Iran War: ট্রাম্পের মান রক্ষার মরিয়া চেষ্টা হোয়াইট হাউজের, ইরানের সঙ্গে কথা বলতে আমেরিকার থেকে কারা যাবেন পাকিস্তান?
ক্যারোলিন লেভিট এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লেখেন, 'আমেরিকার জন্য এটা বিশাল বড় জয়। প্রেসিডেন্টের ট্রাম্প এবং আমাদের সেনা এটা সম্ভব করেছে। অপারেশন এপিক ফিউরি শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, এটা ৪-৬ সপ্তাহের অভিযান হতে পারে। সেই মতো ৩৮ দিনে আমরা সব সামরিক লক্ষ্য অর্জন করেছি।'
আগামী ১০ এপ্রিল থেকে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হবে ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে শান্তি আলোচনা। সেই আলোচনায় আমেরিকার তরফ থেকে কারা উপস্থিত থাকবেন? তা নিয়ে জল্পনা ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। এরই মাঝে সিএনএনের একটি রিপোর্টে দাবি করা হল, আমেরিকার তরফ থেকে ইরানের সঙ্গে কথা বলতে যেতে পারেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ, ট্রাম্পের জামাই জ্যারেড কুশনার এবং আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। উল্লেখ্য, এর আগে ইরান দাবি জানিয়েছিল, ট্রাম্পের বদলে তারা ভান্সের সঙ্গে কথা বলতে বেশি আগ্রহী। এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে ইরান নিয়ে ভান্স একাধিকবার পাকিস্তানের সঙ্গে কথা বলেছে বলেও জানা গিয়েছে। এদিকে ইরানের সাথে আমেরিকার এই যুদ্ধবিরতিকে ট্রাম্পের 'জয়' হিসেবে তুলে ধরতে মরিয়া হোয়াইট হাউজ।
মার্কিন-ইরান যুদ্ধবিরতি নিয়ে হোয়াইট হাউজের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লেখেন, 'আমেরিকার জন্য এটা বিশাল বড় জয়। প্রেসিডেন্টের ট্রাম্প এবং আমাদের সেনা এটা সম্ভব করেছে। অপারেশন এপিক ফিউরি শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করে আসছিলেন, এটা ৪-৬ সপ্তাহের অভিযান হতে পারে। সেই মতো আমাদের সেনার দুর্দান্ত ক্ষমতাবলে ৩৮ দিনে আমরা সব সামরিক লক্ষ্য অর্জন করেছি।'
এদিকে হোয়াইট হাউজের তরফ থেকে এই সব বলা হলেও আসলে ট্রাম্প শুরু থেকে এই অপারেশনের কোনও সময়সীমা বেঁধে দিতে পারেননি। তিনি একেক সময় একেক কথা বলে এসেছেন। এছাড়া ইরানের হামলায় পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকার সব ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমেরিকার বহু যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে। ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরানে ক্ষমতা ব্যবস্থা পরিবর্তন তাদের অন্যতম লক্ষ্য। তবে তা আমেরিকা পূরণ করতে পারেনি। হরমুজ প্রণালী নিয়ে ঘরে-বাইরে চাপে ছিলেন ট্রাম্প।
এদিকে ইরান দাবি করেছে, তাদের ১০টি শর্ত আমেরিকা মেনে নিয়েছে বলে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে তারা। তা যদি সত্যি হয়ে থাকে, তাহলে এই যুদ্ধবিরতে আদতে তেহরানের বিজয়। ইরানের সরকারি মিডিয়া জানিয়েছে, আমেরিকা যে ১০ শর্ত মেনে নিয়েছে, সেগুলি হল: সব ধরনের আগ্রাসন বন্ধ; হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকবে; ইরানের ইউরেনিয়াম এনরিচমেন্ট প্রকল্প মেনে নেওয়া; সব ধরনের প্রাথমিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা; সব ধরনের পরোক্ষ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা; রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ইরানের বিরুদ্ধে যে সকল প্রস্তাবনা পেশ করা হয়েছে, তা বাতিল করা; আইএইএ বোর্ড অফ গভর্নর যে প্রস্তাবনা পাশ করিয়েছে, তা বাতিল করা; ইরানকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া; যুদ্ধে লিপ্ত মার্কিন বাহিনীকে পশ্চিম এশিয়া অঞ্চল থেকে প্রত্যাহার করা; ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স অফ লেবানন সহ সবার সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধ করা।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper











