...
...
Next Story

TMC MP on Mamata Banerjee: 'দিদি বদলে গিয়েছিলেন', মমতার সঙ্গ ছেড়ে বিস্ফোরক সেলিব্রিটি তৃণমূল সাংসদ

শতাব্দী রায় বলেন, তাঁর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেগের সম্পর্ক থাকলেও মানুষের জন্য কাজ করাই তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সেই কারণেই তিনি দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, দলের মধ্যে কেবলমাত্র কিছু নির্দিষ্ট নেতারই নেতৃত্বের কাছে পৌঁছনোর সুযোগ ছিল, বাকিদের মতামত গুরুত্ব পেত না।

Published on: Jun 9, 2026, 13:09:20 IST
Advertisement

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ-কে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে আনছেন বিদ্রোহী সাংসদরা। এবার দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে নিয়েই সরব হলেন চারবারের সাংসদ শতাব্দী রায়। তাঁর দাবি, গত কয়েক বছরে 'দিদি বদলে গিয়েছিলেন' এবং দলের সাধারণ সাংসদদের কথা আর শোনা হত না।

শতাব্দী রায় বলেন, তাঁর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেগের সম্পর্ক থাকলেও মানুষের জন্য কাজ করাই তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। (Naveen Sharma)
শতাব্দী রায় বলেন, তাঁর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেগের সম্পর্ক থাকলেও মানুষের জন্য কাজ করাই তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। (Naveen Sharma)

এক সাক্ষাৎকারে শতাব্দী রায় বলেন, তাঁর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেগের সম্পর্ক থাকলেও মানুষের জন্য কাজ করাই তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সেই কারণেই তিনি দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, দলের মধ্যে কেবলমাত্র কিছু নির্দিষ্ট নেতারই নেতৃত্বের কাছে পৌঁছনোর সুযোগ ছিল, বাকিদের মতামত গুরুত্ব পেত না।

শতাব্দী রায়ের কথায়, 'আমাদের কথা কেউ শুনত না। মানুষের জন্য কাজ করতে চেয়েছি, কিন্তু দলের মধ্যে সেই সুযোগ পাইনি। শুধুমাত্র বাছাই করা কয়েকজন নেতারই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পৌঁছনোর সুযোগ ছিল।' বিদ্রোহী শিবিরের অন্যান্য সাংসদদেরও একই অভিযোগ। তাঁদের দাবি, রাজ্য সরকারের মন্ত্রীদের কাছেও সাধারণ সাংসদদের কথা বলার সুযোগ ছিল না। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করা হত না। বরং কোনও প্রশ্ন তুললে চুপ করে থাকতে বলা হত।

তৃণমূলের দুর্বল সময়ে কেন তাঁরা এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আনছেন, সেই প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন শতাব্দী রায়। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার ফলে দলের অভ্যন্তরে কী ঘটছে, তা এখন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তাই নিজের কেন্দ্রের মানুষের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। মমতার সঙ্গ ছাড়ার কারণ হিসেবে দুর্নীতির প্রসঙ্গও তুলে ধরেছেন এই অভিনেত্রী-সাংসদ। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের নিচুতলা থেকে ওপরতলা পর্যন্ত দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়েছিল। সেই পরিস্থিতি দেখে তিনি অত্যন্ত হতাশ হয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, নিজের ভাবমূর্তি পরিচ্ছন্ন এবং তা রক্ষার জন্য কোনও রাজনৈতিক দলের আশ্রয়ের প্রয়োজন তাঁর নেই।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks