Sign in

Supreme Court: ‘তারিখ পে তারিখ’ নয়! সব হাইকোর্টকে সময়সীমা বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট

Supreme Court: শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত বিচারাধীন বন্দীদের একই দিনে, অথবা বড়জোর পরের দিনই মুক্তি দিতে হবে। পাশাপাশি রায়ের কার্যকর অংশ প্রকাশ্য আদালতেই ঘোষণা করতে হবে এবং বিস্তারিত কারণ সাত দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট হাইকোর্টের ওয়েবসাইটে আপলোড করতে হবে।

Published on: May 29, 2026, 23:45:04 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Supreme Court: মামলার দীর্ঘসূত্রতা ও রায় ঘোষণায় অনিশ্চয়তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সুপ্রিম কোর্ট দেশের সব হাইকোর্টের জন্য একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা জারি করেছে। শীর্ষ আদালত এবার স্পষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়ে জানিয়েছে, সংরক্ষিত রায়, জামিন সংক্রান্ত আদেশ এবং সেগুলোর কারণ প্রকাশে আর অযথা দেরি চলবে না।

সব হাইকোর্টকে সময়সীমা বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট (HT_PRINT)
সব হাইকোর্টকে সময়সীমা বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট (HT_PRINT)

সংবিধানের ১৪২ নম্বর অনুচ্ছেদের বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে দেশের সব হাইকোর্টকে কড়া নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনও মামলায় রায় সংরক্ষিত রাখার পর সর্বোচ্চ তিন মাসের মধ্যেই তা অবশ্যই ঘোষণা করতে হবে। শীর্ষ আদালত জামিন সংক্রান্ত বিষয়েও কঠোর সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে। আদালত জানিয়েছে, জামিন সংক্রান্ত মামলায় আদেশ যথাসম্ভব পরদিনই জারি করতে হবে এবং একই দিনে তা সংশ্লিষ্ট কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাতে হবে। এতে বিচারপ্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও কার্যকর হবে বলে মনে করছে শীর্ষ আদালত।

আদালত আরও জানিয়েছে, জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত বিচারাধীন বন্দীদের একই দিনে, অথবা বড়জোর পরের দিনই মুক্তি দিতে হবে। পাশাপাশি রায়ের কার্যকর অংশ প্রকাশ্য আদালতেই ঘোষণা করতে হবে এবং বিস্তারিত কারণ সাত দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট হাইকোর্টের ওয়েবসাইটে আপলোড করতে হবে। সংরক্ষিত রায়ের তারিখও আদালতের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমা লঙ্ঘন হলে মামলাটি অন্য বেঞ্চে স্থানান্তর করা হতে পারে। এমনকি ৩০ দিনের মধ্যে রায়ের কারণ প্রকাশ না হলে সেটি প্রত্যাহার করে নতুন বেঞ্চে পাঠানোর নির্দেশও দেওয়া যাবে। এই নির্দেশ কার্যকর করতে দেশের সব হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলদের নিজ নিজ প্রধান বিচারপতির কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে দ্রুত ও স্বচ্ছ বিচারপ্রক্রিয়া নিশ্চিত করা যায়। পাশাপাশি, সময়মতো বিচার পাওয়ার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে আদালতের পর্যবেক্ষণ, হাইকোর্টগুলোই হলো সেই প্রধান প্রতিষ্ঠান যেখানে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ প্রতিকারের জন্য আসেন এবং রায় প্রদানে বিলম্ব বিচার বিভাগের ওপর জনগণের আস্থাকে সরাসরি প্রভাবিত করে। বিশেষত ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টে রায় ঘোষণা ও আপলোড করতে দীর্ঘ বিলম্ব সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানি চলাকালে এই রায়টি দেওয়া হয়েছে।