...
...
Next Story

TMC Sign Forgery Case: বিধায়কদের সই জাল মামলায় বড় মোড়, শোভনদেবকে জেরার পরে মিলল তৃণমূলের ‘রেজোলিউশন বুক’

শনিবার শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছন সিআইডি আধিকারিকরা। প্রায় আধ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তদন্তকারীরা মামলার বিভিন্ন দিক নিয়ে প্রশ্ন করেন এবং তাঁর বয়ান রেকর্ড করেন।

Published on: Jun 21, 2026 09:53 AM IST
Advertisement

বিধায়কদের সই জালিয়াতি সংক্রান্ত বিতর্কিত মামলায় নতুন মোড়। দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর অবশেষে তৃণমূল কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ ‘রেজোলিউশন বুক’-এর হদিস পেল সিআইডি। তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে খবর, বালিগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করার পরে উদ্ধার হয়েছে ওই নথির কপি। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় (ফাইল ছবি, সৌজন্য ফেসবুক)
শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় (ফাইল ছবি, সৌজন্য ফেসবুক)

শনিবার শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছন সিআইডি আধিকারিকরা। প্রায় আধ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তদন্তকারীরা মামলার বিভিন্ন দিক নিয়ে প্রশ্ন করেন এবং তাঁর বয়ান রেকর্ড করেন। সেই জিজ্ঞাসাবাদের সূত্র ধরেই রেজোলিউশন বুকের কপি তদন্তকারীদের হাতে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। এবার ওই বইয়ে থাকা বিধায়কদের স্বাক্ষর যাচাই করে দেখবেন গোয়েন্দারা। অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু স্বাক্ষর জাল করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।

এই রেজোলিউশন বুককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে দেখছে সিআইডি। কারণ, বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা, উপদলনেতা এবং পরিষদীয় দলের অন্যান্য পদাধিকারীদের নাম অনুমোদনের জন্য একটি আনুষ্ঠানিক রেজোলিউশন পাশ করা হয়। সেই নথির একটি কপি জমা পড়ে বিধানসভার স্পিকারের কাছে এবং আরেকটি কপি থাকে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের কাছে। তৃণমূলের ক্ষেত্রে সেই নথি দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, অর্থাৎ ৩০বি হরিশ চট্টোপাধ্যায় স্ট্রিটে থাকার কথা। ঘটনাচক্রে সেটিই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবন।

প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনের পর শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার প্রস্তাব সংক্রান্ত রেজোলিউশন জমা পড়েছিল স্পিকারের কাছে। পরে দলের বিদ্রোহী একাংশ অভিযোগ তোলে, যে সমস্ত বিধায়কের স্বাক্ষর ওই নথিতে রয়েছে, তাঁদের অনেকেই নাকি সই করার সময় উপস্থিত ছিলেন না। ফলে প্রশ্ন ওঠে, সেই স্বাক্ষরগুলি আদৌ আসল কি না। অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। রেজোলিউশন বুক উদ্ধারের ফলে এবার সেই বিতর্কের সত্যতা যাচাইয়ের পথে তদন্ত অনেকটাই এগোল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe