এসআইআর নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। এরই মাঝে বিজেপিকে অস্বস্তি ফেলে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজ। দিনহাটায় সিতাইয়ে অনুগামীদের জন্য আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অনন্ত রায় বলেন, 'যারা চেয়ারে বসে রয়েছে, তারা আমাদের থেকে কাগজ দেখতে চাইছেন। আমরা কোন দেশি তা কে প্রমাণ করবে, যাদের হাতে খাতাকলম, তারাই পাকিস্তানি অথবা বাংলাদেশি। তাহলে আমরা কাগজ কাকে দেখাব?'

গ্রেটার নেতা তথা রাজ্যসভার সাংসদ নিজের অনুগামীদের উদ্দেশে বলেন, 'কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন, ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠানো হবে। তারপর প্রমাণ হবে তোমরা কোন দেশ থেকে এসেছ। ভোটার তালিকায় যদি নাম না ওঠে, তাহলে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হবে। কোনও সরকারি সুবিধাও পাওয়া যাবে না।' তাঁর এই মন্তব্যে রাজবংশীদের মধ্যে এসআইআর নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, বিজেপির টিকিটে রাজ্যসভার সাংসদ হলেও প্রথম থেকেই 'বিদ্রোহী' ছিলেন অনন্ত মহারাজ। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময়ও তাঁর গলায় শোনা গিয়েছিল বিদ্রোহী সুর। এই আবহে কোচবিহারের আসনটি হারাতে হয়েছিল বিজেপিকে। যে নিশীথ প্রামাণিকের হাত ধরে অনন্ত মহারাজ বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন, সেই নিশীথের হারের নেপথ্যে অনন্ত রায়ের ‘হাত’ থাকতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছিল। আর ২০২৪ সালের শেষের দিকে সিতাই বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রার্থী বাছাই নিয়েও উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন অনন্ত।
এদিকে মাঝে মাঝেই বাংলা ভেঙে পৃথক রাজ্যের দাবিতে সরব হন গ্রেটার নেতা অনন্ত রায়। অনন্ত মহারাজের দাবি, পশ্চিমবঙ্গ ও অসমে কোচবিহারের অন্তর্ভুক্তি বেআইনি, অসাংবিধানিক। এই নিয়ে বিজেপি অবশ্য তাঁর পাশে নেই। এর আগে আবার এক সন্ন্যাসীকে মারধর করার ঘটনাতেও বিতর্কে জড়িয়েছিলেন অনন্ত মহারাজ। এই আবহে এখনও বিজেপির সাংসদ থাকলেও দলের সঙ্গে কার্যত তাঁর সেই অর্থে কোনও যোগ আর নেই।
{{/usCountry}}এদিকে মাঝে মাঝেই বাংলা ভেঙে পৃথক রাজ্যের দাবিতে সরব হন গ্রেটার নেতা অনন্ত রায়। অনন্ত মহারাজের দাবি, পশ্চিমবঙ্গ ও অসমে কোচবিহারের অন্তর্ভুক্তি বেআইনি, অসাংবিধানিক। এই নিয়ে বিজেপি অবশ্য তাঁর পাশে নেই। এর আগে আবার এক সন্ন্যাসীকে মারধর করার ঘটনাতেও বিতর্কে জড়িয়েছিলেন অনন্ত মহারাজ। এই আবহে এখনও বিজেপির সাংসদ থাকলেও দলের সঙ্গে কার্যত তাঁর সেই অর্থে কোনও যোগ আর নেই।
{{/usCountry}}