Sign in

US Official on India: 'শক্তিশালী ভারত আমেরিকানদের জন্যও ভালো', বড় মন্তব্য ট্রাম্প প্রশাসনের কর্তার

এলব্রিজ কলবি মঙ্গলবার বলেন যে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এশিয়ায় ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিত করতে ভারতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভূ-রাজনীতিতে আমূল পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে ভারত এবং আমেরিকার মধ্যে প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে আরও গভীর করার বার্তা দেন।

Published on: Mar 25, 2026, 08:45:04 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ইরান যুদ্ধের আবহে ভারত নিয়ে বড় মন্তব্য করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের এক শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা। এলব্রিজ কলবি মঙ্গলবার বলেন যে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এশিয়ায় ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিত করতে ভারতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভূ-রাজনীতিতে আমূল পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে ভারত এবং আমেরিকার মধ্যে প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে আরও গভীর করার বার্তা দেন। উল্লেখ্য, এই এলব্রিজ হলেন মার্কিন যুদ্ধ নীতি বিষয়ক উপসচিব।

এলব্রিজ কলবি মঙ্গলবার বলেন যে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এশিয়ায় ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিত করতে ভারতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এলব্রিজ কলবি মঙ্গলবার বলেন যে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এশিয়ায় ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিত করতে ভারতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ভারত-মার্কিন কৌশলগত সম্পর্কের গুরুত্বের উপর জোর দিয়ে বেশ কয়েকটি বিষয় তুলে ধরেন এলব্রিজ কলবি। তিনি বলেন, 'আমেরিকা বিশ্বাস করে যে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ক্ষমতার অনুকূল ভারসাম্য নিশ্চিত করতে ভারত কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করবে। এই প্রেক্ষাপটে শক্তিশালী ও আত্মবিশ্বাসী ভারত শুধু ভারতীয় জনগণের জন্যই ভালোই নয়, আমেরিকানদের জন্যও ভালো।' মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকট এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চিনের ক্রমবর্ধমান সামরিক শক্তি নিয়ে উদ্বেগের মাঝেই ভারত সফরে এসেছেন এলব্রিজ কলবি। এশিয়ার ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের নিরিখে তাঁর এই নয়াদিল্লি সফর বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

তিনি বলেন, 'কার্যকর সহযোগিতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতকে সবকিছুতে যে একমত হতেই হবে, এমনটা কিন্তু না। যা গুরুত্বপূর্ণ তা হল আমাদের স্বার্থ এবং উদ্দেশ্যগুলি মৌলিক ক্ষেত্রে ক্রমেই সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়ে উঠছে। আমাদের অংশীদারিত্বের শিকড় মতপার্থক্য এবং বিরোধের চেয়ে গভীর। আমাদের দুটি দেশ এমন ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে উপকৃত হবে, যেখানে কোনও শক্তিই আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তার করতে পারবে না। উভয়ই উন্মুক্ত বাণিজ্য এবং জাতীয় স্বায়ত্তশাসন থেকে উপকৃত হবে।'

এসব্রিজ কলবি বলেন, ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশই এই অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী ভারসাম্যের জন্য সামরিক শক্তির কৌশলগত প্রয়োজনীয়তাকে স্বীকার করে। তাই প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কেবলমাত্র প্রতীকী না রেখে প্রকৃত সক্ষমতা বাড়ানোর দিকে মনোনিবেশ করা উচিত আমাদের। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথকে উদ্ধৃত করে কলবি বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী হয়েছে। তিনি বলেন, প্রতিরক্ষা, শিল্প ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা 'নতুন গতি' অর্জন করছে। এ প্রসঙ্গে তিনি গত বছরের অক্টোবর মাসে চূড়ান্ত হওয়া 'প্রধান প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব' কাঠামোর কথাও উল্লেখ করেন।

এলব্রিজ কলবি বলেন, দূরপাল্লার নির্ভুল আগ্নেয়াস্ত্র, শক্তিশালী লজিস্টিক সরবরাহ, সাবমেরিন বিধ্বংসী প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করার জন্য ভারতের সাথে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ আমেরিকা। এরপর কলবি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ভারতে সামরিক সরঞ্জাম বিক্রি বাড়ানোর চেষ্টা করছে, তবে একই সঙ্গে দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশে নয়াদিল্লির উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে স্বীকৃতি দেয় আমেরিকা। শেষে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারত প্রতিটি ইস্যুতে একমত হবে না, তবে কোনও মতবিরোধ যাতে পারস্পরিক সহযোগিতাকে বাধাগ্রস্ত না করে।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More