...
...
Next Story

Balagarh Mini Port: বলাগড়ে মিনি বন্দরের পরিকল্পনা, কর্মসংস্থান ও উন্নয়নের আশায় নতুন স্বপ্ন হুগলিতে

বলাগড়ের শ্রীপুর চরকে কেন্দ্র করেই এই বন্দরের পরিকল্পনা এগোচ্ছে। ১৯৯৬ সালে বামফ্রন্ট সরকারের আমলে সিইএসসি একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্দেশ্যে প্রায় ১১০০ একর জমি অধিগ্রহণ করেছিল। সেই প্রকল্পকে ঘিরে রাস্তা ও সেতু নির্মাণের কাজও শুরু হয়েছিল।

Published on: Jun 09, 2026 11:49 AM IST
Advertisement

কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দরের উপর ক্রমবর্ধমান চাপ কমাতে হুগলির বলাগড়ে একটি ‘মিনি বন্দর’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সূত্রের খবর, প্রস্তাবিত এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এলাকার অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষ করে স্থানীয়দের কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলেই মনে করছেন বাসিন্দারা।

হুগলির বলাগড়ে একটি ‘মিনি বন্দর’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার
হুগলির বলাগড়ে একটি ‘মিনি বন্দর’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার

বলাগড়ের শ্রীপুর চরকে কেন্দ্র করেই এই বন্দরের পরিকল্পনা এগোচ্ছে। ১৯৯৬ সালে বামফ্রন্ট সরকারের আমলে সিইএসসি একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্দেশ্যে প্রায় ১১০০ একর জমি অধিগ্রহণ করেছিল। সেই প্রকল্পকে ঘিরে রাস্তা ও সেতু নির্মাণের কাজও শুরু হয়েছিল। কিন্তু ২০০০ সালের ভয়াবহ বন্যায় সেই পরিকাঠামোর বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং পরে বিদ্যুৎ প্রকল্পটি বাতিল হয়ে যায়। তারপর থেকে দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর ধরে এলাকা কার্যত অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

প্রস্তাবিত বন্দরের জন্য শ্রীপুর চরকে উপযুক্ত বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, এই অঞ্চলে গঙ্গার স্বাভাবিক ভৌগোলিক গঠন বন্দর নির্মাণের পক্ষে সহায়ক। গঙ্গার একটি অর্ধচন্দ্রাকৃতি খাড়ি পূর্ব দিক থেকে পশ্চিমে প্রবাহিত হয়ে আবার মূল নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে। সেই খাড়ির মাঝখানে অবস্থিত চর এলাকায় বন্দর তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের মতে, বন্দর গড়ে উঠলে এলাকার আর্থিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাবে, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে এবং বহু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি দীর্ঘদিনের গঙ্গাভাঙন সমস্যারও সমাধান হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অনেকে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe