Kalighat TMC files complaint: বিচার চেয়ে শুভেন্দুর পুলিশের দ্বারস্থ হলেন মমতারা!
Kalighat TMC files complaint: বিচার চেয়ে শুভেন্দু অধিকারীর পুলিশের দ্বারস্থ হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের মেগা বৈঠকের দিনই সেই অভিযোগ দায়ের করা হল নিউ টাউন থানায়।
Kalighat TMC files complaint: তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীক 'জাল' করার অভিযোগে পুলিশের দ্বারস্থ হল কালীঘাট। শনিবার কালীঘাট তৃণমূলের তরফে দোলা সেনা নিউ টাউন থানায় সেই অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগপত্রে তিনি দাবি করেছেন, তৃণমূলের প্রতীক জাল করা হচ্ছে। জালিয়াতি করে ব্যবহার করা হচ্ছে তৃণমূলের নামও। সেই পরিস্থিতিতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৭৩ নম্বর ধারার আওতায় উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন দোলা। কার বা কাদের বিরুদ্ধে সেই অভিযোগ করছেন, তা অবশ্য জানাননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের তৃণমূল নেত্রী। তবে তাঁদের নিশানায় যে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিদ্রোহী বিধায়ক এবং নেতারা রয়েছেন, তা নিয়ে কারও সন্দেহ নেই রাজনৈতিক মহলের।

ঋতব্রত শিবিরের মেগা বৈঠকের দিনই অভিযোগ
শনিবারই তপসিয়ার ব্যাঙ্কোয়েটে কলকাতার বিদ্রোহী প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলরদের নিয়ে ঋতব্রত শিবির একটি বৈঠকের আয়োজন করা হয়। তাতে হাজির ছিলেন কমপক্ষে চার বিদ্রোহী বিধায়ক এবং প্রায় ৫০ জন প্রাক্তন কাউন্সিলর। ওই ব্যাঙ্কোয়েটের বাইরে যে বোর্ড লাগানো ছিল, তাতে বড়-বড় করে 'অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস' বা ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ লেখা ছিল।
এমনকী 'সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন' হিসেবে একুশে জুলাইয়ের সভার জন্য কলকাতা পুলিশকে চিঠিও লিখেছেন বিদ্রোহী বিধায়ক অরূপ রায়। যে প্যাডে চিঠি লিখেছেন, তার উপরে লেখা আছে 'অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস, অফিস: ২০৩১ রাজডাঙা মেন রোড, জিএ ১২৪, দ্বিতীয় তল, কলকাতা- ৭০০১০৭।'
একুশে জুলাইয়ের সভা হবেই, দাবি মমতা-পন্থীদের
সেই বৈঠকের মধ্যেই শুভেন্দু অধিকারীর পুলিশের দ্বারস্থ হল মমতা-পন্থী কালীঘাট তৃণমূল। যে তৃণমূল শিবিরের তরফেও একুশে জুলাইয়ের জন্য পুলিশকে চিঠি লেখা হয়েছে। কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র বলেছেন, ‘-প্রশাসনের বাধা থাকলেও ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচি হবেই। মঞ্চ করার অনুমতি না মিললেও প্রয়োজনে একটি জিপসিতে দাঁড়িয়ে মাইক্রোফোনে সভা করা হবে, কিন্তু অনুষ্ঠান বাতিল হবে না। প্রশাসন ট্রেন, বাস বা অন্যান্য পরিবহণে বাধা দিয়ে কর্মীদের আসা আটকানোর চেষ্টা করতে পারে। তবুও ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচি যে কোনও পরিস্থিতিতেই হবে। তৃণমূলের সভা আটকানো হলেও অন্য রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি নির্বিঘ্নে হচ্ছে, তৃণমূল কর্মীদের অন্য বিরোধী দলে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা চলছে, কিন্তু সেই চেষ্টা সফল হবে না।’
বিদ্রোহীদের নিশানা মহুয়ার
সেইসঙ্গে বিদ্রোহীদের নিশানা করে মহুয়া বলেন, ‘বিদ্রোহী বিধায়করা রাজনৈতিক লড়াইয়ের বদলে আইনি ও সাংগঠনিক জটিলতা নিয়েই বেশি ব্যস্ত। তৃণমূলের প্রতীক তৈরি করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে। মানুষ কোনও ব্যক্তিকে নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বকে সমর্থন করে ভোট দিয়েছেন। তাই তিনি যে প্রতীকেই লড়ুন না কেন, মানুষ সেই প্রতীককেই ভোট দেবেন। আর আজ কাউন্সিলরদের নিয়ে যে বৈঠক হচ্ছে, মেয়রের পদত্যাগ এবং নির্বাচিত বোর্ড ভেঙে যাওয়ার পর বর্তমান আইনি কাঠামো অনুযায়ী কোনও কাউন্সিলরই এখন আর পদে নেই।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


