Mahua Moitra on Suvendu Adhikari: 'পুরো রাত কেঁদেছিলাম', পাশে শুধু শুভেন্দু ছিলেন, পুরনো কথা ফাঁস করলেন মহুয়া
Mahua Moitra on Suvendu Adhikari: শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন মহুয়া মৈত্র। একটা সময় মহুয়া এবং শুভেন্দু দু'জনেই তৃণমূল কংগ্রেসে ছিলেন। এখন শুভেন্দু বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী।
Mahua Moitra on Suvendu Adhikari: বিদ্রোহী সাংসদদের নিশানা করার মধ্যেই শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ব্যক্তিগত রসায়ন নিয়ে মুখ খুললেন মহুয়া মৈত্র। তিনি দাবি করলেন, যখন তাঁরা দু'জনেই তৃণমূল কংগ্রেসে ছিলেন, তখন খুব ভালো সম্পর্ক ছিল। করিমপুরে যখন বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করেছিলেন, তখন তাঁর হয়ে প্রথম প্রচার করতে গিয়েছিলেন শুভেন্দুই। এমনকী লোকসভা নির্বাচনে টিকিট না পাওয়ার পরে হতাশ হয়ে যখন রাতভর কেঁদেছিলেন, তখন শুভেন্দু তাঁর পাশে ছিলেন বলে জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া। কিছুটা আবেগেও ভেসে যান।

কেউ ছিল না, ছিলেন শুধু শুভেন্দু, দাবি মহুয়ার
সংবাদমাধ্যম বিবিসি হিন্দির সাক্ষাৎকারে কৃষ্ণনগরের সাংসদ বলেন, ‘শুভেন্দু আমার খুব ভালো বন্ধু। আমরা যখন একসঙ্গে দলে (তৃণমূল) ছিলাম, তখন উনি আমায় অনেক সাহায্য করেছেন। আমি যখন প্রথম করিমপুরে লড়াই করেছিলাম, তখন কেউ আসেননি। আমার জন্য প্রচার করতে কেউ আসেননি। প্রথম মিছিল করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এখনও ছবি দেখুন, শুভেন্দু আর আমি একা ছিলাম।'
‘পুরো রাত কেঁদেছিলাম….', পুরনো কথা মনে করলেন মহুয়া
মহুয়া আরও বলেন, ‘আমার পতাকার দরকার ছিল। আমায় শুভেন্দু পাঠাতেন। ২০১৪ সালে আমার লোকসভার টিকিট পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পাইনি। পুরো রাত কেঁদেছিলাম। তখন শুভেন্দু বলেছিলেন, না বোন, তোমার সঙ্গে আছি আমি।’ সেইসঙ্গে কৃষ্ণনগরের সাংসদ দাবি করেন, শুভেন্দু বিজেপিতে চলে গেলেও একটা ব্যক্তিগত ’কানেকশন' আছে।
শুভেন্দুকে হঠাৎ ধন্যবাদ জানালেন কেন মহুয়া?
আর বিজেপির সেই শুভেন্দুকেও একটি ধন্যবাদ জানিয়েছেন মহুয়া। আসলে একটা সময় যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ ছিলেন, তাঁরা বিদ্রোহী শিবিরে নাম লিখিয়েছেন। যে তালিকায় আছেন ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাসের মতো নেতারা। মহুয়া দাবি করেছেন, মমতা যে কাজটা পারেননি, সেই কাজটা একদিনেই শুভেন্দু এবং বিজেপির নেতারা করে দিয়েছেন। তাঁরা তৃণমূলের শুদ্ধিকরণ করে দিয়েছেন বলে দাবি করেন মহুয়া।
তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক কর্মীকে বলছি, তাঁদের যেতে দিন। আমরাও তো নিতাম। মনে আছে, সিপিআইএম থেকে কত সদস্য যোগ দিতেন? যখন যোগ দিতেন, তখন দেখতাম ওই বুথে হেরে গিয়েছি। কারণ সদস্য আসত। কিন্তু ভোটার আসত না। ঠিক এই জিনিসটাই হয়েছে। যেতে দিন এই নির্বাচিত সদস্যদের। এরা একটাও নিজের জন্য জেতেনি। প্রত্যেকে দলের প্রতীক ও কর্মীদের জন্য জিতেছিল।'
সেইসঙ্গে কৃষ্ণনগরের সাংসদ বলেন, 'যে শুদ্ধিকরণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভালোবাসার জন্য এতদিন ধরে করতে পারেননি, যে ববি (ফিরহাদ হাকিম), যে অরূপকে (অরূপ বিশ্বাস) তিনি এতদিন ঝেড়ে মুছে সাফ করতে পারেননি, একদিনে শুভেন্দু অধিকারী আর বিজেপি এসে করে দিয়েছে। আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


