Lahore name issue: মুস্তাফাবাদের 'ধরমপুরা' নাম ফেরানো যাবে না! পাক কট্টরদের চাপে কোন ইস্যুতে ব্যাকফুটে মারিয়াম?
এলাকার নাম পরিবর্তন বিতর্কে পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রভিন্সের সরকার। কী ঘটেছে লাহোর ঘিরে?
পাকিস্তানের পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মারিয়াম নওয়াজের সরকার এক প্রস্তাব দিয়েছিল, যাতে লাহোরের বেশ কিছু জায়গা তার পুরনো নাম ফিরে পায়। তথ্য বলছে, দেশভাগের পরেও, পাকিস্তানের বিভিন্ন সরকার কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে জায়গার নাম পরিবর্তন করা সত্ত্বেও, ঔপনিবেশিক ও হিন্দু, শিখ আমলের অনেক নাম জনস্মৃতিতে টিকে আছে। সেই ভাবনা থেকেই লাহোরের বিভিন্ন জায়গার পুরনো নাম ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছিল পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর ভাইঝি মারিয়াম নওয়াজের সরকার। তবে মারিয়ামের সেই উদ্যোগে জল ঢেলেছে পাকিস্তানি কট্টরপন্থীরা। তাঁরা সরব হতেই এই ইস্যুতে ব্যাকফুটে চলে যায় মারিয়াম সরকার।

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পিএমএল(এন) প্রধান নওয়াজ শরিফের সভাপতিত্বে এবং পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজের সমর্থনে গঠিত লাহোর হেরিটেজ এরিয়াস রিভাইভাল (এলএইচএআর) কমিটি গত ১৬ মার্চ লাহোরের বেশ কয়েকটি রাস্তা, বাজার ও এলাকার ঐতিহাসিক নাম পুনরুদ্ধারের প্রস্তাব অনুমোদন করে। শহরের বাস্তুগত ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে তাতে বাধ সাধে বহু সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার সহ কট্টরপন্থীরা।
দেশভাগের আগে লাহোরের বহু জায়গার নাম হিন্দু-শিখ নাম কিম্বা ব্রিটিশ নাম থেকে রাখা হয়েছিল। সেই নাম ধরেই পাক পঞ্জাবের রাজধানী শহরের ন’টি নাম সরকারি নথিতে পরিবর্তিত হয়েও গিয়েছিল, বলে মিডিয়া রিপোর্টের দাবি। অনুমোদনও এসেছিল বলে খবর। প্রস্তাব অনুযায়ী, ফাতিমা জিন্নাহ রোড পুনরায় কুইন্স রোডে পরিণত হবে এবং আল্লামা ইকবাল রোড আবার জেল রোড হয়ে যাবে। একইভাবে, দেশভাগের পর কৃষ্ণনগর থেকে নাম পরিবর্তন করে ইসলামপুরা রাখা হলেও, সেটির আসল নাম ফিরে পাওয়ার কথা ছিল, এবং মাওলানা জাফর আলি খান চকের নাম পরিবর্তন করে পুনরায় লক্ষ্মী চক রাখার প্রস্তাব করা হয়েছিল। অন্যান্য পরিকল্পিত প্রত্যাবর্তনের মধ্যে ছিল মুস্তাফাবাদকে ধরমপুরা, হামিদ নিজামি রোডকে টেম্পল স্ট্রিট এবং বাবরি মসজিদ চক-কে জৈন মন্দির রোড হিসেবে পুনরুদ্ধার করা।
এদিকে, পাকিস্তানি সংবাদপত্র ‘দ্য ডন’র রিপোর্ট বলছে, ভ্লগারসহ কিছু চরমপন্থী গোষ্ঠী এই সিদ্ধান্তকে ধর্মীয় রঙ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মরিয়মের সমালোচনা করেছে। এক নিউজ এজেন্সির খবর অনুযায়ী,' সমালোচকরা সরকারের সিদ্ধান্তকে ধর্মীয় রঙ দেওয়ায়, মরিয়ম নওয়াজ প্রশাসন পিছু হটেছে এবং তীব্র প্রতিক্রিয়া এড়াতে সিদ্ধান্তটি স্থগিত করেছে।' সোমবার পাকিস্তানি দৈনিক ডন-এর এক প্রশ্নের জবাবে লাহোরের ডেপুটি কমিশনার ক্যাপ্টেন (অবসরপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ আলি ইজাজ পত্রিকাটিকে বলেন, ‘এখনও পর্যন্ত এ ধরনের কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।’
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


