ। বঙ্গ বিজেপির এক্স হ্যান্ডেলে ঘটনার নিন্দা করা হয়। কংগ্রেসের প্রিয়াঙ্কা গান্ধীরা ঘটনার তীব্র নিন্দায় সরব হয়েছেন। সরব হয়েছেন শশী থারুর থেকে পবন কল্যাণরাও। এরই মাঝে সেই যুবকের পরিবার তুলে ধরল সেই রাতের বীভৎস ঘটনার কথা।

হাদির মৃত্যুর রাতে বাংলাদেশের বহু জায়গায় অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।  REUTERS/Mehedi Hasan (REUTERS)
হাদির মৃত্যুর রাতে বাংলাদেশের বহু জায়গায় অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। REUTERS/Mehedi Hasan (REUTERS)

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে যুবকের বাবা জানিয়েছেন, তাঁরা ইউনুস সরকারের তরফে ‘কোনও আশ্বাস' পাননি।

( Bangladesh:মাথাচাড়া দিচ্ছে চিন, পাক প্রভাব!বাংলাদেশ '১৯৭১-র পর বড় স্ট্র্যাটেজিক চ্যালেঞ্জ' ভারতের জন্য, সতর্কবাণী PSCর)

প্রসঙ্গত, যে রাতে হাদির মৃত্যুর খবর বাংলাদেশে আসে, সেই রাতেই ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগ ওঠে ময়মনসিংহের ওই যুবকের বিরুদ্ধে। এরপরই তাঁকে নারকীয়ভাবে অত্যাচার করে বাংলাদেশের রাস্তায় খুন করা হয়। ঘটনার ভিডিয়ো করতেও অনেকে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। আর সেই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় আসতেই ক্ষোভে সরব হন অনেকেই। কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এক্সে লেখেন,বাংলাদেশে হিন্দু যুবকের 'নৃশংস গণপিটুনির খবর গভীরভাবে উদ্বেগজনক। যেকোনো সভ্য সমাজে ধর্ম, বর্ণ, পরিচয় ইত্যাদির ভিত্তিতে বৈষম্য, সহিংসতা এবং হত্যা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ।' দক্ষিণী নায়ক তথা রাজনীতিবিদ পবন কল্যাণ লেখেন,'ইতিহাস আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে। কিন্তু আজ, যে মাটি একসময় ভারতীয় রক্ত ​​দিয়ে স্বাধীন হয়েছিল, সেই মাটি নিরীহ সংখ্যালঘুদের রক্তে রঞ্জিত হচ্ছে।' থেমে থাকেননি শশী থারুর। তিনি এক্স পোস্টে প্রশ্ন তোলেন, 'এই জাতীয় ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে তা নিশ্চিত করতে তারা (ইউনুস সরকার) কী পদক্ষেপ নিচ্ছে?' বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে নিন্দায় সরব হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার থেকে শমীক ভট্টাচার্যরা।

এদিকে ময়মনসিংহে নিহত যুবকের পরিবার জানাচ্ছে, তাঁরা ফেসবুক থেকে নানান ঘটনার খবর পান সেই রাতে। এরইসঙ্গে যুবকের বাবা ওই সাক্ষাৎকারে বলেন,'আমরা এটা জানতে পারি যখন কেউ আমাকে বলে যে তাঁকে (যুবককে) খুব মারধর করা হয়েছে। আধ ঘন্টা পরে, আমার কাকা এসে বললেন যে তারা আমার ছেলেকে ধরে নিয়ে গিয়েছে এবং তাঁকে একটি গাছের সাথে বেঁধে রেখেছে।' ঘটনা এখানেই শেষ নয়। বৃহস্পতিবার রাতে বাংলাদেশ যে বর্বরোচিত হত্যার সাক্ষী থেকেছে, তা নিয়ে বলতে গিয়ে যুবকের বাবা বলেন, এরপর কেরোসিন ঢেলে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটানো হয়। সেই ভয়াবহ ঘটনার কথা তুলে ধরেন যুবকের বাবা। তবে প্রশ্ন হল কে বা কারা এর নেপথ্য? নেপথ্যে কি জামাতের শাখা ছাত্র শিবির? যুবকের বাবা বলছেন, তাঁরা নিশ্চিত করে জানেন না। গোটা পরিবার তাকিয়ে রয়েছে যুবকের মৃত্যুর বিচারের দিকে।

  • Sritama Mitra
    ABOUT THE AUTHOR
    Sritama Mitra

    শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More