Women Helpline Number and Cyber Desk: দরকারে কোন হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করবেন মহিলারা? কোথায় কনটেন্ট সরানোর আবেদন হবে?
Women Helpline Number and Cyber Desk: নারী সুরক্ষায় এবং সাইবার অপরাধ রুখতে বড়সড় পদক্ষেপ করল শুভেন্দু অধিকারী সরকার। মহিলাদের জন্য হেল্পলাইন নম্বর থাকছে। মহিলা হেল্পডেস্ক চালু করা হল। চালু করা হল সাইবার হেল্পডেস্ক।
Women Helpline Number and Cyber Desk: রাজ্যের সব থানায় মহিলা হেল্পডেস্ক চালু করা হল। মহিলাদের সুরক্ষার জন্য চালু করা হল বিশেষ হেল্পলাইন নম্বর ১১২ (112)। সেইসঙ্গে সাইবার অপরাধ রুখতেও রাজ্যের ৫০০টি থানায় বিশেষ হেল্পডেস্ক চালু করা হচ্ছে। সাইবার অপরাধ রুখতেই সেই সাইবার হেল্পডেস্ক কাজ করবে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সামনেই রাজ্য পুলিশের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে মহিলা হেল্পডেস্ক হোক বা সাইবার হেল্পডেস্ক - অভিযোগ করলই দ্রুত পদক্ষেপ করা হবে। ‘গোল্ডেন আওয়ারেই’ সমস্যার সমাধান করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে পুলিশ।

সাইবার হেল্পডেস্কে কী কী অভিযোগ জানানো হবে?
১) রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা জানিয়েছেন, সাইবার অপরাধের শিকার হলে কী করতে হবে, কীভাবে সাইবার অপরাধের জাল থেকে রেহাই পাওয়া যাবে, তা নিয়ে অনেকের মধ্যেই স্পষ্ট ধারণা নেই। সেইসব সমস্যা সমাধানের জন্য আজ থেকে রাজ্যের ৫০০টি থানায় সাইবার হেল্পডেস্ক চালু করা হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টাই খোলা থাকবে সেই সাইবার হেল্পডেস্ক।
২) ডিজিপি জানিয়েছেন, সাইবার অপরাধের ক্ষেত্রে সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যত তাড়াতাড়ি অভিযোগ করা যাবে, তত সমাধানের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে। অভিযোগ দায়েরের সঙ্গে-সঙ্গেই পদক্ষেপ করবে পুলিশ।
৩) সাইবার হেল্পডেস্কে আর্থিক জালিয়াতি এবং আর্থিক তছরূপের মতো বিভিন্ন অভিযোগ জানানো যাবে। সেইসঙ্গে বেআইনি কনটেন্ট সরানোর আবেদনও করা যাবে বলে জানিয়েছেন রাজ্য পুলিশের ডিজি।
৪) 1930 নম্বরে ফোন করা যাবে।
৫) মহিলা এবং শিশুদের বিরুদ্ধে অনলাইনে যে অপরাধ ঘটে, তা নিয়েও ব্যবস্থা করা হবে।
রাজ্যের সব থানায় মহিলা হেল্পডেস্ক
১) রাজ্য পুলিশের ডিজি জানিয়েছেন, মহিলা হেল্পডেস্কের কাছে দায়িত্বে থাকবেন বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত মহিলা পুলিশ অফিসাররা।
২) তিনি জানিয়েছেন, প্রত্যেক পুরসভা এলাকায় চালু করা হচ্ছে দুর্গা সুরক্ষা স্কোয়াড। বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত মহিলা পুলিশ অফিসাররা সেই স্কোয়াড থাকছেন। পথেঘাটে টহলদারি চালাবে। সেজন্য রাজ্য সরকারের তরফে বাইক দেওয়া হয়েছে।
পুলিশের পরিকাঠামো উন্নয়নে জোর রাজ্যের
সেইসঙ্গে রাজ্য পুলিশের ডিজি জানিয়েছেন, পুলিশের পরিকাঠামো উন্নয়নের উপরে জোর দেওয়া হয়েছে। সেজন্য বারাসত, বসিরহাট এবং বনগাঁও পুলিশ জেলার হাতে দেওয়া হয়েছে ১০টি অত্যাধুনিক ট্রুপ ক্যারিয়ার ভেহিকেল। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য ২০টি রিয়েল টাইম অডিয়ো ট্রান্সমিটার সিস্টেম দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজ্য পুলিশের ডিজি।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


