...
...
Next Story

VB-G RAM G Scheme: দুর্নীতি রোধে কড়াকড়ি, রাজ্যের প্রায় ২.৫৬ কোটি জব কার্ডধারীর তথ্য খতিয়ে দেখার নির্দেশ

সোমবার মুখ্যসচিব মনোজ অগরওয়াল জেলার প্রশাসনিক কর্তাদের উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে জানিয়েছেন, প্রকল্পের প্রতিটি ধাপে কঠোর নজরদারি ও আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। অতীতে এই প্রকল্পকে ঘিরে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের পুনরাবৃত্তি রোধ করাই প্রশাসনের মূল লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে।

Published on: Jun 09, 2026 08:36 AM IST
Advertisement

রাজ্যে ১২৫ দিনের কাজের প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে জেলাশাসকদের জন্য বিস্তারিত নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য সরকার। সোমবার মুখ্যসচিব মনোজ অগরওয়াল জেলার প্রশাসনিক কর্তাদের উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে জানিয়েছেন, প্রকল্পের প্রতিটি ধাপে কঠোর নজরদারি ও আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। অতীতে এই প্রকল্পকে ঘিরে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের পুনরাবৃত্তি রোধ করাই প্রশাসনের মূল লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে।

রাজ্যে ১২৫ দিনের কাজের প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে জেলাশাসকদের জন্য বিস্তারিত নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য সরকার।
রাজ্যে ১২৫ দিনের কাজের প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে জেলাশাসকদের জন্য বিস্তারিত নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য সরকার।

মুখ্যমন্ত্রী আগেই জানিয়েছিলেন, মুর্শিদাবাদ ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা বাদে রাজ্যের বাকি জেলাগুলিতে কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রকল্পটি জুনের প্রথম সপ্তাহ থেকেই চালু হবে। সেই প্রেক্ষিতে মুখ্যসচিব নির্দেশ দিয়েছেন, কেন্দ্রীয় আইনের সমস্ত বিধান এবং আর্থিক গাইডলাইন কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, অতীতের অভিজ্ঞতায় দেখা গিয়েছে ভুল পরিকল্পনা, যথাযথ তদারকির অভাব, প্রয়োজনের তুলনায় বেশি কাজ অনুমোদন, তথ্য যাচাইয়ে গাফিলতি, কাজ সম্পূর্ণ করতে বিলম্ব, এমআইএস আপডেটে দেরি, অপর্যাপ্ত পরিদর্শন এবং দুর্বল সামাজিক নিরীক্ষার মতো কারণে প্রকল্প বাস্তবায়নে একাধিক সমস্যা তৈরি হয়েছিল। এবার সেই সব ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সরকারের মতে, প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য শুধু কর্মসংস্থান নয়, উৎপাদনশীল ও স্থায়ী সামাজিক সম্পদ গড়ে তোলা। বিশেষ করে জল সংরক্ষণ, খরা প্রতিরোধ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং প্রাকৃতিক সম্পদের সঠিক ব্যবহারকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। সেই কারণে কোন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে, তা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বাছাই করতে হবে।

পাশাপাশি, প্রকল্প শুরু হওয়ার আগে রাজ্যের প্রায় ২.৫৬ কোটি জব কার্ডধারীর তথ্যভাণ্ডার খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অযোগ্য ব্যক্তিরা যাতে তালিকায় ঢুকতে না পারেন, সেজন্য প্রত্যেকের ই-কেওয়াইসি যাচাই বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। মজুরি প্রদান করা হবে আধার-ভিত্তিক পেমেন্ট সিস্টেম (এবিপিএস)-এর মাধ্যমে।

নির্দেশিকা অনুযায়ী, ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক বা বিডিও প্রকল্পের ‘প্রোগ্রাম অফিসার’ হিসেবে কাজ করবেন। প্রকল্প পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন, অভিযোগ নিষ্পত্তি, নথি সংরক্ষণ এবং নিয়মিত পরিদর্শনের দায়িত্ব তাঁদের উপরই থাকবে। সময়মতো ত্রুটি সংশোধন এবং মাঠপর্যায়ের কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe