Trump's threat over Strait of Hormuz: ৪৮ ঘণ্টা……! হরমুজ না খুললে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র নিশ্চিহ্ন করব, হুংকার ট্রাম্পের
হরমুজ প্রণালী নিয়ে ইরানকে হুমকি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন যে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালী খুলে না দিলে ইরানের বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালানো হবে। আর সেগুলিকে নিশ্চিহ্ন করে দেবে আমেরিকা।
হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার জন্য ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যিনি ২৪ ঘণ্টা আগেই কার্যত বলেছিলেন যে হরমুজ প্রণালী নিয়ে আমেরিকার তেমন মাথাব্যথা নেই, সেই মার্কিন প্রেসিডেন্ড ট্রাম্পই রবিবার (ভারতীয় সময় অনুযায়ী) হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ‘কোনওরকম হুমকি ছাড়াই যদি ইরান ঠিক এই মুহূর্ত থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি খুলে না দেয়, তাহলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ওদের বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রে আঘাত হেনে সেগুলিকে পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করে দেবে। যার শুরুটা হবে সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র (রিপোর্ট অনুযায়ী, কাস্পিয়ান সাগরের তীরে অবস্থিত শহিদ সালিমি নেকা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র আপাতত) দিয়ে। এই বিষয়ে আপনাদের মনোযোগের জন্য ধন্যবাদ।’

ভারতীয় জাহাজকে হরমুজ পেরনোর রাস্তা দেখিয়েছিল ইরান, দাবি রিপোর্টে
তারইমধ্যে একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে গত সপ্তাহে জ্বালানি-ভরতি একটি ভারতীয় ট্যাঙ্কারকে হরমুজ প্রণালী পেরোতে সাহায্য করেছিল ইরানের নৌসেনা। সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম ব্লুবমবার্গের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নয়াদিল্লি এবং তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক স্তরে আলোচনার পর একটি পূর্ব-নির্ধারিত পথ দিয়ে ভারতের এলপিজি জাহাজ হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে যেতে দেওয়া হয়।
রিপোর্টে আর কী কী দাবি করা হয়েছে?
ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, একটি জাহাজের এক সদস্য জানিয়েছেন যে হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার সময় ইরানের নৌসেনার সঙ্গে রেডিয়োর মাধ্যমে যোগাযোগ ছিল। ওই জাহাজে কোন পতাকা লাগানো আছে, নাম, কোথা থেকে রওনা দিয়েছে, কোন বন্দরে যাচ্ছে, সদস্যরা কোন দেশের নাগরিক (সকলেই ভারতীয় ছিলেন) - সেই সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করেছিল ইরানের নৌসেনা। আর তারপর ওই ভারতীয় জাহাজকে নির্ধারিত পথ দিয়ে ইরান হরমুজ প্রণালী পার করে সহায়তা করেছিল বলে এক সদস্যকে উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
হরমুজের অপর প্রান্তে ছিল ভারতীয় নৌসেনা, দাবি রিপোর্টে
সেইসঙ্গে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ওই সদস্য জানিয়েছেন যে হরমুজ প্রণালীর অপর প্রান্তে তাদের জাহাজের জন্য অপেক্ষা করছিল ভারতীয় নৌসেনার জাহাজ। সাধারণত যে উচ্চতায় ভারতের পতাকা ওড়ে, তার থেকে উঁচুতে ছিল। তারপর ভারতীয় সীমায় সেই জ্বালানি-ভরতি জাহাজ ঢুকে পড়েছিল। যদিও বিষয়টি নিয়ে আপাতত ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রক বা ইরানের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি বলে ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


