Sign in

Digital Census Update: এবার দেশে ডিজিটাল জনগণনা, ঘরে বসেই স্মার্টফোনে তথ্য জমা দিতে পারবেন নাগরিকরা, কীভাবে?

২০২৭ সালের জনগণনায় প্রথমবার দেশের নাগরিকরা ঘরে বসেই নিজেদের তথ্য নিজেরাই অনলাইনে জমা দিতে পারবেন। কেন্দ্রীয় সরকারের তৈরি se.census.gov.in পোর্টালে লগ-ইন করে মাত্র ৩৩টি প্রশ্নের উত্তর দিলেই সম্পূর্ণ হবে ‘সেল্ফ-এনুমারেশন’ বা স্ব-গণনার প্রক্রিয়া।

Published on: Jun 27, 2026, 09:37:01 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ডিজিটাল ইন্ডিয়ার পথে আরও এক ধাপ এগোতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কাগজ-কলম, ফাইলের স্তূপ কিংবা দীর্ঘ তথ্য সংগ্রহের প্রচলিত পদ্ধতি ছেড়ে এবার সম্পূর্ণ ডিজিটাল ব্যবস্থায় হতে চলেছে দেশের জনগণনা। ২০২৭ সালের জনগণনায় প্রথমবার দেশের নাগরিকরা ঘরে বসেই নিজেদের তথ্য নিজেরাই অনলাইনে জমা দিতে পারবেন। কেন্দ্রীয় সরকারের তৈরি se.census.gov.in পোর্টালে লগ-ইন করে মাত্র ৩৩টি প্রশ্নের উত্তর দিলেই সম্পূর্ণ হবে ‘সেল্ফ-এনুমারেশন’ বা স্ব-গণনার প্রক্রিয়া।

২০২৭ সালের জনগণনায় প্রথমবার দেশের নাগরিকরা ঘরে বসেই নিজেদের তথ্য নিজেরাই অনলাইনে জমা দিতে পারবেন।
২০২৭ সালের জনগণনায় প্রথমবার দেশের নাগরিকরা ঘরে বসেই নিজেদের তথ্য নিজেরাই অনলাইনে জমা দিতে পারবেন।

সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১ অগস্ট থেকে ১৫ অগস্ট পর্যন্ত দেশের যে কোনও নাগরিক নিজের বৈধ মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে এই পোর্টালে নিবন্ধন করতে পারবেন। রেজিস্ট্রেশনের সময় মোবাইলে একটি ওটিপি পাঠানো হবে। সেই ওটিপি দিয়ে লগ-ইন করার পর নির্দিষ্ট ডিজিটাল ফর্ম পূরণ করলেই জনগণনার কাজ সম্পন্ন হবে। এর ফলে সময় যেমন বাঁচবে, তেমনই তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও নির্ভুলতাও অনেকটাই বাড়বে বলে মনে করছে প্রশাসন।

তবে যাঁরা স্মার্টফোন বা ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন না কিংবা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিজের তথ্য নথিভুক্ত করবেন না, তাঁদের জন্যও বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ১৬ আগস্ট থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে ‘হাউস লিস্টিং’ বা বাড়ি চিহ্নিতকরণের কাজ। এরপর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করবেন। এই বিশেষ অ্যাপের নাম এইচএলও (HLO)।

রাজ্যে এই বিশাল কর্মসূচি সফল করতে প্রায় দেড় লক্ষেরও বেশি প্রশিক্ষিত এনিউমারেটর বা তথ্য সংগ্রহকারীকে কাজে লাগানো হবে। তাঁদের হাতে থাকা স্মার্টফোনই হবে ডিজিটাল জনগণনার প্রধান হাতিয়ার। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ চলবে। ইতিমধ্যেই জনগণনা কর্মীদের প্রশিক্ষণের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। বিডিও, ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট এবং ফিল্ড ট্রেনারদের ধাপে ধাপে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সাধারণভাবে ৭ জুলাই থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত ফিল্ড ট্রেনারদের প্রশিক্ষণের সূচি রয়েছে। যদিও বিভিন্ন জেলায় এই সময়সূচিতে কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে। পরে এই প্রশিক্ষকরাই বুথস্তরের কর্মীদের মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার, তথ্য আপলোড এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেবেন।

এই বিশাল ডিজিটাল কর্মযজ্ঞের ওপর নজরদারি চালাতে প্রতিটি জেলায় তৈরি করা হচ্ছে ডেডিকেটেড সেন্সাস মনিটরিং রুম। ইতিমধ্যেই পুরুলিয়ায় এমন একটি মনিটরিং রুম চালু হয়েছে। জেলা প্রশাসনের দাবি, এখান থেকেই জেলার প্রতিটি প্রান্তে জনগণনার অগ্রগতি রিয়েল-টাইমে পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং সমস্ত তথ্য সরাসরি সিএমএমএস (Computerised Maintenance Management System) পোর্টালে আপলোড হবে। প্রশাসনের মতে, ডিজিটাল জনগণনার মাধ্যমে শুধু সময় ও খরচই কমবে না, বরং তথ্য সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ এবং ভবিষ্যতের উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা তৈরিতেও অনেক বেশি নির্ভুল তথ্য পাওয়া সম্ভব হবে। দেশের ইতিহাসে এই প্রথম জনগণনা সম্পূর্ণ প্রযুক্তিনির্ভর রূপ পাচ্ছে, যা প্রশাসনিক আধুনিকীকরণের ক্ষেত্রেও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More