SC verdict on SIR process: নির্ভুল ভোটার তালিকার জন্য SIR জরুরি, কমিশনের সেই অধিকার আছে, বলল সুপ্রিম কোর্ট
SC verdict on SIR process: বিহারে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (এসআইআর) মামলার রায়দান করল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত জানাল, ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (এসআইআর) চালানোর অধিকার আছে নির্বাচন কমিশনের।
SC verdict on SIR process: ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (এসআইআর) চালানোর অধিকার আছে নির্বাচন কমিশনের। জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। বিহারে বিধানসভা নির্বাচনের আগে কমিশন যে এসআইআর করেছিল, তার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে একগুচ্ছ পিটিশন দায়ের করা হয়েছিল। গত জানুয়ারিতে সেই মামলার রায়দান স্থগিত রাখা হয়েছিল। আজ রায়দানের সময় ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকন্তের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, সাংবিধানিক কাঠামো এবং জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের অধীনে এসআইআর করার অধিকায় আছে কমিশনের। যা নির্ভুল ভোটার তালিকার লক্ষ্যে একটি পদক্ষেপ। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যে সাংবিধানিক লক্ষ্য আছে, তার সঙ্গে এসআইআরের সরাসরি যোগ আছে বলেও মন্তব্য করেছে শীর্ষ আদালত।

SIR মামলায় সুপ্রিম কোর্ট কী কী বলল?
১) সুপ্রিম কোর্ট: আমাদের মতে, এসআইআর জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের বিরোধী নয়। বরং, ২১ (৩) ধারা প্রদত্ত সুনির্দিষ্ট বিধিবদ্ধ কাঠামোর মধ্যে ৩২৪ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে সাংবিধানিক নির্দেশকে কার্যকর করে। সুতরাং এটা বলা যায় না যে কমিশন নিজের বিধিবদ্ধ ক্ষমতার বাইরে গিয়ে কোনও কাজ করেছে।
২) সুপ্রিম কোর্ট মন্তব্য করেছে, প্রাথমিকভাবে এসআইআর প্রক্রিয়াকে বর্জনমূলক বলে মনে হতে পারে। কিন্তু উপযুক্ত পদক্ষেপের মাধ্যমে সেই প্রক্রিয়াকে সাংবিধানিকভাবে সঙ্গতিপূর্ণ করে তোলা সম্ভব।
৩) শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন করা শুধুমাত্র ভোটের প্রক্রিয়ার উপরে নির্ভর করে না; বরং ভোটার তালিকার নির্ভুলতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতার উপরে নির্ভর করে থাকে।
বিহারে SIR, কমিশনের যুক্তি, আবেদনকারীদের সওয়াল
উল্লেখ্য, বিহারে প্রথম দফায় এসআইআর করা হয়। এসআইআরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যে সকল ভোটার ২০০২ বা ২০০৩ সালের ভোটার তালিকায় ছিলেন না, তাঁদেরকে তৎকালীন তালিকায় থাকা কোনও ব্যক্তির সঙ্গে পূর্বপুরুষের যোগসূত্র প্রমাণ করতে হত। এসআইআরের পক্ষে যুক্তি দিয়ে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছিল যে আধার এবং ভোটার পরিচয়পত্রকে নাগরিকত্বের চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে গণ্য করা যায় না।
যদিও আবেদনকারীরা অভিযোগ করেন যে ভোটার তালিকা সংশোধন একটি ‘এনআরসি-সদৃশ প্রক্রিয়া’। যেখানে নির্বাচন কমিশন নাগরিকত্ব যাচাই করছে। যে ক্ষমতা আদতে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে ন্যস্ত বলে দাবি করা হয় আবেদনকারীদের তরফে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


