গ্রীষ্মের ছুটি শেষে প্রথম শ্রেণীর ওই পড়ুয়াকে প্রথম তার হস্টেলে রেখে আসেন বাবা। রাত পার হতেই এল মেয়ের নৃশংস হত্যার খবর। ঘটনা কৃষ্ণনগরের। নদিয়ার কৃষ্ণনগরে বালিকা বিদ্যালয়ের হস্টেলে এই নৃশংস খুনের ঘটনায় বেশ চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই ঘটনার পর দুই নবম শ্রেণির ছাত্রীকে আটক করেছে পুলিশ। তারা প্রাথমিক জেরায় দোষ স্বীকার করেছে বলে জানা গিয়েছে।

জানা গিয়েছে, ওই বালিকা বিদ্যালয়ের হস্টেল থেকে ওই প্রথম শ্রেণির ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার ভোরে ৭ বছরের ওই প্রথম শ্রেণির ছাত্রীর দেহ উদ্ধার হয় হস্টেলের শৌচাগার থেকে। খবর পেতেই তার বাবা অভিযোগ করেন, তার মেয়েকে খুন করা হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, এত ছোট একজনকে কেন খুন করা হল? এদিকে, পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারে, হস্টেলের বাথরুমে স্নান করতে গিয়েছিল প্রথম শ্রেণির ওই পড়ুয়া। তার পিছন পিছন সেখানে ঢোকে নবম শ্রেণির দুই ছাত্রী। অভিযোগ, তার পর মেয়েটির মাথা ধরে বালতির জলে চুবিয়ে দেওয়া হয়। প্রথমে শ্বাসরোধ করে মারার চেষ্টা করা হয়। এরপর মেয়েটির মৃত্যু নিশ্চিত করতে তার হাতের শিরা কেটে দেওয়া হয় ব্লেড দিয়ে। জানা যাচ্ছে, শৌচাগারের দরজা বন্ধ করে বালতিটিকে এক কোণে সরিয়ে দিয়ে বেরিয়ে যায় দুই অভিযুক্ত ছাত্রী। পরে ওয়ার্ডেন খোঁজ করতে গিয়ে এই ছাত্রীর দেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ তদন্তে নেমেই জেরা শুরু করে। হস্টেলে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই ওই নবম শ্রেণির দুই ছাত্রীর বয়ানে অসঙ্গতি পায়। জেরা জোরদার হয়। জানা গিয়েছে, আটক দুই নবম শ্রেণির ছাত্রীকে হোমে পাঠানো হয়েছে।
{{/usCountry}}পুলিশ তদন্তে নেমেই জেরা শুরু করে। হস্টেলে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই ওই নবম শ্রেণির দুই ছাত্রীর বয়ানে অসঙ্গতি পায়। জেরা জোরদার হয়। জানা গিয়েছে, আটক দুই নবম শ্রেণির ছাত্রীকে হোমে পাঠানো হয়েছে।
{{/usCountry}}তবে কেন খুন? এই প্রশ্নের উত্তর পেতে গিয়ে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ওই দুই ছাত্রী হস্টেলে থাকতে চাইছিল না। তাদের ধারমা ছিল হস্টেলে কিছু নেতিবাচক ঘটালে হস্টেল বন্ধ করা হবে। ফলে তারা বাড়ি যেতে পারবে। পুলিশ বলছে, ‘হস্টেল বন্ধ করাই মূল লক্ষ্য ছিল ওই দু’জনের। তবে তদন্তের এখনও অনেক বাকি। বেশ কিছু নমুনা ফরেনসিক পরীক্ষায় পাঠানো হয়েছে।’ তবে মৃতার বাবার অভিযোগ, ‘আমার মনে হয়, নেশা করে দুই ছাত্রী এই ঘটনা ঘটাতে পারে। তবে শুধু ওরা নয়, আমার মনে হয়, এটা ষড়যন্ত্র করে খুন। বড় মাথা রয়েছে।’