কালোতে ঝলমলে, ভালোবাসায় মাখামাখি! বিয়ের বাকি ৪ দিন, মোমের আলোয় রোম্যান্টিক ডিনারে রণজয়-শ্যামৌপ্তি
১৪ ফেব্রুয়ারি প্রেমদিবসের দিন সাতপাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন টলিপাড়ার মোস্ট টকড কাপল রণজয় বিষ্ণু আর শ্যামৌপ্তি মুদলি। তাঁর আগে দুজনকে দেখা গেল ক্যান্ডেল লাইট ডিনারে।
আর মাত্র ৪ দিন। ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রেমদিবসের দিন সাতপাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন রণজয় বিষ্ণু ও শ্যামৌপ্তি মুদলি। এতদিন জমিয়ে আইবুড়োভাত খেয়েছেন জুটিতে। কখনো পাতে চিকেন, কখনো চিংড়ি, কখনো আবার পোলাও। তবে এবার দুজনে সময় কাটালেন একান্তে। মোমবাতির আলোয় জমে উঠল সম্পর্কের রসায়ন।

রণজয় আর শ্যামৌপ্তির বেশ কিছু ছবি ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়াতে। যেখানে কালো পোশাকে দেখা গেল দুই তারকাকে। কালো রঙের গাউন পরেছিলেন শ্যামৌপ্তি। হাই স্লিট, ওয়ান শোল্ডার গাউনে অভিনেত্রীর থেকে চোখ ফেরানোই দায়।
আর হবু বউয়ের সঙ্গে ম্যাচিং পোশাকে সাজুগুজু করেছিলেন রণজয় নিজেও। সাদা টি শার্ট আর কালো জ্যাকেটে দেখা গেল তাঁকে। সঙ্গে আবার কালো ফ্রেমের চশমা। এক বুটিক রেস্তোরাঁয় দেখা মিলল তাঁদের। প্রেমের সপ্তাহে যা সাজান ছিল লাল রঙের বেলুনে। একদম আলাদা করেই হয়েছিল দুই তারকার বসার আয়োজন। চামচে করে শ্যামৌপ্তিকে ডেজার্ট খাইয়ে দিলেন রণজয়। দেখুন ছবি-
১৪ ফেব্রুয়ারি বিয়ে করবেন, আর ওইদিনই রিসেপশন। খুব বেশি তামঝাম করতে আসলে রাজি নন কেউই। কাছের বন্ধুবান্ধব আর পরিবারকে নিয়েই সবটা। তবে খবর, গোটা বিবাহ আসর জুড়ে নাকি থাকবে চমকের ওপর চমক!
আরও পড়ুন: মাত্র ১৬ বছরে বিয়ে, ১৮ হওয়ার আগেই মা হন! টলিউডের এই সুপার হট নায়িকাকে চিনলেন?


জানা গিয়েছে যে, বিয়ের আসর সেজে উঠবে একেবারে ৭০-৮০-র দশকের থিমে। হাতপাখা, পেঁচার মতো জিনিস ব্যবহার করা হবে মণ্ডপ সজ্জাতে। তবে আধুনিকতার ছোঁয়া রাখতেও ভোলেননি। বিয়েতে আসা অতিথিদের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে একটি সেলফি জোন। সেখানে নাকি পুরো কলকাতাকেই তুলে ধরা হবে। রাস্তার নিয়ন আলো, খড়খড়ি দেওয়া জানলা, পুরনো দিনের বেঞ্চ… অর্থাৎ সব মিলিয়ে রণজয় আর শ্যামৌপ্তির বিয়ের মণ্ডপ নিয়ে যাবে সেই ফেলে আসা দিনে।
শুধু মণ্ডপসজ্জা নয়, সাজপোশাক আর খাওয়াদাওয়াও হচ্ছে নিখাদ বাঙালিয়ানাতে। বিয়ের দিন ধুতি পাঞ্জাবি পরবে বর, আর শ্যামৌপ্তি শাড়ি। কনের গায়ে লাল, বরের গায়ে সাদা।
গুড্ডি ধারাবাহিকে কাজ করার সময় রণজয় আর শ্যামৌপ্তি একে-অপরের প্রেমে পড়ে। যদিও প্রথমদিকে দুজনে ব্যাপারটা গোপনই রেখেছিলেন। বয়সে শ্যামৌপ্তির থেকে বেশ খানিকটা বড় রণজয়। যদিও হবু কনের মত, এই বয়সের ফারাকই তাঁদের সম্পর্কের ভিতকে জবুত করেছে। আক রণজয় তো বলেই দিয়েছেন, তাঁরা একে-অপরের ভীষণ ভালো বন্ধু। আর শ্যামৌপ্তি তাঁর কমফোর্ট জোন।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper











