Chinese Nuclear Missile Launch Pad: পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারের কাছেই লঞ্চ প্যাড তৈরি করছে চিন, প্রকাশ্যে স্যাটেলাইট চিত্র
চিনের উত্তর-পশ্চিমের মরুপ্রধান অঞ্চলে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র সাইলো বা অস্ত্রাগারের আশপাশে দ্রুত গতিতে একাধিক নতুন লঞ্চ প্যাড এবং সামরিক পরিকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। এই নির্মাণকাজ ভবিষ্যতের সম্ভাব্য সংঘাতের পরিস্থিতিতে চিনের পাল্টা আঘাত হানার ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই করা হচ্ছে বলে মত অনেকের।
Chinese Nuclear Missile Launch Pad: চিনের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার এবং ক্ষেপণাস্ত্র পরিকাঠামো ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। সাম্প্রতিক স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গিয়েছে, দেশের উত্তর-পশ্চিমের মরুপ্রধান অঞ্চলে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র সাইলো বা অস্ত্রাগারের আশপাশে দ্রুত গতিতে একাধিক নতুন লঞ্চ প্যাড এবং সামরিক পরিকাঠামো গড়ে তুলছে বেজিং। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নির্মাণকাজ ভবিষ্যতের সম্ভাব্য সংঘাতের পরিস্থিতিতে চিনের পাল্টা আঘাত হানার ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই করা হচ্ছে।
রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, শিনজিয়াং এবং গানসু প্রদেশের বিস্তীর্ণ মরুভূমি এলাকায় ৮০টিরও বেশি লঞ্চ প্যাড নির্মাণের কাজ চলছে। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই এলাকাগুলিতে শুধু ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রই নয়, পাশাপাশি মোবাইল মিসাইল লঞ্চার, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার ইউনিট এবং স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্যও অবকাঠামো তৈরি করা হচ্ছে।
জানা গিয়েছে, হামি অঞ্চলের পারমাণবিক সাইলো কমপ্লেক্সের কাছাকাছি একাধিক অষ্টভুজাকৃতির সামরিক ঘাঁটি গড়ে তোলা হয়েছে। সেখানে সেনাদের থাকার ব্যবস্থা, যানবাহনের গ্য়ারাজ, বাঙ্কার এবং যোগাযোগ পরিকাঠামোও তৈরি করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের বিস্তৃত প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের উদ্দেশ্য হল শত্রুপক্ষের প্রথম আঘাতের পরেও চীনের পারমাণবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা অক্ষুণ্ণ রাখা।
যদিও চিনের সরকারি অবস্থান এখনও ‘নো ফার্স্ট ইউজ’ বা আগে পারমাণবিক হামলা না করার নীতির পক্ষেই রয়েছে, তবুও তাইওয়ানকে ঘিরে আমেরিকা-চিন উত্তেজনা বৃদ্ধির আবহে এই সামরিক সম্প্রসারণকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের আগের এক মূল্যায়নে বলা হয়েছিল, ২০৩০ সালের মধ্যে চীনের পারমাণবিক ওয়ারহেডের সংখ্যা এক হাজারে পৌঁছতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, নতুন এই অবকাঠামো নির্মাণ শুধু প্রতিরক্ষার জন্য নয়, বরং চিনের কৌশলগত প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও টেকসই ও কার্যকর করে তোলার বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত চিনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক আনুষ্ঠানিক কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি। তবে স্যাটেলাইট ছবিতে ধরা পড়া এই নির্মাণকাজ আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও পারমাণবিক ভারসাম্য নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


