Argentina vs Egypt FIFA World Cup 2026: হাউহাউ করে কাঁদলেন মেসি, ২৫৯ সেকেন্ডেই আর্জেন্টিনার ‘বগা’ ভাঙলেন মিশরের স্বপ্ন
Argentina vs Egypt FIFA World Cup 2026: মিশরকে হারিয়ে কেঁদে ফেললেন লিওনেল মেসি। ফুটবল বিশ্বকাপের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে কার্যত ছিটকে যাওয়ার পথে ছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু ৪ মিনিট ১৯ সেকেন্ডের স্পেলে মেসি আগুন ঝরালেন। তারপর জয়সূচক গোল করলেন এনজো।
Argentina vs Egypt FIFA World Cup 2026: নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ হওয়ার ১১ মিনিট আগে পর্যন্ত ২-০ গোলে জিতছিল মিশর। সেখান থেকে ১৩ মিনিট ১৫ সেকেন্ডে তিন গোল করে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেলেন লিওনেল মেসিরা। আর সেই মিশর রহস্য ভেদ করার সুবাদে ০-২ গোলে পিছিয়ে থেকেও বিশ্বকাপে প্রথমবার জয়ের নজির গড়ল আর্জেন্টিনা। তারপর হাউহাউ করে কেঁদে ফেললেন মেসি। শেষ বাঁশি বাজতেই নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারেননি ফুটবলের রাজপুত্র। যিনি ইতিমধ্যে বিশ্বকাপ জিতেছেন, জিতে ফেলেছেন ফুটবলের প্রায় সবকিছু, সেই মানুষটার চোখে যখন এরকম একটা ম্যাচের শেষে জল দেখা যায়, তা থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায় যে খেলাটা তাঁর রক্তে, তাঁর শিরায়, তাঁর রন্ধ্রে-রন্ধ্রে।

আমেরিকায় উপাখ্যান লিখতে বসেছিল মিশর
অথচ মঙ্গলবার আটলান্টায় মিশর রহস্যের উপাখ্যান লিখতে বসেছিলেন মহম্মদ সালারা। কেপ ভার্দে যেমন ডিফেন্ডিং বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে ভয়ে গুটিয়ে যায়নি, সেরকমভাবেই অকুতোভয় হয়ে প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচটা শুরু করে মিশর। প্রথম থেকেই আর্জেন্টিনাকে চাপে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করে দিতে থাকে। সেটার ফলও মেলে ১৫ মিনিটে। ইয়াসির ইব্রাহিমের দুর্দান্ত হেডে এগিয়ে যায় মিশরে।
মেসির পেনাল্টি মিস- ‘বগা বাইরে মার, বাইরে মার’
কিছুক্ষণ পরেই অবশ্য সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ পেয়ে যায় আর্জেন্টিনা। কিন্তু মেসি পেনাল্টি ফস্কে ফেলেন। আর সেটা দেখে যেন মনে হচ্ছে, মেসি পৃথিবীর মানুষকে সুযোগ দিচ্ছেন। বোঝাচ্ছেন যে তিনিও মানুষ। অনেকে তো আবার মজা সেই ‘ধন্যি মেয়ে’ সিনেমার সংলাপের কথা বলছেন - ‘বগা বাইরে মার, বাইরে মার। আমরা পেনাল্টি থেকে গোল করি না।’
আরও পড়ুন: FIFA wishes Dhoni on his birthday: ধোনির 'প্রভাব' কাটাতে পারলেন না মেসি, এমবাপে, হালান্ডরাও!
প্রথমে অ্যাসিস্ট, তারপর গোল- মেসি হলেন ফুটবলের ‘ভগবান’
যদিও একটা সময় আর্জেন্টিনার ফ্যানদের রক্তচাপ বাড়িয়ে দিয়েছিল মেসির সেই পেনাল্টি মিস। বিশেষত ৬৭ মিনিটে মোস্তাফা জিকোর গোলের পরে প্রবল চাপে পড়ে গিয়েছিল আর্জেন্টিনা। সেখান থেকে চার মিনিট ১৯ সেকেন্ডের স্পেলে খেলা ঘোরান মেসি। প্রথমে তাঁর অ্যাসিস্ট থেকে ৭৯ মিনিটে আর্জেন্টিনার প্রথম গোল করেন ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো। আর ৮৩ মিনিটে নিজে গোল করে সমতায় ফেরান মেসি।
তারপর অতিরিক্ত সময়ের তিন মিনিটে গোল করে আর্জেন্তিনাকে খাদের কিনারা থেকে তুলে এনে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নিয়ে যান এনজো। কোয়ার্টার ফাইনালে কাদের বিরুদ্ধে খেলতে হবে মেসিদের, তা এখনও নিশ্চিত নয়। ভ্যাঙ্কুভারে কলম্বিয়া এবং সুইৎজারল্যান্ড ম্যাচের জয়ী দলের বিরুদ্ধে নামবে আর্জেন্টিনা।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


