খুদেদের কাণ্ডকারখানা একরাশ মন খারাপের মধ্যেও মুখে এনে দিতে পারে চওড়া হাসি। বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ জনপ্রিয় টলিপাড়ার কিছু খুদে। যেমন পরমব্রত-পিয়ার ছেলে নডি, কাঞ্চন-শ্রীময়ীর মেয়ে কৃষভি, অহনা-দীপঙ্করের মেয়ে মীরা। ওদের দুষ্টুমিষ্টি ভিডিয়ো যখনই আসে, ভালোবাসায় ভরিয়ে দেয় নেটপাড়া।

আজকাল টুকটাক ভ্লগিং করেন অহনা। মেয়ের ভিডিয়ো তো হামেশাই দেন সোশ্যাল মিডি্য়ায়। সেরকমই একটা পোস্টে দেখা গেল, সাদা ফ্রক পরেছে মীরা। আর মেয়ের মাথায় দুটো ঝুঁটি বেঁধে দিচ্ছে মাম্মা অহনা! এবার মুশকিল হল, এই ঝুঁটি বাঁধা আবার এক্কেবারে পছন্দ হয়নি মীরা-র। মাথা নাড়িয়ে খুদের সে কী তীব্র প্রতিবাদ!
অহনা আর দীপঙ্করও মেয়ের কাণ্ডে হেসে অস্থির। এক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, ‘মিষ্টি সোনা মা’! আরেকজন লেখেন, ‘ও মা কী কিউট। এই ওকে একেবারে বিরক্ত করবে না বলে দিলাম!’
মেয়ের নাম মীরা রেখেছেন তাঁরা। অহনার শাশুড়ি অর্থাৎ দীপঙ্করের মায়ের নাম ছিল মীরা। তিনি নাতনি হওয়ার আগেই অবশ্য পরলোকগমন করেন। মায়ের ঘর ছেড়ে, দীপঙ্করের হাত ধরে যখন অহনা লিভ ইন শুরু করেন, তখন নিজের মেয়ের মতোই তাঁকে আগলে রেখেছিলেন শাশুড়ি মা! আর তাই মেয়ের নামও রেখেছেন শাশুড়ির নামেই।
অহনা-র ক্যামেরার সমানে কাজ ডান্স বাংলা ডান্স দিয়ে। সেখানে মা চাঁদনীর সঙ্গে ভাগ নিয়েছিলেন তিনি। আর নাচের সেই রিয়েলিটি শো-এর পরই অহনার কাছে আসে অনুরাগের ছোঁয়া ধারাবাহিকে খলনায়িকা মিশকা চরিত্রে কাজ করার অফার। আর এই ধারাবাহিক যেমন অহনাকে ঘরে ঘরে পরিচিতি দেয়, তেমনই দেয় ভালোবাসার মানুষকে। এই মেগারই রূপটানশিল্পী দীপঙ্করের প্রেমে পড়েন অহনা।
তবে এখানেই বিপত্তি। বয়সে বড়, ডিভোর্সি দীপঙ্করকে মেনে নিতে পারেননি অহনার মা। এদিকে মায়ের নিষেধ মানতে পারেননি অহনাও। ফলত মা-মেয়ের দূরত্ব আসে। ভালোবাসার টানে দীপঙ্করের হাত ধরে বাড়ি ছাড়েন। লিভ ইন করেন বছর দেড়েক। তারপর পরিবারের সকলের উপস্থিতিতেই রেজিস্ট্রি করে নেন। অহনা-দীপঙ্করের আইনি বিয়েতে হাজির ছিলেন ছেলের বাড়ির লোকেরাই।
নাতনি হওয়ার পরেও, চাঁদনীর অভিমান কমেনি। এদিকে, অহনাও আঁকড়ে ধরেছেন শ্বশুরবাড়ির লোককে। একরত্তি মেয়েকে রেখেই শ্যুটে যান অহনা-দীপঙ্কর। আর ন্যানিদের সঙ্গে মীরাকে সর্বক্ষণ সামলান তাঁর ঠাকুরদা। অহনাও ঘুরতে যান বা রেস্তোরাঁয়, সর্বক্ষণের সঙ্গী বর-মেয়ে আর শ্বশুরমশাই।
{{/usCountry}}নাতনি হওয়ার পরেও, চাঁদনীর অভিমান কমেনি। এদিকে, অহনাও আঁকড়ে ধরেছেন শ্বশুরবাড়ির লোককে। একরত্তি মেয়েকে রেখেই শ্যুটে যান অহনা-দীপঙ্কর। আর ন্যানিদের সঙ্গে মীরাকে সর্বক্ষণ সামলান তাঁর ঠাকুরদা। অহনাও ঘুরতে যান বা রেস্তোরাঁয়, সর্বক্ষণের সঙ্গী বর-মেয়ে আর শ্বশুরমশাই।
{{/usCountry}}