রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে পরিবহণ ও নগর পরিকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। সোমবার বিধানসভায় বাজেট পেশ করতে গিয়ে তিনি জানান, কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত ট্রাফিক করিডর চিংড়িহাটা থেকে নিউটাউন পর্যন্ত একটি বিশেষ উড়ালপথ নির্মাণের প্রস্তাব নেওয়া হয়েছে। অসমের কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যানের এলিভেটেড করিডরের আদলে তৈরি হবে এই উড়ালপথটি। পাশাপাশি হাওড়ার শালিমার এবং কলকাতার গার্ডেনরিচ এলাকায় আধুনিক টার্মিনাল নির্মাণের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রীর এই ঘোষণাকে কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকার যানজট সমস্যার দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পথে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। চিংড়িহাটা মোড় বর্তমানে পূর্ব কলকাতা, সল্টলেক, নিউটাউন এবং বিমানবন্দরমুখী যাতায়াতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল। প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন এই পথ ব্যবহার করে। ফলে দীর্ঘদিন ধরেই এই এলাকায় যানজট একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, অসমের কাজিরাঙায় নির্মিত এলিভেটেড করিডরের আদলে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে। মূল সড়কের উপর দিয়ে দ্রুতগতির যান চলাচলের জন্য একটি উন্নত করিডর তৈরি করা হবে, যাতে নিচের রাস্তার উপর চাপ কমে এবং যাতায়াতের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নিউটাউন, রাজারহাট, সল্টলেক এবং কলকাতার মধ্যে যোগাযোগ আরও দ্রুত ও আধুনিক হবে।
অন্যদিকে, শালিমার-গার্ডেনরিচ টার্মিনাল নির্মাণের ঘোষণাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কলকাতা ও হাওড়া অঞ্চলে যাত্রী ও পণ্য পরিবহণের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা মাথায় রেখেই এই আধুনিক টার্মিনাল গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সরকারের আশা, নতুন টার্মিনাল চালু হলে শহরের পরিবহণ ব্যবস্থা আরও সুশৃঙ্খল হবে এবং পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রেও নতুন গতি আসবে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, নতুন সরকার রাজ্যের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি, নগর উন্নয়ন এবং আধুনিক পরিবহণ ব্যবস্থার উপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। বিমানবন্দর, সড়ক ও টার্মিনাল পরিকাঠামোর উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় এই নতুন প্রকল্পগুলিও সেই বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ। সব মিলিয়ে, চিংড়িহাটা-নিউটাউন এলিভেটেড করিডর এবং শালিমার-গার্ডেনরিচ টার্মিনাল প্রকল্পের ঘোষণা কলকাতা মহানগর ও সংলগ্ন এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থাকে নতুন মাত্রা দিতে পারে বলেই মনে করছে প্রশাসনিক ও পরিবহণ মহল।
{{/usCountry}}পর্যবেক্ষকদের মতে, নতুন সরকার রাজ্যের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি, নগর উন্নয়ন এবং আধুনিক পরিবহণ ব্যবস্থার উপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। বিমানবন্দর, সড়ক ও টার্মিনাল পরিকাঠামোর উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় এই নতুন প্রকল্পগুলিও সেই বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ। সব মিলিয়ে, চিংড়িহাটা-নিউটাউন এলিভেটেড করিডর এবং শালিমার-গার্ডেনরিচ টার্মিনাল প্রকল্পের ঘোষণা কলকাতা মহানগর ও সংলগ্ন এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থাকে নতুন মাত্রা দিতে পারে বলেই মনে করছে প্রশাসনিক ও পরিবহণ মহল।
{{/usCountry}}